পাতায় পাতায় গল্প – রতনতনু ঘাটী / PATAY PATAYA GALPO
₹60.00ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।
শ্রীকান্তের ইন্দ্রনাথ / Srikantera Indranath
₹60.00গোপালচন্দ্র রায়
শ্রীকান্তের ইন্দ্রনাথ। ইন্দ্র। সে কি কথাশিল্পীর কপোলকল্পনা? নাকি রক্তমাংসের কোনো বাস্তব চরিত্র? এই প্রশ্নই একদা জিজ্ঞাসু করে তুলেছিল যাঁকে, তিনি গোপালচন্দ্র রায়। শরৎচন্দ্রের প্রামাণ্য এই জীবনীকার ইন্দ্রনাথের খোঁজে পৌঁছে গেছেন ভাগলপুরে। কথাশিল্পীর মাতুলালয় ও তার সন্নিহিত অঞ্চলে পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তিনি সংগ্রহ করেছেন সত্যিকারের ইন্দ্রনাথ অর্থাৎ রাজুর সাহস, বীরত্ব এবং কীর্তিকলাপের কাহিনি। সাহিত্যের সঙ্গে বাস্তবের সম্পর্ক যে কী অমোঘ, কী অনিবার্য, তা আরও একবার মূর্ত হয়ে উঠল লেখকের গবেষণাধর্মী অনুসন্ধানে। শরৎচন্দ্রের ছেলেবেলার গল্প গ্রন্থের অন্তর্গত লালু বিষয়ক তিনটি গল্পও সংযোজিত হয়েছে এই সংকলনে। কারণ, লালুর গল্প হলেও এগুলি আসলে ইন্দ্রনাথ ওরফে রাজুরই কাহিনি।
সাহিত্য সেবক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় / Sahitya Sebak Brajendranatha Bandyopadhyaya
₹60.00বিশ্বনাথ রায়
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর প্রাণপুরুষ তথা উনিশ শতকীয় চর্চায় বাঙালির পথপ্রদর্শক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে আমরা এতাবৎ প্রায় অনবহিতই ছিলাম। দৌহিত্র বিশ্বনাথ রায় প্রণীত এই সংক্ষিপ্ত ব্রজেন্দ্র-আলেখ্য সে অভাব বহুলাংশে মেটাবে।
মহাবিদ্রোহ – উত্তর পূর্বাঞ্চল || MAHABIDROHA – UTTAR PURBANCHAL
₹70.00মহাবিদ্রোহ, উত্তর পূর্বাঞ্চল ( MAHABIODROHO) PANNALAL ROY
১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রাহ ভারতবর্ষের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা I এই বিদ্রোহের কারণ ব্যাপ্তি ও বিস্তার এবং জনজীবনে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে I
বিধু দারোগা / BIDHU DAROGA (COMICS)
₹75.00শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
চিত্রনাট্য ও ছবি: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিধু দারোগা এলাকার লোককে দেখিয়ে দেবেন তাঁর ভয়ে বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খায়। হারু মণ্ডল নিয়ে এল তার গোরু। সার্কাস থেকে আনা হল বাঘ। সে এক কেলেঙ্কারি কাণ্ড! তারপর? জানতে গেলে উলটোতেই হবে বিধু দারোগা-র পাতা।
ভারতীও ভেষজ ও লোকচিকিৎসা / BHARATIA VESAJA O LOKCHIKITSA
মনোজ বড়ুয়া
পঞ্চম বেদ হিসেবে আখ্যাত ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রের সাফল্যের মূলে ভারতীয় ভেষজ ও লোক-ওষধি। বিভিন্ন রোগের অব্যর্থ নিরাময়ে এদের প্রয়োগ সুপরীক্ষিত। আদিবাসী সমাজে অসংখ্য মানুষ আজও লোক-ওষধিকেই রোগ নিরাময়ের নির্বিকল্প উপায় মনে করে। ভারতের মতো গরিব দেশে এমন সুলভ ও সহজ চিকিৎসাপদ্ধতির তাৎপর্য ও উপযোগিতা অপিরসীম। এই বইয়ে রইল ভারতীয় ভেষজ ও লোকচিকিৎসার এক প্রাঞ্জল ভাষ্য।
মুকুট / MUKUT
₹80.00প্রাককথন নিধুভূষণ হাজরা
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সম্পাদিত বালক পত্রিকায় ১২৯২ বঙ্গাব্দের (১৮৮৫ সালে) বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ পরপর দুটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয় একটি বড়ো গল্প_মুকুট। ত্রিপুরার প্রাচীন ইতিহাসভিত্তিক এই গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবির বয়স তখন চব্বিশ। লেখার আকর সংগ্রহের অন্য তিনি চিঠি লেখেন ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যকে। শুরু হয় এক বন্ধুতা যার তাপর্য বহুমুখী। গল্প হিসেবে ‘মুকুট’ হয়তো বিদগ্ধ পাঠককে মুগ্ধ করেব না, কিন্তু শিশুশিক্ষার উপকরণ হিসেবে এর মূল্য অনেক। কবির নিজের ভাষায় : ‘জীবনচরিত বা ইতিহাস হইতে বেশ ছোটো ছোটো anecdote সংগ্রহ করিয়া দিলে ছেলেদের পড়াইবার বিশেষ সুবিধা হয়।’ রবীন্দ্রনাথের অনুমান অভ্রান্ত ছিল। গল্প হিসেবে মুকুট জনপ্রিয় হয় এবং ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কবি এর নাট্যরূপ দেন। উদ্দেশ্য ছিল ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বালকদের দিয়ে সে-নাটকের অভিনয় করানো। এই গ্রন্থে ‘মুকুট’-এর গল্প ও নাট্য_উভয় রূপই সংকলিত হল আজকের ছেলেমেয়েদের ‘ত্যাগের বীর্যের অধ্যবসায়ের ধর্ম্মনিষ্ঠার সত্যপরায়ণতার’ মন্ত্রে দীক্ষিত করতে।
শুভ-রাজ্যাভিষেক উৎসব / Subha-Rajyabhisek Utsab
শ্রীশ্রীমন্মহারাজ বীরবিক্রমকিশোর দেববর্ম মাণিক্য বাহাদুরের
শুভ-রাজ্যাভিষেক উৎসব
ত্রিপুরার মহারাজ বীরবিক্রকিশোর মাণিক্য ছিলেন বহুকর্মা। তাঁর জীবনকাল সংক্ষিপ্ত হলেও ব্যাপ্তি সুবিশাল। দেশ-বিদেশে পরমসমাদৃত এই মহারাজার রাজ্যাভিষেকের বর্ণাঢ্য (১৯২৮ সাল) ছিল নানা উপাচারে সজ্জিত। সেই আচার-অনুষ্ঠানের রাজকীয় সমারোহ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত এই পুস্তিকার নবকলেবরে পুনঃপ্রকাশনা_ইতিহাসের এক উজ্জ্বল উদ্ধার। ‘স্বাধীন ত্রিপুরার প্রায় অন্তিম সময়ের আর্থ-সামাজিক ইতিহাসের পাদটীকার বহু খুচরো উপাদানের আকর’ এই পুস্তিকা, যাতে একই সঙ্গে বিধৃত হয়েছে মহারাজার রাজ্যভার অধিগ্রহণ, রাজ্যাভিষেক পদ্ধতি এবং ত্রিপুরেশ্বরের সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য।