পাঁচটি কাহিনিতেই রহস্যভেদীর ভূমিকায় অবতীর্ণ সত্যান্বেষী চিকিৎসক ডা. সোমদেব গুহ।
মুহূর্তকথা – হর্ষ দত্ত (দ্বিতীয় খণ্ড) / MUHURTA KOTHA – HARSH DUTTA (VOL-2)
হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
মুহূর্ত যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে, মুহূর্তকথারা পাড়ি দেয় এক অজানা যাত্রাপথে। দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে তারা হয়তো শ্রোতাকে, পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক মহান অঙ্গনে, যেখানে ঋদ্ধ হতে হয় ভিন্ন এক পাঠ-অভিজ্ঞতায়, অভিনব কোনো জীবনবোধে। হয়ে ওঠা অথবা না-হয়ে ওঠা এই মুহূর্তকথারাই চিরায়ত কথাসাহিত্যের প্রাণ, তারাই সাঁতারু প্রজন্মস্মৃতির এই প্রবহমান স্রোতে। ‘মুহূর্তকথা’_এই শিরোনামে পারুল নিবেদ করছে বাংলা ছোটোগল্পের চিরায়ত সৃজনকর্মগুলিকে। মুহূর্তকথা-র এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের নিবেদন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, বুদ্ধদেব গুহ ও হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ।
কিস্তিমাত || KISTIMAT – KOUSHIK ROY
কু ন্ত লা রু দ্র সি রি জ
পেশায় আইনজীবী, নেশায় গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্র অপরাধীকে ধরতে ডুব দেন মনস্তত্ত্বের গহিনে, সাহায্য নেন আধুনিকতম ফরেনসিক বিজ্ঞানের।
কিস্তিমাত-এ পাঠক সাক্ষী হবেন কুন্তলার কাছে আসা এমন চারটি জটিল কেস-এর, যেখানে অপরাধের সূত্র লুকিয়ে আছে স্মৃতি, বিস্মৃতি অথবা অধুনালুপ্ত কোনও নথিতে। কখনও সাইবার ফরেনসিকস, কখনও প্লান্ট ফরেনসিকস, আবার কখনও মনোবিজ্ঞানকে মগজাস্ত্র বানিয়ে এমন অভিনব রহস্যভেদ এই সময়ের শিহরন-সাহিত্যে বিরল।
মানবমন আর অপরাধতত্ত্বের জটিল গোলকধাঁধায় নারী গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্রের স্বচ্ছন্দ মেধাবী বিচরণ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে।
বড়ো পাপ হে || BORO PAAP HEY – RUPAK SAHA
পাপ কী?
কে তার ভার বহন করে?
মাতা-পিতার পাপের ভার কি সন্তানকেও বইতে হয়?
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।
মুদ্রারাক্ষস || MUDRARAKKHASH – KOUSHIK DAS
একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন।
প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-
S
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়।
কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন।
আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।
পৃথিবীর শেষ স্টেশন || PRITHIBIR SESH STATION – FARUK AKHTAR
পৃথিবীর শেষ স্টেশন আসলে কী?
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?