ডিঙিনৌকো বাংলা শিশুসাহিত্যের বৃহত্তম বার্ষিকী
করোনাকে হার মানিয়ে, ফের খুলে গেছে তোমাদের স্কুল। আবারও ক্লাসরুম, প্রিয় সহপাঠী আর শিক্ষকদের সান্নিধ্য। খেলার মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে হুটোপুটি, পৃথিবীর সব রং ছুঁয়ে নিতে বেরিয়ে পড়া- এখন ইচ্ছে হলেই! তোমাদের চিরসবুজ মনকে সঙ্গী করে
প্রতিবারের মতো এবারও ডিঙিনৌকো দুর্নিবার।
ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, নিবন্ধ, কুইজ-এর ডালি সাজিয়ে, কল্পনার নদীতে দাঁড় বেয়ে নিরন্তর সে ভেসে চলেছে অজানা, অদেখা কোনো স্বপ্নের দেশের উদ্দেশে!
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I
একদিকে যেমন সহজ ভাষায় প্রাচীন ভারতের সুমহান আয়ুর্বেদ চিকিৎসার অনেক গূঢ় রহস্য উন্মোচিত হয়েছে এখানে, তেমনই আবার পরিচিত, অপরিচিত বিবিধ ভেষজের প্রয়োগে সুলভগৃহচিকিৎসার প্রণালীও বর্ণিত হয়েছে এর পাতায় পাতায়।
গৃহী, বিদ্যার্থী, গবেষক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী প্রমুখ সকলের জন্যই এই বইটি অপরিহার্য।
৬টি উপন্যাস, ৪০টি ছোটোগল্প-বিজ্ঞান-বিশেষ রচনা, ৩১টি কবিতা ও ছড়া, ১টি নাটক, ২টি কমিক্স এবং কুইজ, খেলা, উৎসব ও চিঠিপত্র নিয়ে প্রকাশিত হল দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো।
পাতায় পাতায় অলংকরণ ও মনোরম চিত্রশোভিত এমন বর্ণাঢ্য, সর্বাঙ্গসুন্দর সাহিত্যবার্ষিকী শুধু বাংলা প্রকাশনায় নয়, আন্তর্জাতিক প্রকাশনাতেও বিরল। দ্বিতীয় বর্ষ ডিঙিনৌকো-র জন্য লব্ধপ্রতিষ্ঠ সাহিত্যিকদের পাশাপাশি যথারীতি কলম ধরেছেন শিশুসাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ প্রায় সকল লেখকই। নিঃসন্দেহে, ডিঙিনৌকো-ই বিশ্ব বাংলা শিশুসাহিত্যের সেই সুযোগ্য প্রতিনিধি, যার অলংকরণে দুই বাংলার শ্রেষ্ঠ ইলাস্ট্রেটর ও চিত্রশিল্পীরা।
বর্ষীয়ান কবি তথা জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী শিশুসাহিত্যিক সুনির্মল চক্রবর্তীর সম্পাদনায় ডিঙিনৌকো শিশু-কিশোরদের জন্য এক অভিনব সাহিত্যবার্ষিকী।
এর পাতা উলটে ছোটোরা তো বটেই, বড়োরাও হারিয়ে যাবেন গল্প-ছবির স্বপ্নরাজ্যে।
মারণ ভিডিয়ো গেম-এর আক্রমণে আমাদের শৈশব যখন আক্রান্ত, যুদ্ধবাজ অশুভ শক্তির হানায় আমাদের দৈনন্দিন জীবন যখন দুঃস্বপ্নময়, পারুল প্রকাশনীর ডিঙিনৌকো তখন আবার নতুন করে দেখায় স্বপ্ন, নতুনভাবে শোনায় বেঁচে থাকার গান।
সম্পাদনা: সুনির্মল চক্রবর্তী
আজ যখন বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রকোপে ছিন্নভিন্ন ঋতুচক্র, যখন মানুষের অপরিমিত লোভ নিঃশেষ করছে ভূগর্ভের জলস্তর, যখন খরা, বন্যা আর যুদ্ধে বিপন্ন মানবজাতি, তখন একমাত্র ছোটোরাই পারে স্বপ্ন দেখতে। তারাই পারে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাতে। নতুন এই ডিঙিনৌকো তাদের বাহন। এতেই সওয়ার হয়ে তারা একদিন ঠিক খুঁজে নেবে সম্ভাবনার নতুন সমুদ্র আর তারায় ভরা নতুন আকাশ।
সাতটি উপন্যাস নিয়ে ‘শ্রীবুদ্ধদেব গুহর স্বনির্বাচিত উপন্যাস’ (প্রথম খণ্ড) উপন্যাসের পটভূমি জামশেদপুরের রুক্ষ, শুষ্ক শিল্পাঞ্চল। একটি বাঙালি মেয়ের জবানিতে লেখা সেই উপন্যাস। ভুল বিয়ে করে ফেলে অনুশোচনায় দগ্ধ হতে থাকা এক নারী। নাটকীয়ভাবে একের-পর-এক আরও ভুল সম্পর্কে জড়িয়ে যেতে থাকে সে। মেয়েটির অকপট আত্মকথন উন্মোচিত করে আমাদের মধ্যবিত্ত-উচ্চমধ্যবিত্ত সমাজের যাবতীয় ভণ্ডামি। আর ঠিক সেটিই অভিপ্রায় ঔপন্যাসিকের। এই সংগ্রহের সবকটি উপন্যাসই আসলে এক দর্পণ, যার প্রতিচ্ছবিতে পাঠক দেখে ফ্যালেন তাঁর নিজেরই মুখ।