BHARATER ITIHAS (PRACHIN YUG) / ভারতের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) B.A. (AS PER NEP 2020)
₹243.00প্রাচীন যুগ
AS PER NEP 2020
B.A. History (Minor & Major)
AS PER NEP 2020
B.A. History (Minor & Major)
আশাপূর্ণা দেবী
শুধুই মধ্যবিত্ত বাঙালি জীবনের মরমী কথাকার হিসেবে নয়, আশাপূর্ণা দেবী স্মরণীয় শিশু-কিশোরসাহিত্যে তাঁর ব্যতিক্রমী অবদানের জন্যও। তাঁর লেখা ছোটোদের বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। প্রায় অর্ধশত এই সৃষ্টির মধ্যেই ছোটোদের জন্য তিনি সৃষ্টি করে ফেলেন বিশ্বসযোগ্যভাবে আশ্চর্য এক জগৎ।
সম্পাদনা: মেঘ বসু
প্রেমই সেই আবহমান আহ্বান আমি থেকে তুমি হয়ে উঠতে উঠতে যা পেরিয়ে যায় নিষেধের লক্ষ্মণরেখা, ছিঁড়ে ফেলে ভুরু-কুঁচকানো প্রতিবিপ্লবী প্রহরা, উড়ানের এ-নব অধ্যায়ে খুঁজে নেয় পাখা, খোঁজে মহানভ অঙ্গন। রবীন্দ্রনাথ থেকে নির্মাল্য মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত ব্যাপ্ত এই সংগ্রহটি পাঠকের কাছে হয়ে উঠতে পারে এক আশ্চর্য ভ্রমণ।
অন্নদাশঙ্কর রায়
২১টি পরস্পর-সম্বন্ধিত নাতিদীর্ঘ প্রবন্ধে ‘আর্ট’ ও ৩টি দীর্ঘ প্রবন্ধে ‘বাংলার রেনসাঁস’ নিয়ে আলোচনা করেছেন অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁর এই গ্রন্থে। দেওয়া ও পাওয়ার ছল বা উপলক্ষ্য বা মাধ্যমের নামই যে আর্ট, সে-কথা তিনি যেমন নিঃসংকোচে বলেছেন, তেমনই নির্দ্বিধায় ঘোষণা করেছেন, বাংলার রেনেসাঁস এখনও অসমাপ্ত। রবীন্দ্রনাথের অন্তর্ধানে তা নিঃশেষিত হয়নি।
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
এই পঁচিশটি কিশোর গল্পে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় জয় করে নিয়েছেন ছোটো-বড়ো সকলের মন। বিচিত্র বিষয়ক গল্পগুলির প্রায় প্রত্যেকটিই মনুষ্যত্ববোধের উদ্বোধনে সমুজ্জ্বল। নানান মাত্রায় বাঁধা এই গল্পসংকলন পড়লে কখনো চোখ উঠবে বাষ্পাকুল হয়ে, আবার কখনো মন ভরে উঠবে দুরন্ত কৈশোরের অমলিন আনন্দে।
সুরেশচন্দ্র দত্ত
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণদেবের উপদেশ আমাদের ভাগ্যবিড়ম্বিত, দুঃখময় জীবনে এক পরম সহায়। জীবৎকালেই তাঁর অমৃতবাণী শ্রোতাদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল। তাতে একদিকে যেমন পরমহংসগতপ্রাণ ভক্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল, অন্যদিকে তাঁর উপদেশ আদৌ অবিকৃত থাকছে কি না, তা নিয়েও আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। জীবৎকালেই তাই রামকৃষ্ণবাণীর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে অগ্রণী ছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে একজন যদি হন মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (শ্রীম), অপরজন অবশ্যই সুরেশচন্দ্র দত্ত। বস্তুত, শ্রীম-এর রামকৃষ্ণকথামৃত প্রকাশিত হওয়ার আগেই পরমহংসদেবের জীবৎকালে ১৮৮৪ সালে সুরেশচন্দ্র দত্ত সংকলিত বইটির প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়েছিল। তারপর থেকে আজ অবধি বইটির সংস্করণ সংখ্যা ২৩-এরও বেশি। এতে একদিকে যেমন বইটির বহুল জনপ্রিয়তা ধরা পড়ে, অন্যদিকে পরিমার্জিত ও পরিবর্ধিত সংস্করণগুলিতে ঠাকুরের আরও অনেক অগ্রন্থিত উপদেশ যে সংকলিত হতে পেরেছিল, তাও বোঝা যায়। বর্তমান সংস্করণে শ্রীরামকৃষ্ণের ৯৫০টি উপদেশ সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের প্রথম পর্বে ‘শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলা’র পরমহংসদেবের জীবন ও কর্মের অতি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বইটি অমুদ্রিত অবস্থায় পাঠকের নজরের আড়ালে ছিল। ঐতিহাসিক এই পারুল সংস্করণে গ্রন্থটির তাৎপর্যময় পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রকাশ রামকৃষ্ণচর্চার ক্ষেত্রটিকে আরও প্রসারিত করবে।
ক্রিপটোজ্যুলজিস্ট হেরম্যান আর তার সঙ্গী সুদীপ্ত-র
এই রোমাঞ্চকর অভিযানের গন্তব্য ইন্দোনেশিয়ার সুন্দা দ্বীপমালার
ওরা দ্বীপ।
সেখানে জঙ্গলের ভিতর প্রাচীন এক মন্দিরে আজও নাকি দেখতে পাওয়া যায়
পৌরাণিক গল্পকথার সোনার কমোডো ড্রাগনকে।
বিষ-তির হাতে অসভ্য মানুষ আর ভয়ংকর প্রেতাত্মাদের সঙ্গে যুঝে
হেরম্যান আর সুদীপ্ত কি খুঁজে পাবে রূপকথার সেই ক্রিপটিডকে?
রতনতনু ঘাটী
নদীতে ভেসে আসা ফুলপাতায় মাকে খুঁজে চলা এক ভ্যাবলা ছেলে, উপাসনার স্বপ্নে দেখা রূপকথার মতো একটা রাজবাড়ি, লাল শালুক আর সাদা শালুকের গাছ লাগিয়ে চলা ঝুমনি নামের মেয়েটি, নৌকোয় পাল তুলে পুলিপিঠেদের সঙ্গে চড়ুইভাতিতে যাওয়ার ইচ্ছেময়ী টুপুর, কথাবলা পাখি-দ্বীপের আশ্চর্য মেয়ে দ্বীপ-কুমারী, হলদে পাখিতাড়ুয়া নয়ন, রামধনু-পাগল পরান, কাঁকনের মামারবাড়ি পলাশপুরের মানুষের শেষ সিত্যি–পরি দেখার গল্পে ভরা এ বই। নতুন দিনের জন্য লেখা এ এক মন-ভালো করা নতুন রূপকথা।