গৌরদাস সাহা সম্পাদিত পারুল প্রকাশনীর প্রথম এই পূজাবার্ষিকীতে লিখেছেন এই সময়ের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিকেরা।
জনপ্রিয় লেখকদের পাশাপাশি রয়েছেন প্রতিশ্রুতিবান নবীন লেখকেরাও।
আমরা জোর দিয়েছি থ্রিলার ও সাসপেন্স সাহিত্যে। কিন্তু তাই বলে উপেক্ষিত হয়নি শাশ্বত ভাবনা ও চেতনাও।
রয়েছে গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, কবিতা এবং প্রায় লুপ্ত এক সাহিত্যের ধারা – চম্পূকাব্য।
নতুন বাংলায় মায়ের আগমন স্মৃতিতে ধরে রাখতেই হয়তো-বা মহাদেবীর শুভ আবির্ভাব!
বিশ্বমনাঃ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে সুনীতিকুমার বিভিন্ন সময়ে যে প্রবন্ধগুলি রচনা করেছিলেন, এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে ভাষাচার্যের সেই রচনাগুলি। সেইসঙ্গে স্থান পেয়েছে উভয়ের মধ্যে বিনিমিত চিঠিপত্রও।
সেদিন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে পুলিশ রিপোর্টে কী লেখা হয়েছিল? কী লেখা হয়েছিল অন্যান্য স্বদেশি গানগুলি সম্পর্কে? কেই-বা হয়েছিল গ্রেফতার? কে গাইল ফাঁসির মঞ্চে ‘বন্দে মাতরম’? বঙ্কিমবাবুর নিজস্ব কথা কী ছিল? কী বলেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে তাঁর আত্মজার কাছে? বিংশ শতাব্দীর মধ্যযুগের চিন্তকরা কী লিখেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’-এর শতবর্ষে? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম্’ কি একই গোত্রের?
এরকম অসংখ্য জিজ্ঞাসার সন্ধান পাওয়া যাবে বইটির পাতায় পাতায়।
প্রখ্যাত চিকিৎসক তথা কলকাতার প্রাক্তন শেরিফ ডা. দুলালকুমার বসু রচিত এই বইটিতে রবিনহুড কেবল শেরউড বনের রোমান্টিক নায়ক নন, বরং মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। ইতিহাস, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শেরিফপ্রথার বিবর্তনের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন রবিনহুডের বিদ্রোহী সত্তা।
ব্যক্তিগত স্মৃতি, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যনিষ্ঠ অনুসন্ধান মিলিয়ে বইটি পেয়েছে এক স্বতন্ত্র বৌদ্ধিক গভীরতা। প্রাঞ্জল, স্বাদু গদ্যে লেখা বইটি শিশু, কিশোর ও ইতিহাসপ্রেমী পাঠক- সবার কাছেই সমান আকর্ষক!