• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Shop

রাজর্ষি / RAJARSHI

140.00

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রাজর্ষি রবীন্দ্রনাথের লেখা দ্বিতীয় উপন‌্যাস। অল্প বয়সের লেখা হলেও এর কাহিনি আজও পাঠকসমাজে সমাদৃত। এর নাট‌্যরূপ বিসর্জন আজও নাট‌্যরসিকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। উপন‌্যাসটি প্রথম ছাপা হয়েছিল বালক পত্রিকায়_কিন্তু অসম্পূর্ণ রয়ে যায় এর কাহিনি। এই কাহিনির সূত্র কবি পেয়েছিলেন স্বপ্নের মধ‌্যে। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশের পর কবির মনে হয়েছিল এটি সম্পূর্ণ করতে হবে এবং তা করতে হলে জানা প্রয়োজন ত্রিপুরার রাজ‌পরিবারের ইতিহাস। সেজন‌্য তিনি ত্রিপুররাজ গোবিন্দমাণিক‌্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। সেখান থেকে রাজপরিবারের ইতিবৃত্ত তাঁকে পাঠিয়ে দেওয়া হলে রবীন্দ্রনাথ রাজর্ষিকে সম্পূর্ণ করেন। স্বপ্ন ও ইতিহাসে ঘটে যায় এক অনবদ‌্য মেলবন্ধন। রচনা-ইতিহাসের নথি, বালক পত্রিকায় প্রকাশিত অবিকল প্রতিলিপি এবং আনুষঙ্গিক চিত্রাদিসহ রাজর্ষির সম্পূর্ণ পাঠ এই প্রথম কোনো সংস্করণে গৃহীত হল। রাজর্ষি-র পাঠে বহু পরিবর্তন ঘটেছে_তার ইতিকথাও সম্পাদকীয় ভূমিকায় সবিস্তারে আলোচিত। এই প্রথম উপন‌্যাসটির রসগ্রাহী আলোচনাসহ একটি সুমুদ্রিত সংস্করণ পাঠকের কাছে উপস্থাপিত হল ঠাকুর ও মাণিক‌্য পরিবারের অনুপম সংযোগসূত্রে।

রাজকাহিনী / RAJKAHINI

241.90

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রাজকাহিনী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন‌্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। টডের রাজপুত কাহিনি অবলম্বনে মধ‌্যযুগীয় রাজপুত রাজাদের বীরত্ব, ত‌্যাগ ও মহিমার এমন রূপনির্মাণ শুধু বাংলা সাহিত‌্যে কেন আন্তর্জাতিক সাহিত‌্যেও দুর্লভ। রাজপুত চিত্রকলার সঙ্গে শিল্পী অবনীন্দ্রনাথের পরিচয় উনিশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে। যখন তিনি কচ ও দেবযানী, রাধাকৃষ্ণের ছবি বা মোগল চিত্রাবলী আঁকছিলেন, তখনই রাজকাহিনীর রচনা। টডের ইতিহাস অবনীন্দ্রনাথের প্রেরণা হলেও সে আকরকে ব‌্যবহার করে তিনি সৃজন করেছেন শব্দ-ছবির এমন এক ভিন্ন রূপ জগৎ, শৌর্য, বীর্য, আত্মোৎসর্গ এবং দেশপ্রেমের মহিমায় যা প্রোজ্জ্বল। অবনীন্দ্রনাথের সংগীতময় অসামান‌্য স্পন্দিত গদ‌্য রাজকাহিনীর কাহিনিগুলিকে দান করেছে এক অনন‌্য বিশিষ্টতা। কল্পনায় তিনি পূরণ করেছেন বাস্তবের সংগত অনেক দাবি। ভাষার ঐশ্বর্য সেই কল্পনালীলার সঙ্গে মিলিয়েছেন তাল। সর্বোপরি, পাঠকের অখণ্ড মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হয়েছে অবনীন্দ্রনাথের অননুকরণীয় রচনাকৌশল যা একইসঙ্গে কুশলী ও চিত্তগ্রাহী। সবমিলিয়ে, রাজকাহিনী আজও বাঙালি পাঠকের কাছে সেরা কিশোর ক্লাসিক।

সাহিত্য সেবক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় / Sahitya Sebak Brajendranatha Bandyopadhyaya

60.00

বিশ্বনাথ রায়

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর প্রাণপুরুষ তথা উনিশ শতকীয় চর্চায় বাঙালির পথপ্রদর্শক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে আমরা এতাবৎ প্রায় অনবহিতই ছিলাম। দৌহিত্র বিশ্বনাথ রায় প্রণীত এই সংক্ষিপ্ত ব্রজেন্দ্র-আলেখ্য সে অভাব বহুলাংশে মেটাবে।

 

সমাজবিপ্লবী আম্বেদকর জীবন ও সাধনা / Samajbiplabi Ambedkar Jiban o Sadhana

255.00

সম্পাদনা দেবব্রত ঘোষ

জন্মের একশো পঁচিশ বছর পরেও যদি কোনো মানুষ একটি দেশের প্রাত‌্যহিক জীবনে ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়ে যান, তবে তাঁর জীবন ও কর্মের পুনর্মূল‌্যায়ন এক আশু কর্তব‌্য। বাবাসাহেব আম্বেদকর এমনই এক অলোকসামান‌্য ব‌্যক্তিত্ব। শুধু বর্ণবৈষ‌ম‌্য কিংবা অস্পৃশ‌্যতার বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করেই যাওয়া নয়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের তীব্র সমালোচনাকারী বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ হিসেবেও তাঁর ভূমিকা অবিস্মরণীয়। প্রকৃত অর্থেই তিনি ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভা। ভারতীয় দলিত রাজনীতির প্রবক্তা তথা সংগঠকরূপে তো বটেই, সামাজিক ন‌্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ‌্যেও তিনি ছিলেন এক আপোশহীন যোদ্ধা। ভারতীয় সংবিধানের রূপকার এই মানুষটিই আবার ছিলেন হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়ের পারস্পরিক সম্পর্ক ও পাকিস্তান গঠনের আন্দোলন প্রসঙ্গে স্পষ্টবাদী এক অন‌ন‌্য মতের প্রবর্তক। যেহেতু তিনি ছিলেন সব ধরনের শোষণের বিরুদ্ধেই মূর্ত প্রতিবাদ, তাই নারীর অধিকার নিয়েও বাবাসাহেব পরিচয় রেখেছিলেন সুচিন্তিত ভাবনার। গান্ধিবাদী কংগ্রেসি সামাজিক-রাজনৈতিক নীতি ও কার্যক্রমের কুণ্ঠাহীন সমালোচক এই ভীমরাও রামজি আম্বেদকর ছিলেন আদ‌্যন্ত জাতীয়তাবাদী।

সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার / SAMASAMAYIKA DRSTITE SUNITI KUMAR

212.50

সম্পাদনা পল্লব মিত্র

আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায় একালের প্রবাদপ্রতিম ব‌্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-ভাষাতত্ত্ব ও সমাজজীবনে তাঁর অবদানের প্রসঙ্গ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাহিত‌্য-সংস্কৃতি জীবনের বহু স্বনামধন‌্য ব‌্যক্তি আলোচ‌্য সংকলনে সুনীতিকুমারের জীবন ও জীবনের নানা কথা ব‌্যক্ত করেছেন। তাঁর ছাত্র বা ছাত্রস্থানীয় অনেকেই নানা আলোয় আচার্যকে বোঝবার ও বোঝাবার প্রয়াস পেয়েছেন। নানা কারণেই তাই এই সংকলন গ্রন্থটি সুনীতিকুমারের জীবন তথা বাংলার শিক্ষা-সংস্কৃতির এক উল্লেখযোগ‌্য দলিল হিসেবে পরিগণিত হবার দাবি রাখে।  ২০০৯ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায় ১২০ বছরে পদার্পণ করবেন। তাঁর প্রয়াণের পর তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও সেভাবে সুনীতিকুমারের বিস্তৃত কর্মকাণ্ডের পরিচয়বাহী কোনো বই সেভাবে পাঠকদের হাতে আসেনি। এমনকী সুনীতিকুমারের পুঙ্খানুপুঙ্খ উজ্জ্বল জীবনের দিনগুলোর কথাও যথাযথ গ্রন্থভুক্ত হয়েছে কি ? ১৯৭৭ সালে তাঁর প্রয়াণের পরই, তাঁকে নিয়ে যে-বিস্তৃত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলশ্রুতি হিসেবে, সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার গ্রন্থের প্রকাশ, সেই বইটির নতুন পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রায় পঁচিশ বছর পর পাঠকদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হল।

সত্যপ্রদীপ / Satyapradip

120.00

প্রাককথন: স্বপন বসু

বাংলার প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সত্যপ্রদীপ। ১৮৬০-এ খ্রিশ্চান ভার্নাকুলার এডুকেশন সোসাইটি প্রকাশ করে এক পয়সা দামের সচিত্র এই মাসিক পত্রিকাটি। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই পত্রিকাটির কোনো কপি ভারতবর্ষ বা বাংলাদেশের কোনো লাইব্রেরিতে নেই।

সুভাষ কি ওটেনকে মেরেছিলেন? / Subhash Ki Otenke Merechilen?

100.00

বারিদবরণ ঘোষ

সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ‌্যাপক ওটেনকে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, জবাব মেলেনি এ প্রশ্নের। নেতাজির তথাকথিত ‘বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত‌্যু’ যেমন আজও রহস‌্যাবৃত, তেমনই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ‘ওটেন নিগ্রহ’ অধ‌্যায়। এ নিয়ে বিতর্কের তিনটি অভিমুখ আছে : (১) সুভাষ প্রত‌্যক্ষভাবে তাঁর অধ‌্যাপককে নিগ্রহ করেছিলেন কি না,     (২) এ প্রসঙ্গে তাঁর নীরবতা, (৩) এ প্রসঙ্গে ওটেনের সবকিছু পরিষ্কার করে না বলা। এ গ্রন্থে সুভাষ-ওটেন প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে এই তিনটি অভিমুখ ধরেই। সংযোজিত হয়েছে সুভাষচন্দ্রের সহপাঠী বি এ রায়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত প্রতিবেদন। সুভাষ নিরপরাধ, সুভাষ অবশ‌্যই অপরাধী_ওটেন প্রসঙ্গে এই দুই চরমপন্থী বিশ্লেষণ থেকে নৈর্ব‌্যক্তিকভাবে নিজেকে দুরত্বে রেখে সম্পাদক কুশলতার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছেন বহু দুষ্প্রাপ‌্য নথি, তথ‌্য ও প্রতিবেদন_যাদের ঐতিহাসিক মূল‌্য আজও কিছুমাত্র কম নয়। কালক্রমে যিনি হয়ে উঠবেন ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, তাঁরই ছাত্রজীবনের একটি অনালোকিত অধ‌্যায় এবার আলোকবৃত্তে।

ঠানদিদির কবিরাজি / THANDIDIR KABIRAJI

120.00

কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত সম্পাদনা অমিত ভট্টাচার্য

শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে অনুশাসনকে মান‌্যতা দিতেই হবে। স্বাস্থ‌্যবিধি অনুসৃত না হলে একটি প্রাণ অকালে ঝরে যায়। পারিবারিক জীবন বিঘ্নিত হয়। ‘ধরো তক্তা মারো পেরেক’ সহবাসবিধি নয়। সন্তানোৎপত্তিতে অনন‌্যচিত্ত সহবাস, কামোদ্দীপক অনুলেপনাদির ব‌্যবহার গুরুত্ব পেয়েছে। মায়েদের স্বাস্থ‌্যসচেতন করতে যে সংলাপের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে তা প্রশংসনীয়। অতীতে কোথায় ছিলাম জানতে পারল বর্তমানের অগ্রগামিতার মূল‌্যায়ন হয়। ঠানদিদি শরীর সম্বন্ধে মানুষকে আরও বেশি জাগ্রত করেছেন। কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত প্রণীত সরল গৃহচিকিৎসার এই দুর্লভ বইটিকে বিস্মৃতির অতল থেকে উদ্ধার করেছেন বিশিষ্ট অধ‌্যাপক তথা আয়ুর্বেদ গবেষক অমিত ভট্টাচার্য।