শিশুসাহিত্যে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সুনির্মল চক্রবর্তী গুজরাটি লোককথার বিপুল সম্ভার থেকে আমাদের জন্য উদ্ধার করে এনেছেন মোট ৭টি গল্প। সাতরঙা রামধনুর মতোই রঙিন তারা। আজকের ছোটোদের কাছে তো বটেই, কখনো যাঁরা ছোটো ছিলেন- তাঁদের কাছেও চিরকালীন এই লোককথাগুলির অবেদন ফুরিয়ে যাওয়ার নয়।
| ফুটবল বিশ্বকপের গৃহীত ইতিহাসের পাশাপাশি এই বই ডুব দিতে চেয়েছে প্রাসঙ্গিক, বিষন্ন – প্রসন্ন নানা নেপথ্যকাহিনীতেও । ফুটবলপ্রেমে মজবেন সব বয়সি পাঠক । |
হেমেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত
শুধু দাতা, পরিত্রাতা অথবা দেশনেতা হিসেবে নয়, চিত্তরঞ্জন ছিলেন তাঁর সমকালে দেশর সবচেয়ে প্রখ্যাত আইনজীবী। তদুপরি, তাঁর সাহিত্যপ্রতিভার বিকাশও ঘটেছিল কবিতায়, গল্পে, প্রবন্ধে। কিন্তু এ-সকল পরিচয়ই লীন হয়ে একাত্ম হয়েছিল তাঁর ‘দেশবন্ধু’ নামে। শ্রীচৈতন্য থেকে রামমোহন, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, সুভাষচন্দ্র হয়ে মুজিবর রহমান, অমর্ত্য সেন অবধি বহু শ্রেষ্ঠ বাঙালির আবির্ভাব হয়েছে।
পাঁচুগোপাল বক্সি
ঐতিহ্য-পরম্পরা ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বে দীর্ণ উনিশ শতকের বাংলায় আবির্ভূত হয়েছিলেন এক রেনেসাঁস-পুরুষ। প্রামাণ্য এই জীবনীগ্রন্থটি নতুন করে চিনিয়ে দেবে অমিত কর্মশক্তিময় সেই বীরসিংহকে।
হরমুজ প্রণালী নয়, পৃথিবীর ভাগ্য নির্ভর করছে একটি বাঙালি তরুণীর ওপর! যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে আটকে পড়েছেন ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার রিয়া বসু। রিয়া জানেন এমন এক গোপন তথ্য, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিতব্যের সঙ্গে সঙ্গে চিরতরে বদলে দিতে পারে ওয়ার্ল্ড জিয়োপলিটিক্স! শিকারি নেকড়ের মতো হন্যে হয়ে তাই রিয়াকে খুঁজছে মোসাদের নির্মম কিডন ইউনিট এবং ইরানের ক্ষমাহীন আইআরজিসি। সরু সুতোর ওপর ঝুলছে পৃথিবীর ভাগ্য, সেইসঙ্গে তিরঙ্গার সম্মান।
আবারও এক সিক্রেট অপারেশনে র-এর দুর্ধর্ষ
তেহরান ফাইলস-এর দখল নেবে কে? জানতে গেলে পড়তে হবে গুপ্তচরবৃত্তি, বিশ্বাসঘাতকতা আর অ্যাকশনে ভরপুর আন্তর্জাতিক মানের রুদ্ধশ্বাস এই থ্রিলার!
| কবি সুধীন্দ্রনাথ ও তাঁর কবিতা নিয়ে অন্য ভাবনায় ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে একগুচ্ছ আলোচনা সংকলিত হল ধ্রুপদি কবি সুধীন্দ্রনাথ গ্রন্থে । |
সুনির্মল চক্রবর্তী
সুনির্মল চক্রবর্তী বাংলা শিশুসাহিত্যে একটি সুপরিচিত নাম। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা গল্প, রূপকথা, উপকথা, ছড়া-কবিতা, নাটক ইতিমধ্যেই শিশু-কিশোরদের মন জয় করে নিয়েছে। ছোটো ছোটো বাক্যে লেখা তাঁর গল্পে পাই মনোহারী ভাষা, সহজ সরলতা, রহস্যবোধ, কৌতুকমেশা এক মায়াবী গদ্য, যা ছুঁয়ে যায় শুধু ছোটোদের নয়, সব বয়সি পাঠকের মন। নতুন গ্রহে যতীনবাবু লেখকের বারোটি নতুন গল্পের সংকলন। এখানে আমরা যেমন মুগ্ধ হয়ে পড়ব মা-হাতি, বাবা-হাতি ও তাদের ছানা-হাতির গল্প, তেমনই পড়ে চমকে যাব বলরামবাবুর পোষা, পাখিটির বৃত্তান্ত, হ্যাংলা নামে এক ঘাসফড়িংয়ের কাহিনি, এমনকী পিকু নামে এক ভালুকছানার কাণ্ডও। অঙ্কে ভীষণ ভয় পেয়ে থাকা তারাপদবাবুর বিপদ কিংবা নতুন গ্রহকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যতীনবাবুর আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলে এ বইয়ের পাতা না-উলটে গতি নেই।
নদী কেবল গবেষকের নয়, নদী-ব্যবহারকারীরও বটে। নদী-ব্যবহারকারী যদি নদীকে ভালো না-বাসেন, স্বার্থপরের মতো ব্যস্ত থাকেন শুধু নিজের প্রয়োজনটুকু মেটাতেই, তাহলে একসময় না-হয় একসময় নদীর মৃত্যু অনিবার্য।
নদীকে ভালোবাসেন- গবেষক, নদী-ব্যবহারকারী নির্বিশেষে- এমন ষোলোজন মানুষের প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কবিতা সন্নিবেশিত হয়েছে এই গ্রন্থে। নদীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত সংযোগ, নদীকে হারিয়ে যেতে দেখে তাঁদের মনোবেদনা এবং নদীকে বাঁচিয়ে তুলতে তাঁদের বিবিধ প্রয়াস ও প্রস্তাবনার কথা ধরা রয়েছে এই অমূল্য লেখাগুলিতে।
‘নদীর সাথে হাঁটা’-র মাধ্যমে নদীরক্ষায় অঙ্গীকারগ্রহণ এবং সে বিষয়ে গণসচেতনতা ও জনমত গঠনে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।