• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Shop

রাজর্ষি / RAJARSHI

200.00
স্বপ্নে-পাওয়া কাহিনি আর ত্রিপুররাজ-পরিবারের মনোহর ইতিহাস নিয়ে রবীন্দ্রনাথ অহিংসমন্ত্রে রচনা করেছিলেন তার অনুপম উপন্যাস রাজর্ষি।
মহারাজ গোবিন্দমাণিক্যের জীবনাচরণই এই উপন্যাসের বীজপ্রশ্ন: ‘এত রক্ত কেন?’-তারই আখ্যানগত উত্তর এই কাহিনি।
শুধু কিশোর নয়, পরিণত পাঠকও এর মধ্যে পেয়ে চলেছেন জীবনায়নের অনবদ্য মন্ত্র।
এতকাল আমরা একটি কাহিনি পড়ছিলাম, এই প্রথম জানতে পেরেছি সবিস্তারে এর সৃষ্টির ইতিহাস আর রসাস্বাদনের জন্য পেয়েছি নিপুণ আলোচনা।

রাজকাহিনী / RAJKAHINI

207.00

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর

রাজকাহিনী অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন‌্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। টডের রাজপুত কাহিনি অবলম্বনে মধ‌্যযুগীয় রাজপুত রাজাদের বীরত্ব, ত‌্যাগ ও মহিমার এমন রূপনির্মাণ শুধু বাংলা সাহিত‌্যে কেন আন্তর্জাতিক সাহিত‌্যেও দুর্লভ। রাজপুত চিত্রকলার সঙ্গে শিল্পী অবনীন্দ্রনাথের পরিচয় উনিশ শতাব্দীর শেষ প্রান্তে এসে। যখন তিনি কচ ও দেবযানী, রাধাকৃষ্ণের ছবি বা মোগল চিত্রাবলী আঁকছিলেন, তখনই রাজকাহিনীর রচনা। টডের ইতিহাস অবনীন্দ্রনাথের প্রেরণা হলেও সে আকরকে ব‌্যবহার করে তিনি সৃজন করেছেন শব্দ-ছবির এমন এক ভিন্ন রূপ জগৎ, শৌর্য, বীর্য, আত্মোৎসর্গ এবং দেশপ্রেমের মহিমায় যা প্রোজ্জ্বল। অবনীন্দ্রনাথের সংগীতময় অসামান‌্য স্পন্দিত গদ‌্য রাজকাহিনীর কাহিনিগুলিকে দান করেছে এক অনন‌্য বিশিষ্টতা। কল্পনায় তিনি পূরণ করেছেন বাস্তবের সংগত অনেক দাবি। ভাষার ঐশ্বর্য সেই কল্পনালীলার সঙ্গে মিলিয়েছেন তাল। সর্বোপরি, পাঠকের অখণ্ড মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়ক হয়েছে অবনীন্দ্রনাথের অননুকরণীয় রচনাকৌশল যা একইসঙ্গে কুশলী ও চিত্তগ্রাহী। সবমিলিয়ে, রাজকাহিনী আজও বাঙালি পাঠকের কাছে সেরা কিশোর ক্লাসিক।

সাহিত্য সেবক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় / Sahitya Sebak Brajendranatha Bandyopadhyaya

60.00

বিশ্বনাথ রায়

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর প্রাণপুরুষ তথা উনিশ শতকীয় চর্চায় বাঙালির পথপ্রদর্শক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে আমরা এতাবৎ প্রায় অনবহিতই ছিলাম। দৌহিত্র বিশ্বনাথ রায় প্রণীত এই সংক্ষিপ্ত ব্রজেন্দ্র-আলেখ্য সে অভাব বহুলাংশে মেটাবে।

 

সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার / SAMASAMAYIKA DRSTITE SUNITI KUMAR

175.00

সম্পাদনা পল্লব মিত্র

আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায় একালের প্রবাদপ্রতিম ব‌্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-ভাষাতত্ত্ব ও সমাজজীবনে তাঁর অবদানের প্রসঙ্গ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাহিত‌্য-সংস্কৃতি জীবনের বহু স্বনামধন‌্য ব‌্যক্তি আলোচ‌্য সংকলনে সুনীতিকুমারের জীবন ও জীবনের নানা কথা ব‌্যক্ত করেছেন। তাঁর ছাত্র বা ছাত্রস্থানীয় অনেকেই নানা আলোয় আচার্যকে বোঝবার ও বোঝাবার প্রয়াস পেয়েছেন। নানা কারণেই তাই এই সংকলন গ্রন্থটি সুনীতিকুমারের জীবন তথা বাংলার শিক্ষা-সংস্কৃতির এক উল্লেখযোগ‌্য দলিল হিসেবে পরিগণিত হবার দাবি রাখে।  ২০০৯ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায় ১২০ বছরে পদার্পণ করবেন। তাঁর প্রয়াণের পর তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও সেভাবে সুনীতিকুমারের বিস্তৃত কর্মকাণ্ডের পরিচয়বাহী কোনো বই সেভাবে পাঠকদের হাতে আসেনি। এমনকী সুনীতিকুমারের পুঙ্খানুপুঙ্খ উজ্জ্বল জীবনের দিনগুলোর কথাও যথাযথ গ্রন্থভুক্ত হয়েছে কি ? ১৯৭৭ সালে তাঁর প্রয়াণের পরই, তাঁকে নিয়ে যে-বিস্তৃত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলশ্রুতি হিসেবে, সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার গ্রন্থের প্রকাশ, সেই বইটির নতুন পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রায় পঁচিশ বছর পর পাঠকদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হল।

সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ / SARBAPALLI RADHAKRISHANAN

120.00

ভক্তিমাধব চট্টোপাধ্যায়

আর কোনো দার্শনিক-শিক্ষক রাষ্ট্রপ্রধানের ভূমিকায় তাঁর সমতুল কৃতিত্বের অধিকারী নন। অন্যদিকে, আর কোনো রাষ্ট্রপ্রধানও নিজেকে উন্নীত করতে পারেননি তাঁর দার্শনিক উচ্চতায়। ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ সর্বাথেই এক ইতিহাস পুরুষ। ব্যতিক্রমী এই শিক্ষকের জীবন ও কর্মের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এই বই। সঙ্গে তাঁর প্রবন্ধ ও বক্তৃতার মূল্যবান সংযোজন।

সত্যপ্রদীপ / Satyapradip

120.00

প্রাককথন: স্বপন বসু

বাংলার প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সত্যপ্রদীপ। ১৮৬০-এ খ্রিশ্চান ভার্নাকুলার এডুকেশন সোসাইটি প্রকাশ করে এক পয়সা দামের সচিত্র এই মাসিক পত্রিকাটি। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই পত্রিকাটির কোনো কপি ভারতবর্ষ বা বাংলাদেশের কোনো লাইব্রেরিতে নেই।

সুভাষ কি ওটেনকে মেরেছিলেন? / Subhash Ki Otenke Merechilen?

100.00

বারিদবরণ ঘোষ

সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ‌্যাপক ওটেনকে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, জবাব মেলেনি এ প্রশ্নের। নেতাজির তথাকথিত ‘বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত‌্যু’ যেমন আজও রহস‌্যাবৃত, তেমনই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ‘ওটেন নিগ্রহ’ অধ‌্যায়। এ নিয়ে বিতর্কের তিনটি অভিমুখ আছে : (১) সুভাষ প্রত‌্যক্ষভাবে তাঁর অধ‌্যাপককে নিগ্রহ করেছিলেন কি না,     (২) এ প্রসঙ্গে তাঁর নীরবতা, (৩) এ প্রসঙ্গে ওটেনের সবকিছু পরিষ্কার করে না বলা। এ গ্রন্থে সুভাষ-ওটেন প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে এই তিনটি অভিমুখ ধরেই। সংযোজিত হয়েছে সুভাষচন্দ্রের সহপাঠী বি এ রায়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত প্রতিবেদন। সুভাষ নিরপরাধ, সুভাষ অবশ‌্যই অপরাধী_ওটেন প্রসঙ্গে এই দুই চরমপন্থী বিশ্লেষণ থেকে নৈর্ব‌্যক্তিকভাবে নিজেকে দুরত্বে রেখে সম্পাদক কুশলতার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছেন বহু দুষ্প্রাপ‌্য নথি, তথ‌্য ও প্রতিবেদন_যাদের ঐতিহাসিক মূল‌্য আজও কিছুমাত্র কম নয়। কালক্রমে যিনি হয়ে উঠবেন ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, তাঁরই ছাত্রজীবনের একটি অনালোকিত অধ‌্যায় এবার আলোকবৃত্তে।

সুকান্ত সমগ্র / SUKANTA SAMAGRA

300.00

সম্পাদনা ড. উজ্জ্বলকুমার মজুমদার

যে রাজনৈতিক স্লোগান বা সংহত, সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক বার্তা সুকান্তর কবিতায় দীপ্ত হয়ে ওঠে তা তখনকার উদ্দীপ্ত জনজীবনের স্বপ্নেরই বার্তা, তখনকার সময়েরই দান। তাঁর কবিতায় হয়তো কখনো কখনো রং-তুলির কৈশোরক স্পর্শ কম লেগেছে, কিন্তু আন্তরিকতার অভাব ছিল না। রাজনীতি আর কাব‌্যিক আবেগের মধ‌্যে কোনো বিরোধ আছে বলে মনে হয়নি তাঁর। কেনই বা মনে হবে! জীবন-স্বপ্নই তো রাজনীতি। আর, সুকান্ত-র কাছে তাঁর কবিতা তো সেই জীবন-স্বপ্নেরই প্রকাশ। যে ছাড়পত্র দিয়ে কবিতার আসরে নেমেছিলেন তিনি, তাতে ‘এ বিশ্বকে শিশুর বাসযোগ‌্য করে যাব আমি_ নবজাতকের কাছে’_এই অঙ্গীকারই ছিল। মাটির রসের মধ‌্যে ভাবী বনস্পতির সম্মতি পেয়েছিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথের উচ্চারণেই তিনি ভবিষ‌্যৎ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন। ‘যদিও রক্তাক্ত দিন, তবু দৃপ্ত তোমার সৃষ্টিকে/এখনো প্রতিষ্ঠা করি আমার মনের দিকে দিকে।’ যে ‘বলিষ্ঠ’ শিশুদের জন‌্যে বাসযোগ‌্য পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন সুকান্ত, সেই শিশুদেরই তাঁর কবিতায় দেখা গেল অশ্বত্থ-শিশুর প্রতীকে। উদ্ধত প্রাচীন প্রাসাদের গায়ে অবাধ‌্য ফাটল ধরিয়ে গোপন শক্তির বারুদ জমিয়ে তারা রক্ত-ঘাম-চোখের জলের ধারায় বিদ্রোহের দূত হয়ে আসছে।

ঠানদিদির কবিরাজি / THANDIDIR KABIRAJI

120.00

কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত সম্পাদনা অমিত ভট্টাচার্য

শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে অনুশাসনকে মান‌্যতা দিতেই হবে। স্বাস্থ‌্যবিধি অনুসৃত না হলে একটি প্রাণ অকালে ঝরে যায়। পারিবারিক জীবন বিঘ্নিত হয়। ‘ধরো তক্তা মারো পেরেক’ সহবাসবিধি নয়। সন্তানোৎপত্তিতে অনন‌্যচিত্ত সহবাস, কামোদ্দীপক অনুলেপনাদির ব‌্যবহার গুরুত্ব পেয়েছে। মায়েদের স্বাস্থ‌্যসচেতন করতে যে সংলাপের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে তা প্রশংসনীয়। অতীতে কোথায় ছিলাম জানতে পারল বর্তমানের অগ্রগামিতার মূল‌্যায়ন হয়। ঠানদিদি শরীর সম্বন্ধে মানুষকে আরও বেশি জাগ্রত করেছেন। কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত প্রণীত সরল গৃহচিকিৎসার এই দুর্লভ বইটিকে বিস্মৃতির অতল থেকে উদ্ধার করেছেন বিশিষ্ট অধ‌্যাপক তথা আয়ুর্বেদ গবেষক অমিত ভট্টাচার্য।