ধ্রুপদি কবি সুধীন্দ্রনাথ বিকীর্ণ ভাবনা || DHRUPADI KABI SUDHINDRANATH BIKIRNA BHAVNA
₹97.50| কবি সুধীন্দ্রনাথ ও তাঁর কবিতা নিয়ে অন্য ভাবনায় ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে একগুচ্ছ আলোচনা সংকলিত হল ধ্রুপদি কবি সুধীন্দ্রনাথ গ্রন্থে । |
মহাকবি কালিদাসের ইতিহাস / MOHAKABI KALIDASER ITIHAS
শ্রীবুদ্ধদেব গুহর স্বনির্বাচিত উপন্যাস (প্রথম খণ্ড) / Sri Buddhadeb Guhar Swanirbachita Upannyas- (1st Part)
Subtotal : ₹786.50
| কবি সুধীন্দ্রনাথ ও তাঁর কবিতা নিয়ে অন্য ভাবনায় ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে একগুচ্ছ আলোচনা সংকলিত হল ধ্রুপদি কবি সুধীন্দ্রনাথ গ্রন্থে । |
সুনির্মল চক্রবর্তী
সুনির্মল চক্রবর্তী বাংলা শিশুসাহিত্যে একটি সুপরিচিত নাম। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা গল্প, রূপকথা, উপকথা, ছড়া-কবিতা, নাটক ইতিমধ্যেই শিশু-কিশোরদের মন জয় করে নিয়েছে। ছোটো ছোটো বাক্যে লেখা তাঁর গল্পে পাই মনোহারী ভাষা, সহজ সরলতা, রহস্যবোধ, কৌতুকমেশা এক মায়াবী গদ্য, যা ছুঁয়ে যায় শুধু ছোটোদের নয়, সব বয়সি পাঠকের মন। নতুন গ্রহে যতীনবাবু লেখকের বারোটি নতুন গল্পের সংকলন। এখানে আমরা যেমন মুগ্ধ হয়ে পড়ব মা-হাতি, বাবা-হাতি ও তাদের ছানা-হাতির গল্প, তেমনই পড়ে চমকে যাব বলরামবাবুর পোষা, পাখিটির বৃত্তান্ত, হ্যাংলা নামে এক ঘাসফড়িংয়ের কাহিনি, এমনকী পিকু নামে এক ভালুকছানার কাণ্ডও। অঙ্কে ভীষণ ভয় পেয়ে থাকা তারাপদবাবুর বিপদ কিংবা নতুন গ্রহকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যতীনবাবুর আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলে এ বইয়ের পাতা না-উলটে গতি নেই।
নদী কেবল গবেষকের নয়, নদী-ব্যবহারকারীরও বটে। নদী-ব্যবহারকারী যদি নদীকে ভালো না-বাসেন, স্বার্থপরের মতো ব্যস্ত থাকেন শুধু নিজের প্রয়োজনটুকু মেটাতেই, তাহলে একসময় না-হয় একসময় নদীর মৃত্যু অনিবার্য।
নদীকে ভালোবাসেন- গবেষক, নদী-ব্যবহারকারী নির্বিশেষে- এমন ষোলোজন মানুষের প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কবিতা সন্নিবেশিত হয়েছে এই গ্রন্থে। নদীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত সংযোগ, নদীকে হারিয়ে যেতে দেখে তাঁদের মনোবেদনা এবং নদীকে বাঁচিয়ে তুলতে তাঁদের বিবিধ প্রয়াস ও প্রস্তাবনার কথা ধরা রয়েছে এই অমূল্য লেখাগুলিতে।
‘নদীর সাথে হাঁটা’-র মাধ্যমে নদীরক্ষায় অঙ্গীকারগ্রহণ এবং সে বিষয়ে গণসচেতনতা ও জনমত গঠনে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
জগতের নাথ বা পিতা যিনি, তিনিই প্রভু জগন্নাথ। তিনি আদি। তিনি অনন্ত। অন্যান্য ঠাকুরের মতো তাঁর বিসর্জন নেই। শুধু আছে এক কলেবর থেকে অন্য কলেবর ধারণ। যে-বছর আষাঢ় মাস মলমাস হিসেবে নির্ধারিত হয়, সে মাসেই প্রভু তাঁর পুরোনো শরীর ত্যাগ করে নতুন দেহে প্রবেশ করেন। নতুন এই কলেবর প্রস্তুত হয় শঙ্খ, চক্র, গদা, পদ্ম চিহ্নবিশিষ্ট দারুবৃক্ষ দিয়ে।