জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP)-২০২০ এবং জাতীয় পাঠ্যক্রম রূপরেখা
(NCF, Foundational Stage)-২০২২ অনুসারে রচিত ইতিহাস পাঠ্যপুস্তক
বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
চিনের আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে ভারতের প্রতিনিধি কবি এই উপন্যাসের নায়ক নয়, সূত্রধরমাত্র। তবু সেই সূত্রেই সে হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য আখ্যানের অংশ। আবিষ্কার করে সাসপেন্সের সুতো নয়, জীবন এবং উপন্যাস দুটোকেই এগিয়ে নিয়ে চলে বিনিসুতোর ভালোবাসা। এই উপন্যাসে চিন কোনো টুরিস্ট স্পট নয়। কম্পাস যেরকম একটা বিন্দুর ওপর পা রেখে এঁকে ফেলে বড়ো একটা বৃত্ত, চিন এখানে সেরকমই এক বিন্দু। সেই বিন্দুতে সারা পৃথিবীর কাহিনিসিন্ধু এসে মিশেছে। ঢেউয়ের পরে ঢেউ ভেঙে ওরাই গড়ে তুলেছে তারাবন্দর।
১২টি অধ্যায়ে বিভক্ত কুইজ এক্সপ্রেস কিছু পরস্পর-বিচ্ছিন্ন প্রশ্নের দায়সারা সংকলন নয়, এটি লেখকের দীর্ঘ দু-দশকব্যাপী কুইজচর্চার ফসল। তাই এর চয়িত অধ্যায় এবং নির্বাচিত প্রশ্নমালা এত বিচিত্র, এত ব্যঞ্জনাময়। শুধু স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী কিংবা কুইজপাগল জেনারেশন ওয়াই নয়, সব বয়সের সব পেশার পাঠকই মশগুল হবেন এ-বইয়ে। কুইজকে প্রতিদিনের জীবনে প্রাসঙ্গিক করে তোলার জন্য রাজীবের লড়াই বহুদিনের। প্রথম থেকেই তিনি ব্যতিক্রমী_প্রথা ভেঙে কুইজকে মঞ্চে, মঞ্চের বাইরে উপস্থিত করেছেন নতুন আঙ্গিকে। কর্পোরেট কুইজ, বিজনেস কুইজ, সাইবার কুইজ, ম্যাথ কুইজ_গাম্ভীর্যের চেনা বিগ্রহ ভেঙে তাঁর সঞ্চালনায় হয়ে উঠেছে উপভোগ্য। বিনোদনকে তিনি মিলিয়েছেন মননের সঙ্গে। পাশাপাশি, প্রচলিত পশ্চিমি অনুচিকীর্ষাকে এড়িয়ে কুইজে এনেছেন এক দেশজ আঘ্রাণ। আবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসবে যারা, তাদের জন্যও এ-বইয়ে রয়েছে নানান প্রশ্নের সমাহার। সঙ্গে থাকছে ৪ রাউন্ড-এর একটি মাল্টিমিডিয়া সিডিও। সব মিলিয়ে কুইজ এক্সপ্রেস-এর আছে এক দুরন্ত গতি, যা সব পাঠককে নিয়ে যাবে এক অবিস্মরণীয় রোমাঞ্চকর সফরে।
সংকলন ও সম্পাদনা: মেঘ বসু
হয়তো নৈ:শব্দ্যই সেই অনন্ত অপেক্ষা, বিরহকে যা ধারণ করে তীব্র দহনজ্বালায়, আবার কখনো-বা চিরনির্বাণের কুহকিনী আশ্বাসে। রবীন্দ্রনাথ থেকে উত্তর-শূন্য দশক পর্যন্ত ব্যাপ্ত এই সংগ্রহটি পাঠকের কাছে হয়ে উঠতে পারে এক আশ্চর্য ভ্রমণ।
বর্ণময় এই জীবন থেকে এ প্রজন্মের শেখার আছে হেত অনেক কিছুই, কিন্তু তার আগে ৫৫ টি দুর্লভ ছবি সই এ বই থেকে তার জেনে নিক মাটিতে পা রেখেও কিভাবে ছুয়ে ফেলা যাও, আকাশ, অসীম সম্ভাবনাময় অনন্ত ওই আকাশ.
গোপালচন্দ্র রায়
সুদীর্ঘকাল ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট থাকাকালীন জীবনের অনেক আলো-আঁধারির সাক্ষী ছিলেন বিচারক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই গল্পসংকলনটিতে ধরা রইল সেরকম কিছু দুর্লভ কাহিনি, যা অন্য এক বঙ্কিমকে উপস্থিত করবে পাঠকের কাছে। গোপালচন্দ্র রায়ের অননুকরণীয় বৈঠকি ভঙ্গিতে বলা এই গল্পমালা বাংলা অ্যানেকডট সাহিত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।