আধুনিক বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যের অগ্রদূত মাইকেল মধুসূদন দত্ত আক্ষরিক অর্থেই ধারণ করেছিলেন ভারতীয় রেনেসাঁসের প্রায় সকল যুগচিহ্ন।
বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে তিনিই আধুনিকতার পুরোধা পুরুষ। তাঁর হাত ধরেই বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যে-প্রতীচ্য ও প্রাচ্যের অলঙ্কারশাস্ত্র ও রচনাশৈলী মিলেমিশে-প্রথম আন্তর্জাতিকতার অনুরণন শোনা যায়।
ঋষি দাস বিরচিত ‘মাইকেল মধুসূদন’ যুগান্তকারী সেই ইতিহাসপুরুষের অস্থির জীবন ও অপরিমেয় শিল্পপ্রতিভার এক বিশ্বস্ত ধারাবিবরণী। উনিশ শতকীয় বাংলার সমাজ, শিক্ষাব্যবস্থা, ধর্মসংঘাত ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের অমূল্য দলিল হিসেবেও
বইটি অবশ্যপাঠ্য।
উপমহাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘৃণা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের রাজনীতির প্রেক্ষিতে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানা জরুরি। ঋষি দাস প্রণীত বাদশা খান আমাদের সেই উত্তরগুলিই শুধু দেয় না, সেই সঙ্গে পরিচিত করে এক অনন্য মহাজীবনের সঙ্গে, যা আমাদের দেয় অহিংসা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নৈতিক রাজনীতির এক ব্যতিক্রমী পাঠ।