ভূগোলখগোলবর্ণনম / BHUGOLKHOGOLBARNANAM
ঈশ্বরচন্দ্র প্রণীত
অনুবাদ ও সম্পাদনা: অমিত ভট্টাচার্য
প্রত্যেকেই বৃত্তের মধ্যে আবর্তিত হতে ভালোবাসেন। কারণ, চেনা বৃত্তের বাইরে ঝক্কি অনেক। কিন্তু ব্যতিক্রমী শ্রীঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। হলাম-ই বা প্রাচ্যবিদ্যার বিদ্যার্থী! প্রাচ্যের সংস্কৃত ভাষায় রচিত (পুরাণ, সূর্যসিদ্ধান্ত) গ্রন্থের সাথে ইউরোপীয় মতকে ভূগোলখগোলের মধ্যে গ্রথিত করে প্রজ্ঞার আলোকে পাঠককে উদবোধিত করা_তখনকার সমাজে সহজ কাজ ছিল না। তাঁর এই সৃজনকর্ম, বলাই বাহুল্য, একইসঙ্গে বহুমাত্রিক ও আকর্ষণীয়।
ভূতের চিকিৎসা / BHUTER CHIKITSHA
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ রেফারেন্স- দশম শ্রেণী || BHOUTABIGYAN O PARIBESH REFERENCE- CLASS 10
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ-এর ২০২৩ সালের নির্দেশিকা
মেনে লিখিত উন্নততর সংস্করণ
ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ রেফারেন্স- নবম শ্রেণী || BHOUTABIGYAN O PARIBESH REFERENCE- CLASS 9
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ-এর ২০২৩ সালের নির্দেশিকা
মেনে লিখিত উন্নততর সংস্করণ
ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ- দশম শ্রেণী || BHOUTABIGYAN O PARIBESH-CLASS 10
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত
ভৌতবিজ্ঞান ও পরিবেশ- নবম শ্রেণী || BHOUTABIGYAN O PARIBESH-CLASS 9
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত
মদনমোহন তর্কালঙ্কার – এক মহাজীবনের সন্ধান || MADANMOHAN TARKALANKAR – Ek Mahajibaner Sandhan
উনিশ শতকের বাংলায় নবজাগরণের অন্যতম অগ্রপথিক পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জীবন ও কর্মের এক সামগ্রিক প্রতিবেদন এই গ্রন্থে উপস্থাপিত। একজন সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত, কবি ও সাহিত্যিক, সমাজসংস্কারক, স্ত্রী-শিক্ষা ও শিশুশিক্ষার পথপ্রদর্শক এবং দক্ষ প্রশাসকের পরিচয়ে তাঁর স্বল্পস্থায়ী জীবনকাল বস্তুতপক্ষে এক মহাজীবনেরই ইতিকথা।
বর্তমান গ্রন্থে সমকালীন চিন্তাবিদদের অভিজ্ঞান এবং পরবর্তীকালের গবেষকবৃন্দের অন্তর্দৃষ্টিকে পাথেয় করে বিস্মৃতির অন্তরাল থেকে তাঁকে নতুন আলোকে উদ্ভাসিত করে তোলার এক বিনম্র প্রয়াস গৃহীত হয়েছে।
মনীষী স্মরণে / MONISHI SMARANE
শ্রীসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বাংলার সতেরো জন মনীষীকে নিয়ে লেখা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মনীষী স্মরণে গ্রন্থটি বিবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বিশ্লেষিত হতে দেখি তাঁর বিভিন্ন ভূমিকায়। ব্যাকরণিয়া তথা বাকপতি শ্রীরবীন্দ্রনাথই যখন বিশ্বদরবারে ভারতের দুত হয়ে প্রাচ্যের বাণীকে পৌঁছে দেন প্রতীচ্যে, তখন সুনীতিকুমার প্রদত্ত তাঁর বিস্তারিত পরিচয় পেয়ে আমাদের বিস্ময়ের অবধি থাকে না। এই সকল প্রবন্ধের রচনা প্রসঙ্গ বিবিধ। যাঁরা এখানে আলোচিত, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই ছিল ভাষাচার্যের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু যখনই এই সকল মনীষী বিশ্লেষিত হয়েছেন সুনীতিকুমারের কলমে, তখন তাঁর আলোচনা ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক পরিসর পেরিয়ে পাড়ি জমিয়েছে ভিন্ন এক নন্দনের অভিমুখে।
Notes on সবুজ পাতা ৪ part / Notes On Sabuj Pata Chaturtha Bhag
গল্পে ছোটোদের ব্যাস মহাভারত / Galpe Chhotoder Vyas Mahabharata