আনন্দময় মান্না
নতুন প্রশ্ন করতে, নতুন সম্ভাবনা আবিষ্কার করতে, পুরোনো সমস্যাকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করতে সৃজনশীল কল্পনার প্রয়োজন। আর যখন সেই কল্পনাকে পাওয়া যায়, তখনই বিজ্ঞানে সত্যিকারের অগ্রগতি হয়।’
১২টি পরিচ্ছেদে সুবিন্যস্ত গ্রন্থটি বিদ্যাসাগরের জীবন ও সময়ের এক উপভোগ্য ধারাবিবরণী।
শুধু স্বল্প পরিসরে ঈশ্বরচন্দ্র নামক মহাজীবনের নির্যাস পাওয়ার জন্যই নয়, একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে নতুন করে বিদ্যাসাগরকে অবলোকন ও অনুধাবন করার জন্যও বইটি অপরিহার্য
গোপালচন্দ্র রায়
বিদ্যাসাগরমশায় তাঁর মুখে বলা গল্পে বা হাস্য-পরিহাসের সময় যেমন নতুন নতুন উপমা দিতেন, তেমনি তিনি তাঁর কোনো কোনো গ্রন্থেও উপমা দিয়ে দিয়ে মজার মজার গল্প বলে গেছেন। তাঁর ব্রজ-বিলাস ও রত্ন-পরীক্ষা গ্রন্থ দুটি এ কথার জাজ্জ্বল্য প্রমাণ। বিদ্যাসাগরমশায়ের সেইসব হাসির গল্প ও হাস্য-পরিহাসগুলি যতদূর সম্ভব সংগ্রহ করা গেছে, এবং সেই সঙ্গে তাঁর কৌতুককর কাহিনি ও প্রসঙ্গত অন্য হাসির কাহিনি নিয়েই এই গ্রন্থখানি রচিত হয়েছে।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
চিত্রনাট্য ও ছবি: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়
বিধু দারোগা এলাকার লোককে দেখিয়ে দেবেন তাঁর ভয়ে বাঘে-গোরুতে একঘাটে জল খায়। হারু মণ্ডল নিয়ে এল তার গোরু। সার্কাস থেকে আনা হল বাঘ। সে এক কেলেঙ্কারি কাণ্ড! তারপর? জানতে গেলে উলটোতেই হবে বিধু দারোগা-র পাতা।
অন্নদাশঙ্কর রায়
এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে জীবনশিল্পী অন্নদাশঙ্কর রায়ের আত্মজীবন তথা আত্মশিল্পমূলক রচনা বিনুর বই এবং তাঁর এগারোটি ছোটোগল্প।বিনুর বই আমাদের পরিচিত করিয়ে দেয় অন্নদাশঙ্করের জীবনের বিভিন্ন পর্ব ও বাঁকবদলের সঙ্গে। আমরা জানতে পারি মনস্বী এই লেখকের জীবনদর্শন সম্পর্কেও। গ্রন্থভুক্ত এগারোটি গল্পেই প্রোজ্জ্বল অন্নদাশঙ্করের ব্যতিক্রমী ন্যারেটিভ টেকনিক এবং শ্লেষ-কৌতুকের মোড়কে লুকোনো এক গভীর, আনন্দময় জীবনবোধ।