প্রভাসচন্দ্র ধর
চোদ্দোটি গল্প। ভিন্ন ভিন্ন গল্প, বিভিন্ন কালের ও বিভিন্ন সামাজিক স্তরের। চল্লিশ বছর ধরে লেখা কিছু গল্প থেকে বাছাই করা। চরিত্রে আছে নর-নারী, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, সমতলবাসী-গিরিবাসী ও দুটি চড়াইও।
ড. অমিতাভ দাস
মতভেদ থাকলেও, হোমিয়োপ্যাথি সম্পূর্ণ বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতি। এই সত্য মেনে নিয়েই গ্রন্থটিতে হোমিয়োপ্যাথির দর্শন ও বিজ্ঞানকে আরও যুক্তিসহকারে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের রোগের চিকিৎসা হোমিয়োপ্যাথিক বিধিমতে কীভাবে করলে স্থায়ী ও প্রকৃত আরোগ্যলাভ সম্ভব, তা সাধ্যমতো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যেসব রোগলক্ষণের ওপর নির্ভর করে হোমিয়োপ্যাথিক চিকিৎসকরা চিকিৎসা করে থাকেন, বইটি সেইসমস্ত ডায়াগনসিসের ভিত্তিতেই রচিত। বর্তমান ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে কর্পোরেটশাসিত মুনাফালোভী স্বাস্থ্যব্যবস্থায় অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা যখন ক্রমেই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন হোমিয়োপ্যাথির আরও প্রচার ও প্রসার প্রয়োজনীয়। এই হ্যান্ডবুক সেই উদ্দেশ্যকেও সফল করবে।
এই সময়ের বিশিষ্ট কবি প্রদীপ কুমার রায়ের কবিতায় ধরা পড়ে এক অব্যক্ত বেদনা। বিচিত্র বিষয়ক কবিতার মধ্যেও ফিরে ফিরে আসে এক খোঁজ। কবি খুঁজে ফেরেন তাঁর মনের মানুষ। এক মায়াবী আলোয় মাখা অপূর্ব সারল্যের বিস্তার এই বই জুড়ে। যেন এ কোনো কবিতা নয়, এ হল নদী, যা বাঁকে বাঁকে বদলে নেয় নিজেকে এবং সেইসঙ্গে নিজের অভিমুখ।
পাঁচুগোপাল বক্সি
ঐতিহ্য-পরম্পরা ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বে দীর্ণ উনিশ শতকের বাংলায় আবির্ভূত হয়েছিলেন এক রেনেসাঁস-পুরুষ। প্রামাণ্য এই জীবনীগ্রন্থটি নতুন করে চিনিয়ে দেবে অমিত কর্মশক্তিময় সেই বীরসিংহকে।
বিজয়কুমার দেববর্মণ
সুপ্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অধিকারী ত্রিপুরা রাজ্যের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ, অনুপম স্থাপত্যকীর্তি, লোকায়ত ও বহিরাগত ধর্ম-শিল্প-সংস্কৃতিকে বিশেষ অনুসন্ধানী চোখ দিয়ে দেখেছেন এই বিশিষ্ট পুরাতত্ত্ববিদ।
উজ্জয়ন্ত রাজপ্রাসাদ, পীঠদেবী ত্রিপুরাসুন্দরী, চতুর্দশ দেবতার বন্দনার পাশাপাশি আলোচিত হয়েছে ত্রিপুরার আদিবাসী সমাজের দেবদেবী-পূজাপার্বণ, মিলনোৎসব, বিবাহরীতি, বসন-ভূষণ প্রভৃতি প্রসঙ্গ। বৃহত্তর ভারতের সঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্য যে অভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ, তা-ই পরিস্ফুট হয়েছে এই গ্রন্থে।