পাঁচুগোপাল বক্সি
ঐতিহ্য-পরম্পরা ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বে দীর্ণ উনিশ শতকের বাংলায় আবির্ভূত হয়েছিলেন এক রেনেসাঁস-পুরুষ। প্রামাণ্য এই জীবনীগ্রন্থটি নতুন করে চিনিয়ে দেবে অমিত কর্মশক্তিময় সেই বীরসিংহকে।
বিজয়কুমার দেববর্মণ
সুপ্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অধিকারী ত্রিপুরা রাজ্যের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ, অনুপম স্থাপত্যকীর্তি, লোকায়ত ও বহিরাগত ধর্ম-শিল্প-সংস্কৃতিকে বিশেষ অনুসন্ধানী চোখ দিয়ে দেখেছেন এই বিশিষ্ট পুরাতত্ত্ববিদ।
উজ্জয়ন্ত রাজপ্রাসাদ, পীঠদেবী ত্রিপুরাসুন্দরী, চতুর্দশ দেবতার বন্দনার পাশাপাশি আলোচিত হয়েছে ত্রিপুরার আদিবাসী সমাজের দেবদেবী-পূজাপার্বণ, মিলনোৎসব, বিবাহরীতি, বসন-ভূষণ প্রভৃতি প্রসঙ্গ। বৃহত্তর ভারতের সঙ্গে ত্রিপুরা রাজ্য যে অভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনে আবদ্ধ, তা-ই পরিস্ফুট হয়েছে এই গ্রন্থে।
দীপক দে
সঙ্গীতের ইতিহাস মানবজাতির ইতিহাসের মতোই মহাকালের গহ্বরে লীন হয়ে আছে। তাই বেদ-পূর্ব সঙ্গীতের ইতিহাস থেকে গেছে অজ্ঞেয়। সঙ্গীতের প্রথম আভাস পাওয়া যায় ঋগ্বেদের উদাত্ত, অনুদাত্ত, স্বরিত, প্রচিত, কম্প প্রভৃতি স্বরে। তারপর সামবেদের সপ্তস্বরের ঝরনাধারায় সৃষ্টি হলো সঙ্গীত মহাসাগর। সৃষ্টি হলো মার্গ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের_সৃষ্টি হলো রাগরাগিণীর অপার ঐশ্বর্যের। উদ্গাতার সামগানে তুষ্ট হন অভীষ্ট দেবতা_তুষ্ট হন স্বয়ং ঈশ্বর।
সামসঙ্গীত শুধু ভারতীয় সঙ্গীতের নয়, পৃথিবীর সব সঙ্গীতেরই আদি।
চঞ্চলকুমার ঘোষ
ভূত আগেও ছিল এখনও আছে, তবে এই বইয়ের ভূতেরা কাউকে ভয় দেখায় না_নিজেরাই ভয় পায়। ভূতের সঙ্গে রয়েছে মজা, হাসি আর লোককথা-রূপকথার অনাবিল আনন্দ।
ভগিনী নিবেদিতা
সিস্টার নিবেদিতা মহাভারত-কে মূলত জাতীয় বীরকাহিনি হিসেবে দেখেছিলেন আর রামায়ণ তাঁর মতে ভারতীয় চেতনায় নারীর এক মহাকাব্য। তাঁর বর্তমান গ্রন্থে গল্প নির্বাচনে এই দুই মহাকাব্যের প্রভাব বিস্তর, তবু জনপ্রিয়তার নিরিখে উপনিষদ-পুরাণ আর ঠাকুমা-দিদিমার কাছ থেকে শোনা অবিস্মরণীয় নানা কাহিনিগুলিকেও সচেতনভাবেই এই ‘দোলনগাথা’-য় স্থান দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে রইল বিশিষ্ট সাহিত্যিক-গবেষক বারিদবরণ ঘোষের অসামান্য ভূমিকা। তথ্য এবং সরস বিশ্লেষণে যা হয়ে উঠেছে এই গ্রন্থের এক মূল্যবান অলংকার।
গ্রন্থনা: সুকুমার চট্টোপাধ্যায়
সম্পাদনা: বারিদবরণ ঘোষ
শ্রীনিকেতনের ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, যদি আমরা নানা বৃত্তান্তে ভরপুর দ্বিতীয় ডায়েরির পাতা না-ওলটাই। আর প্রথমটিতে আমরা পেয়ে যাব রবীন্দ্রনাথ প্রদত্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতার সুকুমার-কৃত অনুলিপি। রবীন্দ্রনাথ নিজেই আবার সেই শ্রুতিলিখন সংশোধন করে দেন। ‘Gleanings’ নামক এই খাতাটি কবিমানসের স্বরূপ উন্মোচনে এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।