|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |
শিশুশিক্ষার জন্য নানা ধরনের বাংলা প্রাইমার প্রকাশিত হয়েছে , কিন্তু ‘ বর্ণপরিচয় ‘ – এর চাহিদা আজও অব্যাহত ।
শিশুশিক্ষার জন্য নানা ধরনের বাংলা প্রাইমার প্রকাশিত হয়েছে , কিন্তু ‘ বর্ণপরিচয় ‘ – এর চাহিদা আজও অব্যাহত ।
মনোজ বড়ুয়া
পঞ্চম বেদ হিসেবে আখ্যাত ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রের সাফল্যের মূলে ভারতীয় ভেষজ ও লোক-ওষধি। বিভিন্ন রোগের অব্যর্থ নিরাময়ে এদের প্রয়োগ সুপরীক্ষিত। আদিবাসী সমাজে অসংখ্য মানুষ আজও লোক-ওষধিকেই রোগ নিরাময়ের নির্বিকল্প উপায় মনে করে। ভারতের মতো গরিব দেশে এমন সুলভ ও সহজ চিকিৎসাপদ্ধতির তাৎপর্য ও উপযোগিতা অপিরসীম। এই বইয়ে রইল ভারতীয় ভেষজ ও লোকচিকিৎসার এক প্রাঞ্জল ভাষ্য।
প্রাককথন নিধুভূষণ হাজরা
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সম্পাদিত বালক পত্রিকায় ১২৯২ বঙ্গাব্দের (১৮৮৫ সালে) বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ পরপর দুটি সংখ্যায় প্রকাশিত হয় একটি বড়ো গল্প_মুকুট। ত্রিপুরার প্রাচীন ইতিহাসভিত্তিক এই গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কবির বয়স তখন চব্বিশ। লেখার আকর সংগ্রহের অন্য তিনি চিঠি লেখেন ত্রিপুরার মহারাজা বীরচন্দ্র মাণিক্যকে। শুরু হয় এক বন্ধুতা যার তাপর্য বহুমুখী। গল্প হিসেবে ‘মুকুট’ হয়তো বিদগ্ধ পাঠককে মুগ্ধ করেব না, কিন্তু শিশুশিক্ষার উপকরণ হিসেবে এর মূল্য অনেক। কবির নিজের ভাষায় : ‘জীবনচরিত বা ইতিহাস হইতে বেশ ছোটো ছোটো anecdote সংগ্রহ করিয়া দিলে ছেলেদের পড়াইবার বিশেষ সুবিধা হয়।’ রবীন্দ্রনাথের অনুমান অভ্রান্ত ছিল। গল্প হিসেবে মুকুট জনপ্রিয় হয় এবং ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে কবি এর নাট্যরূপ দেন। উদ্দেশ্য ছিল ব্রহ্মচর্যাশ্রমের বালকদের দিয়ে সে-নাটকের অভিনয় করানো। এই গ্রন্থে ‘মুকুট’-এর গল্প ও নাট্য_উভয় রূপই সংকলিত হল আজকের ছেলেমেয়েদের ‘ত্যাগের বীর্যের অধ্যবসায়ের ধর্ম্মনিষ্ঠার সত্যপরায়ণতার’ মন্ত্রে দীক্ষিত করতে।