জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর শুধু সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবেই নয়, দিন-ই-ইলাহির মতো এক নতুন দর্শন তথা ধর্মভাবনার প্রবক্তা হিসেবেও পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয়।
তাঁর ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রভাবনা-যা ক্ষমতা, সহনশীলতা, প্রগতি ও সামাজিক ন্যায়কে পেরেছিল অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করতে-আজও প্রাসঙ্গিক।
এই জীবনীগ্রন্থ সেই মহামতি সম্রাটের জীবন, সময় ও দর্শনের নিবিড় পাঠ।
প্রখ্যাত চিকিৎসক তথা কলকাতার প্রাক্তন শেরিফ ডা. দুলালকুমার বসু রচিত এই বইটিতে রবিনহুড কেবল শেরউড বনের রোমান্টিক নায়ক নন, বরং মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। ইতিহাস, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শেরিফপ্রথার বিবর্তনের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন রবিনহুডের বিদ্রোহী সত্তা।
ব্যক্তিগত স্মৃতি, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যনিষ্ঠ অনুসন্ধান মিলিয়ে বইটি পেয়েছে এক স্বতন্ত্র বৌদ্ধিক গভীরতা। প্রাঞ্জল, স্বাদু গদ্যে লেখা বইটি শিশু, কিশোর ও ইতিহাসপ্রেমী পাঠক- সবার কাছেই সমান আকর্ষক!
আধুনিক বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যের অগ্রদূত মাইকেল মধুসূদন দত্ত আক্ষরিক অর্থেই ধারণ করেছিলেন ভারতীয় রেনেসাঁসের প্রায় সকল যুগচিহ্ন।
বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে তিনিই আধুনিকতার পুরোধা পুরুষ। তাঁর হাত ধরেই বাংলা কাব্য ও নাট্যসাহিত্যে-প্রতীচ্য ও প্রাচ্যের অলঙ্কারশাস্ত্র ও রচনাশৈলী মিলেমিশে-প্রথম আন্তর্জাতিকতার অনুরণন শোনা যায়।
ঋষি দাস বিরচিত ‘মাইকেল মধুসূদন’ যুগান্তকারী সেই ইতিহাসপুরুষের অস্থির জীবন ও অপরিমেয় শিল্পপ্রতিভার এক বিশ্বস্ত ধারাবিবরণী। উনিশ শতকীয় বাংলার সমাজ, শিক্ষাব্যবস্থা, ধর্মসংঘাত ও সাংস্কৃতিক রূপান্তরের অমূল্য দলিল হিসেবেও
বইটি অবশ্যপাঠ্য।