দেবদাস || DEBDAS
পথের পাঁচালী || PATHER PANCHALI
চোখের বালি || CHOKHER BALI
₹225.00 × 1 Subtotal : ₹525.00
কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত সম্পাদনা অমিত ভট্টাচার্য
শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে অনুশাসনকে মান্যতা দিতেই হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসৃত না হলে একটি প্রাণ অকালে ঝরে যায়। পারিবারিক জীবন বিঘ্নিত হয়। ‘ধরো তক্তা মারো পেরেক’ সহবাসবিধি নয়। সন্তানোৎপত্তিতে অনন্যচিত্ত সহবাস, কামোদ্দীপক অনুলেপনাদির ব্যবহার গুরুত্ব পেয়েছে। মায়েদের স্বাস্থ্যসচেতন করতে যে সংলাপের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে তা প্রশংসনীয়। অতীতে কোথায় ছিলাম জানতে পারল বর্তমানের অগ্রগামিতার মূল্যায়ন হয়। ঠানদিদি শরীর সম্বন্ধে মানুষকে আরও বেশি জাগ্রত করেছেন। কবিরাজ শ্রীনীলমাধব সেনগুপ্ত প্রণীত সরল গৃহচিকিৎসার এই দুর্লভ বইটিকে বিস্মৃতির অতল থেকে উদ্ধার করেছেন বিশিষ্ট অধ্যাপক তথা আয়ুর্বেদ গবেষক অমিত ভট্টাচার্য।
দেবদাস প্রেমের সমাপ্তির গল্প নয়; বরং এমন এক ভালোবাসার কাহিনি, যার পূর্ণতা অসম্ভব হয়ে গিয়েও যার প্রতিধ্বনি কখনও শেষ হয় না।
এখানে প্রেমের পাশাপাশি আছে অহংকার, সামাজিক অনুশাসন, দুর্বলতা, আত্মবিনাশী অনুশোচনা এবং হারিয়ে ফেলা সম্ভাবনার গভীর মনস্তত্ত্ব।
পাতা শেষ হয়ে যায়, গল্প শেষ হয়ে যায়- কিন্তু দেবদাসের অসমাপ্ত প্রশ্নটি পাঠকের হৃদয়ে দীর্ঘকাল থেকে যায়।
পথের পাঁচালী কেবল অপু-দুর্গার শৈশবের কাহিনি নয়; এটি জন্ম, স্বপ্ন, অভাব, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুকে অতিক্রম করে মানুষের অনন্ত পথচলার এক শাশ্বত জীবনদর্শন-যেখানে শেষপর্যন্ত পথই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রতীক।
পদ্মার বুকের প্রান্তিক মানুষের জীবন, প্রেম, দারিদ্র্য, আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উপন্যাস মানব-অস্তিত্বের এক গভীর ও কালজয়ী পাঠ।
ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবন ও অজানার আকর্ষণ এখানে এক অনন্য শিল্পসুষমায় মিলিত হয়েছে।
জল ও স্থলের সন্ধিরেখায় দামাল দুর্যোগে দাপিয়ে বেড়ায় যে সমুদ্রদানব, তারই নাম সুনামি। সুনামির সৃষ্টি, বৈশিষ্ট্য এবং তার ধ্বংসলীলা_ বোধের সীমানায় নিয়ে আসা জরুরি হয়ে পড়েছে এ মুহূর্তে। কিন্তু কেন? বিবিধ কারণের মধ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা (Disaster Management)-র বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলায় এই প্রথম বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলোচিত হল সুনামি।
মহাভারত-এর দ্বাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত শান্তিপর্বে, শ্রীকৃষ্ণের অনুরোধে শরশয্যায় শায়িত পিতামহ ভীষ্ম ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে পালনীয় রাজধর্ম প্রসঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষের যে পাঠ দান করেন, সেই উপদেশাবলির অনুপুঙ্খ আলোচনাই এই গ্রন্থ।
একুশ শতকে এসেও রাজধর্মের সেই শাশ্বত পাঠ আধুনিক রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বীয় প্রাসঙ্গিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
২২ নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে ১৩২০ বঙ্গাব্দের বৈশাখে যে পত্রিকাটির পথ চলার শুরু, তা-ই পরবর্তীকালে পালটে দেয় বাংলা শিশুসাহিত্যের গতিপথকে। মাত্র দু-বছর আট মাসব্যাপী সম্পাদনা পর্বে যিনি পত্রিকাটিকে পৌঁছে দিয়েছিলেন উৎকর্ষের উত্তুঙ্গ বিন্দুতে, তিনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। সেই প্রথম প্রকাশনায় বাঙালি ছুঁয়ে নিতে পেরেছিল বিশ্বমান_শুধু মুদ্রণ প্রযুক্তি ও পারিপাট্যের দিক থেকেই নয়, বিষয়বস্তুর বৈচিত্রময় পরিবেশন ও নতুন ধারার অলংকরণের সমারোহেও। সুকুমার, সুবিনয়, সত্যজিৎ-সুভাষ_সন্দেশ-এর পরবর্তী সম্পাদনা-পর্বগুলি নিয়ে অনেক লেখালেখি হলেও, তথ্যের অপ্রতুলতার দরুন বিস্মৃতির অতলে প্রায় হারিয়েই যেতে বসেছিল উপেন্দ্রকিশোর সম্পাদনা পর্ব। গত শতাব্দীর নয়ের দশকের আরম্ভে এই ‘হারিয়ে যাওয়া’ পর্ব নিয়ে গবেষণায় ব্রতী হন সুস্মিতা দত্ত। এই বই সেই গবেষণারই ফসল। হারানো সূত্রগুলিকে একত্রিত করে যে দক্ষতায় লেখিকা পত্রিকাটির প্রস্তুতিপর্ব ও প্রকাশকালীন ইতিহাস পুননির্মাণ করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এ বই পড়ে উপেন্দ্রকিশোর সম্পাদিত সন্দেশ-এর বিষয়বস্তু, লেখক, ছবি, ভাষা ও পরিবেশন ছাড়াও পাঠক আলোকিত হবেন সন্দেশ পূর্ববর্তী শিশু পত্রিকাগুলির ইতিহাস সম্পর্কে।