নদী কেবল গবেষকের নয়, নদী-ব্যবহারকারীরও বটে। নদী-ব্যবহারকারী যদি নদীকে ভালো না-বাসেন, স্বার্থপরের মতো ব্যস্ত থাকেন শুধু নিজের প্রয়োজনটুকু মেটাতেই, তাহলে একসময় না-হয় একসময় নদীর মৃত্যু অনিবার্য।
নদীকে ভালোবাসেন- গবেষক, নদী-ব্যবহারকারী নির্বিশেষে- এমন ষোলোজন মানুষের প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কবিতা সন্নিবেশিত হয়েছে এই গ্রন্থে। নদীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত সংযোগ, নদীকে হারিয়ে যেতে দেখে তাঁদের মনোবেদনা এবং নদীকে বাঁচিয়ে তুলতে তাঁদের বিবিধ প্রয়াস ও প্রস্তাবনার কথা ধরা রয়েছে এই অমূল্য লেখাগুলিতে।
‘নদীর সাথে হাঁটা’-র মাধ্যমে নদীরক্ষায় অঙ্গীকারগ্রহণ এবং সে বিষয়ে গণসচেতনতা ও জনমত গঠনে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
মহাভারত-এর দ্বাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত শান্তিপর্বে, শ্রীকৃষ্ণের অনুরোধে শরশয্যায় শায়িত পিতামহ ভীষ্ম ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরকে পালনীয় রাজধর্ম প্রসঙ্গে ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষের যে পাঠ দান করেন, সেই উপদেশাবলির অনুপুঙ্খ আলোচনাই এই গ্রন্থ।
একুশ শতকে এসেও রাজধর্মের সেই শাশ্বত পাঠ আধুনিক রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বীয় প্রাসঙ্গিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছে।
পুরস্কারে ভূষিত
শিশুসাহিত্যে বাল সাহিত্য অকাদেমি ২০২১
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।