আশাপূর্ণা দেবী
শুধুই মধ্যবিত্ত বাঙালি জীবনের মরমী কথাকার হিসেবে নয়, আশাপূর্ণা দেবী স্মরণীয় শিশু-কিশোরসাহিত্যে তাঁর ব্যতিক্রমী অবদানের জন্যও। তাঁর লেখা ছোটোদের বইয়ের সংখ্যা পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই। প্রায় অর্ধশত এই সৃষ্টির মধ্যেই ছোটোদের জন্য তিনি সৃষ্টি করে ফেলেন বিশ্বসযোগ্যভাবে আশ্চর্য এক জগৎ।
শিশুসাহিত্যে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সুনির্মল চক্রবর্তী গুজরাটি লোককথার বিপুল সম্ভার থেকে আমাদের জন্য উদ্ধার করে এনেছেন মোট ৭টি গল্প। সাতরঙা রামধনুর মতোই রঙিন তারা। আজকের ছোটোদের কাছে তো বটেই, কখনো যাঁরা ছোটো ছিলেন- তাঁদের কাছেও চিরকালীন এই লোককথাগুলির অবেদন ফুরিয়ে যাওয়ার নয়।
অন্নদাশঙ্কর রায়
এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে জীবনশিল্পী অন্নদাশঙ্কর রায়ের আত্মজীবন তথা আত্মশিল্পমূলক রচনা বিনুর বই এবং তাঁর এগারোটি ছোটোগল্প।বিনুর বই আমাদের পরিচিত করিয়ে দেয় অন্নদাশঙ্করের জীবনের বিভিন্ন পর্ব ও বাঁকবদলের সঙ্গে। আমরা জানতে পারি মনস্বী এই লেখকের জীবনদর্শন সম্পর্কেও। গ্রন্থভুক্ত এগারোটি গল্পেই প্রোজ্জ্বল অন্নদাশঙ্করের ব্যতিক্রমী ন্যারেটিভ টেকনিক এবং শ্লেষ-কৌতুকের মোড়কে লুকোনো এক গভীর, আনন্দময় জীবনবোধ।
সতীনাথ মাইতি
মুহূর্তের বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত পৃথিবী। সেই জলছবি আঁকেন যে কবি, মৃত্যুমুখী তাঁর জীবনের দুর্নিবার গতিকে থামায় কবিতা, হয়তো বা নারীও কোনো। গ্রাম থেকে শহর ভাসে লোনা অভিজ্ঞানে।
গোপালচন্দ্র রায়
সুদীর্ঘকাল ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট থাকাকালীন জীবনের অনেক আলো-আঁধারির সাক্ষী ছিলেন বিচারক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই গল্পসংকলনটিতে ধরা রইল সেরকম কিছু দুর্লভ কাহিনি, যা অন্য এক বঙ্কিমকে উপস্থিত করবে পাঠকের কাছে। গোপালচন্দ্র রায়ের অননুকরণীয় বৈঠকি ভঙ্গিতে বলা এই গল্পমালা বাংলা অ্যানেকডট সাহিত্যে এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।