ছেলেমেয়েদের জন্য সচিত্র মাসিক পত্র (দ্বিতীয় বর্ষ, বৈশাখ-চৈত্র ১৩২১)
শ্রীউপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সম্পাদিত
২২ নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে ‘সন্দেশ’ প্রকাশিত হত। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_ শিশুসাহিত্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোরের লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সজ্জীবিত হয়নি। ছোটোদের রামায়ণ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলোই বাংলা শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপিগাইন, বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়। রেখায়-লেখায় অনবদ্য সন্দেশ উপেন্দ্রকিশোর সম্পাদনা পর্বেই অর্জন করেছিল অবিশ্বাস্য জনপ্রিয়তা। শুধু সমসাময়িক শিশুসাহিত্য প্রকাশনার ক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক নিরিখেও এই পত্রিকাটি ছিল অগ্রগামী। গল্প. কবিতা, গান, প্রবন্ধ, জীবনী, ভ্রমণকাহিনি, ভুগোল, বিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ক লেখা, আবিষ্কারের গল্প, ধাঁধা, সংবাদ_ বিষয়বস্তুর বৈচিত্রময় পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধারার অলংকরণ এবং মুদ্রণ পারিপাট্য সন্দেশ-কে এনে দিয়েছিল এমন এক বহুমাত্রিকতা যা এর চিরকালীন আবেদন সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদ থেকে ইংরেজি শিক্ষার বিস্তার, সামাজিক সংস্কার আন্দোলন এবং পাশ্চাত্য সাহিত্যের সঙ্গে নবপরিচয় বাংলা শিশুসাহিত্যের ক্ষেত্রে যে বৈপ্লবিক জাগরণের সূচনা করেছিল, সন্দেশ ছিল তারই উত্তুঙ্গ বিন্দু।
ছোটোদের বার্ষিকী
প্রকাশিত হল ডিঙিনৌকো ২০২৫।
মহাকাশের বন্দিদশা ঘুচিয়ে যখন বসুন্ধরায় ফিরে এলেন অসমসাহসিনী এক ‘ভারতকন্যা’, প্রায় তখনই ভারতমায়ের আর-এক নির্ভীক সন্তান পাড়ি জমালেন অন্তরীক্ষে।
শতরঞ্জের সেরা ‘খিলাড়ি’ যে ইন্ডিয়াই, বারবার তা প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুণ, বিশ্বজয়ী দাবাড়ুদের তুখোড় কিস্তিমাতে।
এমনই সব গর্বের মুহূর্ত পেরিয়ে, তোমাদের কাছে এসে গেল ডিঙিনৌকো। ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, কুইজ, নিবন্ধ-প্রবন্ধের রকমারি পসরা সাজিয়ে, এবারেও সে ভেসে চলেছে স্বপ্নময়, মায়াবী এক জাদুপৃথিবীর উদ্দেশে
সম্পাদনা: সুনির্মল চক্রবর্তী
আজ যখন বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রকোপে ছিন্নভিন্ন ঋতুচক্র, যখন মানুষের অপরিমিত লোভ নিঃশেষ করছে ভূগর্ভের জলস্তর, যখন খরা, বন্যা আর যুদ্ধে বিপন্ন মানবজাতি, তখন একমাত্র ছোটোরাই পারে স্বপ্ন দেখতে। তারাই পারে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাতে। নতুন এই ডিঙিনৌকো তাদের বাহন। এতেই সওয়ার হয়ে তারা একদিন ঠিক খুঁজে নেবে সম্ভাবনার নতুন সমুদ্র আর তারায় ভরা নতুন আকাশ।
ডিঙিনৌকো বাংলা শিশুসাহিত্যের বৃহত্তম বার্ষিকী
করোনাকে হার মানিয়ে, ফের খুলে গেছে তোমাদের স্কুল। আবারও ক্লাসরুম, প্রিয় সহপাঠী আর শিক্ষকদের সান্নিধ্য। খেলার মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে হুটোপুটি, পৃথিবীর সব রং ছুঁয়ে নিতে বেরিয়ে পড়া- এখন ইচ্ছে হলেই! তোমাদের চিরসবুজ মনকে সঙ্গী করে
প্রতিবারের মতো এবারও ডিঙিনৌকো দুর্নিবার।
ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, নিবন্ধ, কুইজ-এর ডালি সাজিয়ে, কল্পনার নদীতে দাঁড় বেয়ে নিরন্তর সে ভেসে চলেছে অজানা, অদেখা কোনো স্বপ্নের দেশের উদ্দেশে!
এ কালের এক প্রবীন লিজেন্ডের নিজের দেখা ও বাবার কাছে শোনা মজার মজার কান্ড , প্রায় অবিস্সাস্য ঘটনা I