বাসব রায়
সফ্টওয়্যার কেরানির নকশা-র একটি বিশেষ চরিত্র কম্পিউটার প্রোগামার লোচাদা। কোনো এক কালসন্ধ্যেয় আবেগপ্রবণ লোচাদার অনুচ্চস্বরের ঘোষণা। মেমরি, প্রসেসর, হার্ডডিস্ক, ব্লুটুথ, ইনফ্রায়েড, মেগাপিক্সেল, গিগাহার্জ এই ফিরিঙ্গি লবজগুলো আলু, পেঁয়াজ, উচ্ছে, পটলের মতোই আমাদের জীবনে খোদাই হয়ে গেছে আজকাল। নয়ের দশকেও বাঙালির দৌড়ছিল ডায়োড ভাল্ভ সেমিকনডাক্টর বড়োজোর আইসি চিপ অবধি। ২০০০ সালের পর থেকেই প্রযুক্তির হড়কা বানে আমাদের চলাফেরা, ভাবনাচিন্তা, বচন-বাচন, ভালোলাগা-মন্দলাগার অনুভূতিগুলো নতুন করে সংজ্ঞাত হয়ে গেল…। সফ্টওয়্যার কেরানির নকশা-র বার্তা লোচাদার ওই উক্তিরই প্রতিফলনমাত্র। লেখক মনোযোগের সঙ্গে লক্ষ করেছেন, কীভাবে প্রযুক্তির ‘হড়কা বান’ অবিশ্বাস্য গতিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাত ঘুরে সাধারণের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে। লেখক নিজেকে এই প্রক্রিয়ায় শামিল করতে চেয়েছেন, তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ার একেবারে হেঁশেলে ঢুঁ মেরে। নকশাগুলি বিষয়গত বৈচিত্রে এবং উপস্থাপনার মুনশিয়ানায় স্বাতন্ত্র দাবি করে, সন্দেহ নেই।
গোপালচন্দ্র রায়
বিদ্যাসাগরমশায় তাঁর মুখে বলা গল্পে বা হাস্য-পরিহাসের সময় যেমন নতুন নতুন উপমা দিতেন, তেমনি তিনি তাঁর কোনো কোনো গ্রন্থেও উপমা দিয়ে দিয়ে মজার মজার গল্প বলে গেছেন। তাঁর ব্রজ-বিলাস ও রত্ন-পরীক্ষা গ্রন্থ দুটি এ কথার জাজ্জ্বল্য প্রমাণ। বিদ্যাসাগরমশায়ের সেইসব হাসির গল্প ও হাস্য-পরিহাসগুলি যতদূর সম্ভব সংগ্রহ করা গেছে, এবং সেই সঙ্গে তাঁর কৌতুককর কাহিনি ও প্রসঙ্গত অন্য হাসির কাহিনি নিয়েই এই গ্রন্থখানি রচিত হয়েছে।
রণজিৎকুমার সমাদ্দার
ইতিহাসের তথ্যাবরণই শুধু নয়,আরও অনেক কিছু। কথা-গল্পের বহমানতায় লোকসংস্কৃতির মিশেল দুর্লক্ষ্য নয়। ঈষৎ চমক! ঋদ্ধ-আবেগে রসাপ্লুতায় ভাবুকমনের সন্ধান চলতে পারে_ইতিহাসের অমল-বিভা।
আধুনিক বাংলা রূপকথার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক শৈলেন ঘোষ যখন ছোটদের গল্প বলার জন্য কলম ধরেন, তখন সে গল্প ও হয়ে ওঠে চিরায়াত,| এ যুগের ছোটদের জন্য লেখক এর 25 টি মন ভালো করে দেওয়া গল্প |