একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন।
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়।
পৃথিবীর শেষ স্টেশন || PRITHIBIR SESH STATION – FARUK AKHTAR
পৃথিবীর শেষ স্টেশন আসলে কী?
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH
কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও।
সাহেব ভূত থেকে শুরু করে কুকুর ভূত, রাইটার্সের ভূত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, জিপিও, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ভূত- নানান কিসিমের ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর বইটি ছোটো-বড়ো সব পাঠককে মুগ্ধ করবেই।
শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্তি-কথা || SHERLOCK HOLMSER BICHITRA KIRTI-KATHA
কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।
বিষপাথর || BISHPATHAR || RUPAK SAHA
উত্তর কলকাতার বনেদি দত্ত জুয়েলার্সের নতুন প্রজন্ম কুন্তল। যেমন চোস্ত সে কারাটেতে, তেমনই অব্যর্থ জ্যোতিষী হিসেবে। নিমরাজি হয়ে পারিবারিক ব্যাবসায় নামতে হলেও বিয়েতে তার মত নেই। আইনজীবী বন্ধু টোটার সঙ্গে সে-ও বদ্ধপরিকর ব্রহ্মচর্য পালনে। কিন্তু এলগিন রোডের পুরোনো বাড়ির দেওয়ালে লুকোনো গুপ্তধন পেয়ে যাওয়ার পর থেকেই অনিবার্য সব বিপর্যয় নেমে আসতে থাকে তার জীবনে।
বিষপাথরের অভিশাপ থেকে কীভাবে কুন্তল বাঁচাবে নিজের প্রেম ও পরিবারকে?
রূপক সাহার সাম্প্রতিক এই থ্রিলারে একের পর এক অপ্রত্যাশিত মোচড়ে উন্মোচিত হয়েছে অলঙ্কার তথা রত্ন ব্যাবসার ঈষৎ অপরিচিত জগৎ – তার আলো ও অন্ধকার!
কাচে ঢাকা হিরে || KACHE DHAKA HIRE || RUPAK SAHA
একটি কিশোরী মেয়েকে অপহরণ ও খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয় যাবজ্জীবন সাজা খাটছে বক্সিং-এ জুনিয়র ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন স্ট্যালোন।
কে ফাঁসাল তাকে?
প্রখ্যাত সাংবাদিক তথা সত্যান্বেষী কালকেতুর সঙ্গে দমদম সেন্ট্রাল জেলে কাকতালীয়ভাবে দেখা হয়ে যাওয়ার পর কি বদলে যেতে পারে তার অভিশপ্ত জীবন?
আবার কি গ্লাভস পরে রিং-এ নামতে পারবে সে?
কালকেতু কি পারবেন স্ট্যালোনের অতীত খুঁড়ে সত্য উদ্ঘাটন করে আনতে?
জানতে গেলে পড়তে হবে রূপক সাহার অদম্য এই স্পোর্টস থ্রিলার।
একইসঙ্গে সংশোধনাগারের জটিল বাস্তবতা ও আমাদের বদলে যাওয়া খেলার জগৎ নিয়ে এমন সিনেম্যাটিক উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে এই প্রথম!
আয়নাবাড়ি || AYNABARI || ABHIK DUTTA
“স্বাধীনতা”র নামে বাংলাদেশে উত্থান হয়েছে আই এস আই প্রভাবিত শক্তির। ক্রমাগত দেশের মত ভারত বিরোধী প্রোপাগাণ্ডা চলছে সে দেশে।
“স্বাধীনতা”র ফলে কী কী পরিবর্তন হল? যারা স্বাধীনতা যোদ্ধা ছিল, তারা কি এই জন্যই লড়াই করেছিল? জেল থেকে যেসব অপরাধীরা বিনাশর্তে মুক্তি পেল, তারাই বা কী করল?
এসব বিষয় ধরা রইল এই বইটিতে।
গোয়েন্দা অশোক ঠাকুর ফিরে এলেন || GOENDA ASHOK THAKUR PHIRE ELEN
সমরেশ বসু সৃষ্ট জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র অশোক ঠাকুরের চারটি উপন্যাস – দু ‘ মুখো সাপ, ম্যাকবেথ: রঙ্গমঞ্চ কলকাতা, একটি অস্পষ্ট স্বর এবং রাজধানী এক্সপ্রেসের হত্যারহস্য – সংকলিত হয়েছে বর্তমান সংগ্রহে।
বিলিতি ডিটেকটিভদের প্রত্যক্ষ প্রভাববর্জিত এমন সার্থক রহস্যভেদী বাংলা গোয়েন্দা সাহিত্যে বিরল।
পহেলগাঁও || PAHALGAM || চিত্রদীপ চক্রবর্তী || প্রীতমপ্রতীক বসু || Chitradip Chakrabarty || Pritam Pratik Basu
ষড়যন্ত্র ও নাশকতার নীল নকশা
পহেলগাঁও হামলা শুধুমাত্র খবরের শিরোনাম নয়, বরং আধুনিক ভারতবর্ষের নিরাপত্তা ও সমাজ-রাজনীতির এক অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট।
এই বইয়ের উদ্দেশ্য, পাঠকের সামনে সেই ঘটনার আগে-পরে সমস্ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ব্যাখ্যা হাজির করা। কাশ্মীর উপত্যকার সৌন্দর্যের নাম উচ্চারণ করলে প্রথম সারিতেই উঠে আসে পহেলগাঁও। তুষারঢাকা পাহাড়, নদীর কলতান, পাইন ও দেবদারুর সবুজ- সব মিলিয়ে পুরো এলাকা বহু দশক ধরে শুধু ভ্রমণপিপাসু মানুষ নয়, ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু প্রকৃতির সেই সৌন্দর্যের আড়ালে যে ভয়াবহ জঙ্গি নাশকতা ঘটে গিয়েছে, তার পুঙ্খানুপুগ্ধ বিশ্লেষণ রয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়। গোয়েন্দাদের তদন্ত রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সাংবাদিকতার গবেষণা, সব মিলিয়ে দু’মলাটে পাওয়া যাবে পাকিস্তানের ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংক্রান্ত সেই সব প্রশ্নের উত্তর। নৃশংস ওই ঘটনার বৃত্তান্ত জানতে চান তামাম ভারতবাসী। হয়তো বা পাঠক হিসেবে আপনিও।
পহেলগাঁও হামলার বিশ্লেষণ তাই শুধু একটি ট্র্যাজেডির স্মৃতিকথা নয়, পাকিস্তান নামের একটি দেশের স্বরূপ সকলের সামনে তুলে ধরা।