দেবদাস প্রেমের সমাপ্তির গল্প নয়; বরং এমন এক ভালোবাসার কাহিনি, যার পূর্ণতা অসম্ভব হয়ে গিয়েও যার প্রতিধ্বনি কখনও শেষ হয় না।
এখানে প্রেমের পাশাপাশি আছে অহংকার, সামাজিক অনুশাসন, দুর্বলতা, আত্মবিনাশী অনুশোচনা এবং হারিয়ে ফেলা সম্ভাবনার গভীর মনস্তত্ত্ব।
পাতা শেষ হয়ে যায়, গল্প শেষ হয়ে যায়- কিন্তু দেবদাসের অসমাপ্ত প্রশ্নটি পাঠকের হৃদয়ে দীর্ঘকাল থেকে যায়।
পথের পাঁচালী কেবল অপু-দুর্গার শৈশবের কাহিনি নয়; এটি জন্ম, স্বপ্ন, অভাব, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুকে অতিক্রম করে মানুষের অনন্ত পথচলার এক শাশ্বত জীবনদর্শন-যেখানে শেষপর্যন্ত পথই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রতীক।
পদ্মার বুকের প্রান্তিক মানুষের জীবন, প্রেম, দারিদ্র্য, আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উপন্যাস মানব-অস্তিত্বের এক গভীর ও কালজয়ী পাঠ।
ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবন ও অজানার আকর্ষণ এখানে এক অনন্য শিল্পসুষমায় মিলিত হয়েছে।
কেন এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু, স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অন্যতম প্রধান সহযোদ্ধার বিরুদ্ধে?
এই জটিল অনুরাগ-বিরাগের আকর্ষণীয় বিশ্লেষণ এই গ্রন্থ, যাকে ইতিহাসবিদ নিশীথরঞ্জন রায় বলেছেন, ‘শুধু কৌতূহলোদ্দীপক নয়, তথ্যনির্ভর… সমকালীন দলিল।’
বারবার ছদ্মবেশ বদলে ব্রিটিশের চোখে ধূলো দেওয়া দুর্দমনীয় যে বিপ্লবী ছিলেন দিল্লি বোমা কাণ্ড, গদর আন্দোলন এবং জাপানে ইন্ডিয়ান ইনডিপেন্ডেন্স লিগ গঠনের নেপথ্যে, তিনিই রাসবিহারী বসু।
মণি বাগচি বিরচিত জীবনী গ্রন্থটি কেবল এক বিপ্লবী জীবনের বিশ্বস্ত তথা অনুপুঙ্খ ধারাবিবরণীই নয়, বরং তা বিস্মৃতপ্রায় এক জাতীয় বীরকে নতুন আলোয় পুনর্মূল্যায়নের অনন্য প্রয়াস।