প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ স্ট্যানলি লেন-পুল যাঁকে ‘প্রাচ্যের জুলিয়াস সিজার’ বলে অভিহিত করেছেন, মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সেই জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তাঁর ব্যতিক্রমী আত্মজীবনী বাবরনামা গ্রন্থের জন্য।
বাবরনামা-র উৎকর্ষ বাবরের অকপটতায়। নিজের ব্যর্থতা, ভুল সিদ্ধান্ত, চারিত্রিক দুর্বলতা- কিছুই তিনি গোপন করেননি। সেইসঙ্গে রয়েছে মানবচরিত্র বিশ্লেষণ, শাসনব্যবস্থা ও সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ভনিতাহীন মন্তব্য। ভৌগোলিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রকৃতি ও প্রাণীজগতের সূক্ষ্ম বর্ণনা প্রদানেও তিনি অনবদ্য।
এই সেই বিরল গ্রন্থ যা একাধারে সমসময়ের বিশ্বস্ত দলিল এবং যুগপৎ এক সম্রাট ও এক মানুষের কালোত্তীর্ণ আত্মকথা।
প্রতিটি বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক Scanner উত্তর-সহ
HOLISTIC PROGRESS REPORT CARD অনুসারে
নবপ্রবর্তিত অভীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন- যথাক্রমে 30, 50 ও 70 নম্বরের প্রশ্নপত্র সংবলিত
সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে শিবাজীর নেতৃত্বে মারাঠা জাতির অভ্যুত্থান ভারত ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা। পারসিক-দাক্ষিণাত্য দলিল, শিলালিপি, সমকালীন বৃত্তান্ত এবং অভিলেখাগার থেকে প্রাপ্ত সূত্রের ভিত্তিতে স্যার যদুনাথ তাঁর অননুকরণীয় স্বাদু, প্রাঞ্জল অথচ অ্যাকাডেমিক ভাষায় শিবাজির জীবন ও সময়ের যে সমালোচনামূলক ইতিহাসচিত্র নির্মাণ করেছেন, তা আজও সার্থক ইতিহাসচর্চার মানদণ্ড হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। এই মহান মারাঠাবীরের দুর্দমনীয় সাহস, দূরদর্শিতা ও রাষ্ট্রগঠন-কুশলতা যেমন লেখকের সাধুবাদ পেয়েছে, তেমনই তাঁর বিবিধ সীমাবদ্ধতাকেও তিনি এড়িয়ে যাননি।
সব মিলিয়ে, স্যার যদুনাথ সরকার বিরচিত শিবাজী একটি অনন্য গ্রন্থ। মিথমুক্ত শিবাজির জীবন ও সময়কে নির্মোহভাবে জানতে হলে বইটি নির্বিকল্প।
তাহলে, এই বই আপনার।
এতে আছে প্রচুর মজাদার শব্দছক, যার সমাধান করতে পারলে আনন্দ অফুরান। আর না-করতে পারলেও শব্দজব্দ হওয়ার আশঙ্কা শূন্য।
সার্বিক প্রগতি নিদর্শনপত্র-র মূল্যায়ন কাঠামো অনুসারে
নবপ্রবর্তিত অভীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন – যথাক্রমে 20, 30 ও 50 নম্বরের প্রশ্নপত্র সংবলিত
সার্বিক প্রগতি নিদর্শনপত্র-র মূল্যায়ন কাঠামো অনুসারে
নবপ্রবর্তিত অভীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন – যথাক্রমে 20, 30 ও 50 নম্বরের প্রশ্নপত্র সংবলিত