প্রবাসী পত্রিকার
ভগ্নহৃদয় || Bhagnariday
ভগ্নহৃদয় রবীন্দ্রনাথের প্রথম জীবনের এক ভাববিহ্বল কাব্য। পুস্তকাকারে এর পুনর্মুদ্রণ ঘটানো হয়নি নানা কারণে। অথচ জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার আর ত্রিপুররাজ মাণিক্য পরিবারে মেলবন্ধনের সানন্দ সংযোগের যোগসূত্র এই কাব্যটি।
এই ইতিহাস ও কাব্যের রসগ্রাহী আলোচনাসহ গ্রন্থটিকে নতুন করে পাঠকের দরবারে উপস্থাপিত করা হল বিচিত্র তথ্যের সমাবেশে। কবি হিসেবে রবীন্দ্রনাথের প্রথম স্বীকৃতি ত্রিপুররাজ পরিবার থেকেই এসেছিল-এই কাব্য সেই স্বীকৃতিরই কাব্যিক দলিল।
রবীন্দ্রনাথ সম্পাদিতে বঙ্গদর্শন / RABINDRANATH SAMPADITE BANGADARSHAR
‘বঙ্গদর্শনের প্রথম অভ্যুদয়ে বাংলা দেশের মধ্যে একটি অভূতপূর্ব আনন্দ ও আশার সঞ্চার হইয়াছিল, একটি সুদূরব্যাপী চাঞ্চল্যে বাংলার পাঠকহৃদয় যেন কল্লোলিত হইয়া উঠিয়াছিল। সে চেষ্টা স্বাধীন চেষ্টার আনন্দ।’ বঙ্কিমচন্দ্রের বঙ্গদর্শন সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ এই মন্তব্য করেছেন নবপর্যায়-বঙ্গদর্শন প্রকাশের আগে। তারপর তাঁকে নিতে হয় বঙ্গদর্শন সম্পাদনার দায়িত্ব। বঙ্কিমের বঙ্গদর্শন যেমন একসময় ‘আমাদের সাহিত্যপ্রাসাদের সিংহদ্বার’ খুলে দিয়ে নবযুগের সূচনা করেছিল, তেমনি বিশ শতকের প্রারম্ভে রবীন্দ্রাথের বঙ্গদর্শন আর এক নতুন যুগে প্রবেশের সুযোগ করে দিল। সেই নবপর্যায়-বঙ্গদর্শন বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছে মননসমৃদ্ধ। অসামান্য প্রবন্ধসম্পদের জন্য। আমরা একালের পাঠককে সেই মননের জগতের সন্ধান দেওয়ার জন্য অধুনা দুষ্প্রাপ্য পত্রিকা থেকে কয়েকটি প্রবন্ধ গ্রন্থাকারে প্রকাশ করছি। বাঙালির মননের ইতিহাসে এক মূল্যবান সংযোজন এই গ্রন্থ।
রবীন্দ্রকথা / RABINDRAKATHA
মহাভারতের অষ্টাদশ পর্বের অনুসরণে ১৮টি পরিচ্ছেদে কবির জীবন পরিক্রমা করেছেন খগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়।
মাত্র এক খণ্ডে এত তথ্য, চিঠিপত্রাংশ, সাহিত্য আলোচনা পেয়ে যাওয়ায় এই গ্রন্থকে আমরা বিন্দুতে সিন্ধুদর্শন বলতে পারি।
উনিশ শতকের কলকাতার পরিপ্রেক্ষিতে ঠাকুরবাড়ির ইতিবৃত্তও এখানে আলোচিত হয়েছে বিশ্বস্তভাবে।
রবীন্দ্র-সংশোধিত পাণ্ডুলিপি ও শ্রীনিকেতনের ডায়েরি / RABINDRA SANSHODHITA PANDULIPI O SRINIKETANER DIARY
গ্রন্থনা: সুকুমার চট্টোপাধ্যায়
সম্পাদনা: বারিদবরণ ঘোষ
শ্রীনিকেতনের ইতিহাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, যদি আমরা নানা বৃত্তান্তে ভরপুর দ্বিতীয় ডায়েরির পাতা না-ওলটাই। আর প্রথমটিতে আমরা পেয়ে যাব রবীন্দ্রনাথ প্রদত্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতার সুকুমার-কৃত অনুলিপি। রবীন্দ্রনাথ নিজেই আবার সেই শ্রুতিলিখন সংশোধন করে দেন। ‘Gleanings’ নামক এই খাতাটি কবিমানসের স্বরূপ উন্মোচনে এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
রবীন্দ্র গল্পের আকর ও আকার / RABINDRA GALPER AKAR O AKAAR
গ্রন্থটি মূলত ছাত্র – ছাত্রীদের উদ্দেশ্যএ রূপ পেলেও সুধী পাঠকেরও কৌতূহল চরিতার্থ করবে এ বিশ্বাস রাখি ।
রাজর্ষি / RAJARSHI
স্বপ্নে-পাওয়া কাহিনি আর ত্রিপুররাজ-পরিবারের মনোহর ইতিহাস নিয়ে রবীন্দ্রনাথ অহিংসমন্ত্রে রচনা করেছিলেন তার অনুপম উপন্যাস রাজর্ষি।
মহারাজ গোবিন্দমাণিক্যের জীবনাচরণই এই উপন্যাসের বীজপ্রশ্ন: ‘এত রক্ত কেন?’-তারই আখ্যানগত উত্তর এই কাহিনি।
শুধু কিশোর নয়, পরিণত পাঠকও এর মধ্যে পেয়ে চলেছেন জীবনায়নের অনবদ্য মন্ত্র।
এতকাল আমরা একটি কাহিনি পড়ছিলাম, এই প্রথম জানতে পেরেছি সবিস্তারে এর সৃষ্টির ইতিহাস আর রসাস্বাদনের জন্য পেয়েছি নিপুণ আলোচনা।
রবির নীড় দেশে বিদেশে / RABIR NEER DESHE BIDESHE
কবির নিবাসের সঙ্গে তার সৃষ্টিকর্মের সরাসরি কি কোনো সম্পর্ক আছে? প্রশ্নটির বিপ্রতীপে অজান্তেই তৈরি হয় আর একটি প্রশ্ন : কবির কোনো নির্দিষ্ট সৃষ্টিকর্ম কি অনুপ্রাণিত হতে পারে তার সৃজনক্ষেত্রের দ্বারা? ওয়র্ডসওয়র্থের ‘ইমমরটালিটি ওড’ কি আদৌ সম্ভব ছিল তার লেক ডিস্ট্রিক্ট-এর পরিপ্রেক্ষিত ছাড়া? এরকম অনেক প্রশ্নকেই প্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে যদি আমরা কালোত্তীর্ণ কবি-সাহিত্যিকদের জীবন পরিভ্রমণ করি। খুজে বার করতে চেষ্টা করি কোথায় কোথায় তাঁরা ছিলেন কোন সময় তাঁরা ছিলেন, কারা তাঁদের সঙ্গে ছিলেন_এরকম নানা কিঞ্চিৎকর এমনকী অকিঞ্চিৎকর তথ্যও। এভাবেই একদিকে যেমন আবিষ্কৃত হতে থাকে অনেক নতুন দিগন্ত, অন্যদিকে মেধাবী পাঠক ছুঁয়ে যেতে পারেন বিরল কেনো সাহিত্যমুহূর্ত।