এই একটি প্রশ্নের সত্যনিষ্ঠ উত্তরই বদলে দিতে পারে স্বাধীনতা-পূর্ব তথা স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতবর্ষের গৃহীত ইতিহাস।
দেশমাতৃকার চরণে উৎসর্গীকৃত নেতাজির অপাপবিদ্ধ চরিত্রকে কালিমালিপ্ত করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল এই অশুভ চক্রের সদস্যদের।
কে ছিল না এই চক্রে? দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ আমলা, বিদেশি রাষ্ট্রের কর্ণধার, গুপ্তচর সংস্থা, এমনকী নেতাজির রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রাও!
গ্রন্থ প্রসঙ্গে নির্বাচিত রবীন্দ্র-উপন্যাস, কাব্য, প্রবন্ধ, নাটকের প্রথাবহির্ভূত বিশ্লেষণ, অন্তরঙ্গ চরিত্র ব্যবচ্ছেদ, সমাজ-স্বরূপ উদ্ ঘাটন, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের নির্মাণ, আলোচকের নিবিড় পাঠ যেন প্রাবন্ধিকের নির্মোহ যুক্তির বুনোটে ধরা বিনির্মাণের এক অভিধা। রাজনীতির সর্বগ্রাসী আগ্রাসন থেকে ব্যক্তিস্বাতন্ত্রকে, আত্মবৈশিষ্ট্যকে, মানবতাকে যে রিয়ালিস্ট রবীন্দ্রনাথ বড় করে দেখেছেন, সেই রবীন্দ্র-অনুশীলনে আমরা এই গ্রন্থে এক বিদগ্ধ লেখকের সঙ্গী।
বিশ্বমনাঃ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে সুনীতিকুমার বিভিন্ন সময়ে যে প্রবন্ধগুলি রচনা করেছিলেন, এই গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে ভাষাচার্যের সেই রচনাগুলি। সেইসঙ্গে স্থান পেয়েছে উভয়ের মধ্যে বিনিমিত চিঠিপত্রও।