সম্পাদনা পল্লব মিত্র
আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় একালের প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব। বাংলা তথা ভারতের শিক্ষা-সংস্কৃতি-ভাষাতত্ত্ব ও সমাজজীবনে তাঁর অবদানের প্রসঙ্গ ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতি জীবনের বহু স্বনামধন্য ব্যক্তি আলোচ্য সংকলনে সুনীতিকুমারের জীবন ও জীবনের নানা কথা ব্যক্ত করেছেন। তাঁর ছাত্র বা ছাত্রস্থানীয় অনেকেই নানা আলোয় আচার্যকে বোঝবার ও বোঝাবার প্রয়াস পেয়েছেন। নানা কারণেই তাই এই সংকলন গ্রন্থটি সুনীতিকুমারের জীবন তথা বাংলার শিক্ষা-সংস্কৃতির এক উল্লেখযোগ্য দলিল হিসেবে পরিগণিত হবার দাবি রাখে। ২০০৯ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১২০ বছরে পদার্পণ করবেন। তাঁর প্রয়াণের পর তিন দশক অতিক্রান্ত হলেও সেভাবে সুনীতিকুমারের বিস্তৃত কর্মকাণ্ডের পরিচয়বাহী কোনো বই সেভাবে পাঠকদের হাতে আসেনি। এমনকী সুনীতিকুমারের পুঙ্খানুপুঙ্খ উজ্জ্বল জীবনের দিনগুলোর কথাও যথাযথ গ্রন্থভুক্ত হয়েছে কি ? ১৯৭৭ সালে তাঁর প্রয়াণের পরই, তাঁকে নিয়ে যে-বিস্তৃত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল, যার ফলশ্রুতি হিসেবে, সমসাময়িক দৃষ্টিতে সুনীতিকুমার গ্রন্থের প্রকাশ, সেই বইটির নতুন পরিবর্ধিত সংস্করণ প্রায় পঁচিশ বছর পর পাঠকদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হল।
ছোটোদের জন্য সবসেরা হাসির ও মজার নাটক ।
আধুনিক বাংলা রূপকথার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক শৈলেন ঘোষ যখন ছোটদের গল্প বলার জন্য কলম ধরেন, তখন সে গল্প ও হয়ে ওঠে চিরায়াত,| এ যুগের ছোটদের জন্য লেখক এর 25 টি মন ভালো করে দেওয়া গল্প |
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
পণ্ডিতপ্রবর কালীবর বেদান্তবাগীশ মহাশয় রচিত
পরলোক রহস্য / THE MYSTERY AFTER DEATH
Recommended by Teachers Preferred by Students
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ প্রবর্তিত ২০২৪ সালের Semester-ভিত্তিক নতুন Syllabus, Question Pattern Marks Distribution অনুসারে রচিত এবং সংসদ অনুমোদিত