একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন। প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-
S
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়। কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন। আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।
পেশায় আইনজীবী, নেশায় গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্র অপরাধীকে ধরতে ডুব দেন মনস্তত্ত্বের গহিনে, সাহায্য নেন আধুনিকতম ফরেনসিক বিজ্ঞানের।
কিস্তিমাত-এ পাঠক সাক্ষী হবেন কুন্তলার কাছে আসা এমন চারটি জটিল কেস-এর, যেখানে অপরাধের সূত্র লুকিয়ে আছে স্মৃতি, বিস্মৃতি অথবা অধুনালুপ্ত কোনও নথিতে। কখনও সাইবার ফরেনসিকস, কখনও প্লান্ট ফরেনসিকস, আবার কখনও মনোবিজ্ঞানকে মগজাস্ত্র বানিয়ে এমন অভিনব রহস্যভেদ এই সময়ের শিহরন-সাহিত্যে বিরল।
মানবমন আর অপরাধতত্ত্বের জটিল গোলকধাঁধায় নারী গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্রের স্বচ্ছন্দ মেধাবী বিচরণ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে।