|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |
ভজুরাম মেমোরিয়াল স্কুলের অঙ্কের মাস্টারমশাই জয়পতাকাবাবুকে দেখে বীর বলে আদৌ মনে হয় না। কিন্তু তিনিই চমকে দিলেন যখন খেলার মাঠে একদিন মোলাকাত হয়ে গেল শহরের সবচেয়ে সাংঘাতিক জীব কালুর সঙ্গে। ভয়ংকর সেই ষাঁড়ের মুখোমুখি দিব্যি লড়ে গেলেন জয়পতাকাবাবু। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। কালুর গুঁতোয় উড়ে গেলেন তিনি। শূন্যে বার দুই সামারসল্ট খেয়ে শেষমেশ সওয়ার হলেন সেই কালুরই পিঠে! দর্শকমণ্ডলীর তুমুল হর্ষধ্বনির মধ্যে জয়পতাকাবাবুকে পিঠে নিয়ে দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটতে থাকল কালু। শহর পেরিয়ে ঢুকে পড়ল পটাশগড়ের ভয়াবহ জঙ্গলে। তারপর? রোমহর্ষক সেই ঘটনা জানতে হলে পড়তেই হবে পটাশগড়ের ভয়াবহ জঙ্গলে ।
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
পথের পাঁচালী কেবল অপু-দুর্গার শৈশবের কাহিনি নয়; এটি জন্ম, স্বপ্ন, অভাব, বিচ্ছেদ ও মৃত্যুকে অতিক্রম করে মানুষের অনন্ত পথচলার এক শাশ্বত জীবনদর্শন-যেখানে শেষপর্যন্ত পথই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে গভীর প্রতীক।
পদ্মার বুকের প্রান্তিক মানুষের জীবন, প্রেম, দারিদ্র্য, আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তির স্বপ্নকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই উপন্যাস মানব-অস্তিত্বের এক গভীর ও কালজয়ী পাঠ।
ময়নাদ্বীপের রহস্যময় স্বপ্নের মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবন ও অজানার আকর্ষণ এখানে এক অনন্য শিল্পসুষমায় মিলিত হয়েছে।
যেসব ছেলে মেয়েরা বাংলা বর্ণপরিচয় সদ্য সমাপ্ত হয়েছে তাদের জন্য রবীন্দ্রনাথের সহজপাঠ খুবই উপযোগী I