ভূগোল ও পরিবেশ রেফারেন্স – নবম শ্রেণি || BHUGOL O PARIBESH REFERENCE – CLASS 9
₹282.00পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ-এর সর্বশেষ নির্দেশিকা মেনে লিখিত, উন্নততর সংস্করণ
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ-এর সর্বশেষ নির্দেশিকা মেনে লিখিত, উন্নততর সংস্করণ
হিরণ্ময় ভট্টাচার্য
এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।
শ্রীসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বাংলার সতেরো জন মনীষীকে নিয়ে লেখা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মনীষী স্মরণে গ্রন্থটি বিবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বিশ্লেষিত হতে দেখি তাঁর বিভিন্ন ভূমিকায়। ব্যাকরণিয়া তথা বাকপতি শ্রীরবীন্দ্রনাথই যখন বিশ্বদরবারে ভারতের দুত হয়ে প্রাচ্যের বাণীকে পৌঁছে দেন প্রতীচ্যে, তখন সুনীতিকুমার প্রদত্ত তাঁর বিস্তারিত পরিচয় পেয়ে আমাদের বিস্ময়ের অবধি থাকে না। এই সকল প্রবন্ধের রচনা প্রসঙ্গ বিবিধ। যাঁরা এখানে আলোচিত, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই ছিল ভাষাচার্যের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু যখনই এই সকল মনীষী বিশ্লেষিত হয়েছেন সুনীতিকুমারের কলমে, তখন তাঁর আলোচনা ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক পরিসর পেরিয়ে পাড়ি জমিয়েছে ভিন্ন এক নন্দনের অভিমুখে।