• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Shop

ডিঙিনৌকো – দশম বর্ষ (২০২৫) || DINGINOUKO – 10TH YEAR (2025)

495.00

ছোটোদের বার্ষিকী
প্রকাশিত হল ডিঙিনৌকো ২০২৫।

মহাকাশের বন্দিদশা ঘুচিয়ে যখন বসুন্ধরায় ফিরে এলেন অসমসাহসিনী এক ‘ভারতকন্যা’, প্রায় তখনই ভারতমায়ের আর-এক নির্ভীক সন্তান পাড়ি জমালেন অন্তরীক্ষে।
শতরঞ্জের সেরা ‘খিলাড়ি’ যে ইন্ডিয়াই, বারবার তা প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুণ, বিশ্বজয়ী দাবাড়ুদের তুখোড় কিস্তিমাতে।
এমনই সব গর্বের মুহূর্ত পেরিয়ে, তোমাদের কাছে এসে গেল ডিঙিনৌকো। ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, কুইজ, নিবন্ধ-প্রবন্ধের রকমারি পসরা সাজিয়ে, এবারেও সে ভেসে চলেছে স্বপ্নময়, মায়াবী এক জাদুপৃথিবীর উদ্দেশে

সন্দেশ – প্রথম বর্ষ / Sandesh – Pratham Barsha

500.00

ছেলেমেয়েদের জন‌্য সচিত্র মাসিক পত্র (প্রথম বর্ষ, বৈশাখ-চৈত্র ১৩২০)

শ্রীউপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর সম্পাদিত

২২ নং সুকিয়া স্ট্রিটের বাড়ি থেকে গোড়ার দিকে সন্দেশ প্রকাশিত হত। মুদ্রক ও প্রকাশক ছিলেন ললিতমোহন গুপ্ত। পত্রিকাটি মুদ্রিত হত ৬৪/১ নং সুকিয়া স্ট্রিটে অবস্থিত লক্ষ্মী প্রিন্টিং ওয়ার্কস থেকে। ছড়া, রূপকথা, লোককথা, ইতিহাস, পুরাণ, আবিষ্কারের গল্প কিংবা নিখাদ কল্পকাহিনি_শিশুসাহিত‌্যের এমন কোনো শাখার কথাই ভাবা যায় না, যা উপেন্দ্রকিশোরের লেখনীর জাদুস্পর্শে নবপ্রাণে সজ্জীবিত হয়নি। ‘ছোটোদের রামায়ণ’ থেকে শুরু করে তাঁর লেখা সব গ্রন্থগুলোই বাংলা শিশুসাহিত‌্যের চিরায়ত সম্পদ। তেমনই তাঁর গুপিগাইন, বাঘা বাইন, বোকা জোলা, ঘ‌্যাঁঘাসু প্রমুখ চরিত্র তাদের জন্মলগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি অবিস্মরণীয়। রেখায়-লেখায় অনবদ‌্য সন্দেশ  উপেন্দ্রকিশোর সম্পাদনা পর্বেই অর্জন করেছিল অবিশ্বাস‌্য জনপ্রিয়তা। শুধু সমসাময়িক শিশুসাহিত‌্য প্রকাশনার ক্ষেত্রেই নয়, আন্তর্জাতিক নিরিখেও এই পত্রিকাটি ছিল অগ্রগামী। গল্প. কবিতা, গান, প্রবন্ধ, জীবনী, ভ্রমণকাহিনি, ভুগোল, বিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ক লেখা, আবিষ্কারের গল্প, ধাঁধা, সংবাদ_ বিষয়বস্তুর বৈচিত্র‌ময় পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে নতুন ধারার অলংকরণ এবং মুদ্রণ পারিপাট‌্য সন্দেশ-কে এনে দিয়েছিল এমন এক বহুমাত্রিকতা যা এর চিরকালীন আবেদন সৃষ্টির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম পাদ থেকে ইংরেজি শিক্ষার বিস্তার, সামাজিক সংস্কার আন্দোলন এবং পাশ্চাত‌্য সাহিত‌্যের সঙ্গে নবপরিচয় বাংলা শিশুসাহিত‌্যের ক্ষেত্রে যে বৈপ্লবিক জাগরণের সূচনা করেছিল, ‘সন্দেশ’ ছিল তারই উত্তুঙ্গ বিন্দু।

নদীমাতৃক জীবন ও সভ্যতা || NADIMATRIK JIBAN O SABHYATA

500.00

নদী কেবল গবেষকের নয়, নদী-ব্যবহারকারীরও বটে। নদী-ব্যবহারকারী যদি নদীকে ভালো না-বাসেন, স্বার্থপরের মতো ব্যস্ত থাকেন শুধু নিজের প্রয়োজনটুকু মেটাতেই, তাহলে একসময় না-হয় একসময় নদীর মৃত্যু অনিবার্য।
নদীকে ভালোবাসেন- গবেষক, নদী-ব্যবহারকারী নির্বিশেষে- এমন ষোলোজন মানুষের প্রবন্ধ-নিবন্ধ-কবিতা সন্নিবেশিত হয়েছে এই গ্রন্থে। নদীর সঙ্গে তাঁদের ব্যক্তিগত সংযোগ, নদীকে হারিয়ে যেতে দেখে তাঁদের মনোবেদনা এবং নদীকে বাঁচিয়ে তুলতে তাঁদের বিবিধ প্রয়াস ও প্রস্তাবনার কথা ধরা রয়েছে এই অমূল্য লেখাগুলিতে।
‘নদীর সাথে হাঁটা’-র মাধ্যমে নদীরক্ষায় অঙ্গীকারগ্রহণ এবং সে বিষয়ে গণসচেতনতা ও জনমত গঠনে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

কথাসরিৎসাগর / KATHASARITSAGAR

520.00

মহাকবি সোমদেব ভট্ট

কথারূপ সরিৎসমূহের সাগর-ই কথাসরিৎসাগর। মহাকবি সোমদেব ভট্ট বিরচিত এই মহাগ্রন্থের স্বাদু অনুবাদ ও পুনঃকথন এই প্রথম বাংলায়। গল্পের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসছে আর-একটি গল্প। তা থেকে আরও একটি _এরকমভাবে গল্পের প্রবাহ সৃষ্টি করেছে অসংখ্য তরঙ্গের যারা মিলেমিশে তৈরি করেছে কথাসাহিত্যের এক অতলান্ত সমুদ্র যা বহু ক্ষেত্রেই আদি ও বীভৎসরসে সিঞ্চিত। এতৎসত্ত্বেও গৃহী পাঠকের জন্য এখানে উপস্থিত হিতকথা, নীতিবাক্য ও শাস্ত্রীয় উপদেশ।

উদ্ধৃতি-অভিধান / UDHRITI ABHIDHAN

520.00

ড. দিলীপ কুমার মিত্র

কোনো কোনো উদ্বৃতি সংকলন দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজকে ভূমিকম্পের মতো নাড়িয়ে দেয়। যেমনটি ঘটেছিল গত শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকে। লাল মলাট দেওয়া জনৈক চিনা দার্শনিক ও রাষ্ট্রনীতিবিদদের উদ্ধৃতির সংকলন-গ্রন্থটি সমগ্র বিশ্বের যুবমানসে বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল। শ্রীরামকৃষ্ণের বাণীসমূহ গভীর অধ‌্যাত্মভাবসম্পন্ন ও জীবনবোধে অনন‌্য; রামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থে সংকলিত তাঁর মুখনিঃসৃত কথাগুলি এক মহাসাধকের প্রজ্ঞানিষিক্ত ভাবনার সহজ মহিমান্বিত উদাহরণ। রবীন্দ্রনাথের উদ্ধৃতি জ‌্যোতির্ময় আলোকশিখার মতো উদ্দীপ্ত_ সেগুলি তারায় তারায় দীপ্তশিখার অগ্নি জ্বালিয়ে চিরকালের মানুষকে পথ দেখায়। একদা গৈরিক বেশধারী এক দিব‌্যচেতন প্রাচ‌্য সন্ন‌্যাসীর উদ্ধৃতিযোগ‌্য সংক্ষিপ্ত ভাষণ ও ভ্রাতৃত্বের আহ্বান ধনতান্ত্রিক সভ‌্যতার বুকে কাঁপন তুলেছিল; সামাজিক সাম‌্যের পক্ষে তাঁর সংকলিত উদ্ধৃতি শতাধিক বছর পেরিয়ে আজও মানুষকে উদ্দীপ্ত করে, উদ্বুদ্ধ করে। কালপ্রয়াত এক তরুণ কুমার কবির আগুনের মতো উক্তি পাঠকের চেতনায় নাড়া দেয়_ তা পড়ে ‘বিশ্ব স্পন্দিত বুকে মনে হয় আমিই লেনিন’।

শ্রাদ্ধপদ্ধতি / SHRADHYAPADHYATI

520.00

(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)

প্রবীরকুমার চট্টোপাধ‌্যায় কাব‌্যতীর্থ

জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত‌্যুও এক শাশ্বত সত‌্য। মৃত‌্যু অবশ‌্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত‌্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব‌্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ‌্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন‌্যথা হয়নি। সমস‌্যা অন‌্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ‌্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব‌্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ‌্যপ্রদান করবে।