Shop

সাময়িক পত্রের আলোকে প্রথম মহাযুদ্ধ / SAMAYIK PATRER ALOKE PRATHAM MAHAYUDDHA

420.75

সংকলন ও সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ

প্রথম মহাযুদ্ধের আরম্ভ ১৯১৪ সালের জুলাইয়ে। সেটা ১৩২১ বঙ্গাব্দের শ্রাবণ মাস। সাত সমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে ভারতবর্ষের সে মহাসমরের সংবাদ এসে পৌঁছোয়। যুদ্ধের খবর প্রথম উল্লেখযোগ‌্যভাবে প্রকাশিত হয় ঠাকুরবাড়ির মাসিক পত্রিকা ভারতী-তে। তারপর একে একে ভারতবর্ষ, প্রবাসী, মাসিক বসুমতী, সমর-সংবাদ প্রভৃতি বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মহাযুদ্ধের সংবাদ প্রকাশিত হতে থাকে। ভারতী—তেই সে বছর ‘বর্তমান ইউরোপীয় সমর’ নাম এক দীর্ঘ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। বাংলা সাময়িক পত্রপত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক যেসকল লেখা প্রকাশিত হয়, তার কিছু স্মৃতিমূলক_ প্রত‌্যক্ষভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যাঁরা তাঁদের জার্নাল ও চিঠি। আবার কোনো কোনো লেখায় আমরা পাই যু্দ্ধে বিষয়ক বিশ্লেষণধর্মী প্রবন্ধ-নিবন্ধ। এ ছাড়াও মিলবে স্বদেশ থেকে বহুদূরে যুদ্ধে ময়দানে যা ঘটে চলেছে তার তাৎক্ষণিক বিবরণ ও সেইসঙ্গে যু্দ্ধপ্রকরণ নিয়ে অনুসন্ধানী নিবন্ধও। এই মহাযুদ্ধে গোটা বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। একদিকে ছিল ইংল‌্যান্ড, বেলজিয়াম, ইটালি সার্বিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ, অন‌্যদিকে জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, তুর্কস্থান প্রমুখ শক্তি। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধের আনুপূর্বিক ইতিহাস বিবৃত করা এই গ্রন্থের উদ্দেশ‌্য নয়। এই মহাযুদ্ধে ভারতবর্ষের ভূমিকাও আমাদের আলোচনার পরিধিভুক্ত হয়নি। বঙ্গসন্তান হিসেবে যে প্রশ্ন আমাদের মনে উঠে আসে_ বাঙালিরা কি এতে শামিল হয়েছিলেন ? তার উত্তর খুঁজতে গিয়ে সমসাময়িক বাংলা পত্রপত্রিকায় যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদাদি সংগ্রহ করার পর যা পাওয়া গেল, তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। একদিকে এই সংকলন খোঁজ দেয় প্রথম মহাযুদ্ধের কারণে উদ্ভুত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দেশীয় মূল‌্যায়নের। অন‌্যদিকে তা আঘাত করে ‘বাঙালি ভীরুজাতি’_এই ভ্রান্ত ধারণার মূলে। আমরা জানতে পারি, বাঙালির শুধু দলে দলে এই মহাসমরে যোগদানই করেননি, তাঁদের রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল বহু বিদেশি যুদ্ধপ্রান্তর।

সামাজিক-সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞান / SAMAJIK SANSKRITIK NRIVIGYAN

323.00

ড. সুমাহন বন্দ‌্যোপাধ‌্যায়

নৃবিজ্ঞানের বিকাশ, তার নানাদিক ও বিষয় ও পরিধি আলোচিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে। পরিবার, বিবাহ, আত্মীয়তা, ধর্ম, রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক জীবনযাত্রার মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানের পরিচিত বিষয়সমূহ যেমন এখানে স্থান পেয়েছে, তেমনই আলোকিত হয়েছে ভারতের আদিবাসী পরিপ্রেক্ষিত ও উন্নয়নের সমসাময়িক প্রসঙ্গও। তথ‌্যসংগ্রহ ও ক্ষেত্র সমীক্ষার বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে মেধাবী অনুসন্ধানের খোঁজ এ বইকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

সার্ধশতবর্ষের আলোকে বন্দে মাতরম্ || SARDHASHATABARSHER ALOKE VANDE MATARAM

200.00

সেদিন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে পুলিশ রিপোর্টে কী লেখা হয়েছিল? কী লেখা হয়েছিল অন্যান্য স্বদেশি গানগুলি সম্পর্কে? কেই-বা হয়েছিল গ্রেফতার? কে গাইল ফাঁসির মঞ্চে ‘বন্দে মাতরম’? বঙ্কিমবাবুর নিজস্ব কথা কী ছিল? কী বলেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কে তাঁর আত্মজার কাছে? বিংশ শতাব্দীর মধ্যযুগের চিন্তকরা কী লিখেছিলেন ‘বন্দে মাতরম্’-এর শতবর্ষে? পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম্’ কি একই গোত্রের?

এরকম অসংখ্য জিজ্ঞাসার সন্ধান পাওয়া যাবে বইটির পাতায় পাতায়।

সাহিত্য সেবক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় / Sahitya Sebak Brajendranatha Bandyopadhyaya

60.00

বিশ্বনাথ রায়

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ-এর প্রাণপুরুষ তথা উনিশ শতকীয় চর্চায় বাঙালির পথপ্রদর্শক ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিজীবন সম্পর্কে আমরা এতাবৎ প্রায় অনবহিতই ছিলাম। দৌহিত্র বিশ্বনাথ রায় প্রণীত এই সংক্ষিপ্ত ব্রজেন্দ্র-আলেখ্য সে অভাব বহুলাংশে মেটাবে।

 

সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের সন্ধানে / SHIRAJER PUTRA O BANGSHADHARDER SANDHANE

205.00

অমলেন্দু দে

পলাশির যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি তথ‌্যের অনুসন্ধানে দীর্ঘকাল ব‌্যাপৃত ছিলেন অধ‌্যাপক অমলেন্দু দে। এই যু্দ্ধ- সংক্রান্ত ভারতীয় ও বিদেশি লেখকদের মূল‌্যবান গ্রন্থসমূহ এবং সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নথিপত্রেও সেগুলির সন্ধান না পাওয়ায় তিনি আঠারো শতকের পারিবারিক কাগজপত্র অনুসন্ধান করতে থাকেন। অধ‌্যাপক দে বিশেষ নজর দেন সেইসব জমিদার পরিবারের নথিপত্রে, যাঁরা ১৭৫৭ কিংবা ১৭৫৮ সালে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ময়মনসিংহের জমিদার পরিবারের সঙ্গে বাংলার নবাবদের সুসম্পর্ক ছিল। অধ‌্যাপক দে ময়মনসিংহের ইতিহাস গ্রন্থে এমন কিছু তথ‌্য পান, যার সূত্র ধরে তিনি খোঁজ পেয়ে যান ইতিহাসে অনু্‌ল্লেখিত সিরাজউদদৌলার পুত্রের। সিরাজের সন্তান এই জমিদার পরিবারেই দত্তক পুত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিলেন। সিরাজের অন‌্যতম সেনানায়ক মোহনলাল ছিলেন সিরাজের স্ত্রী আলেয়ার দাদা। ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে আলোয়ার নাম ছিল হীরা। সিরাজ ও হীরার এই পুত্রকে নিয়ে মোহনলাল যু্দ্ধক্ষেত্র থেকে ২৩ জুন (১৭৫৭ সাল) পালিয়ে  চলে যান ময়মনসিংহ। তারপর সেখানকার জমিদার পরিবারে তাঁর আপন ভাগিনেয়কে দত্তক নেওয়ার ব‌্যবস্থা করেন। এই দত্তক পুত্রের নাম হল যুগলকিশোর রায়চৌধুরী। যেভাবে একের পর এক নবলব্ধ তথ‌্যের সাহায‌্যে সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের অজানা ইতিহাস এ গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে, তা এককথায় অনবদ‌্য। প্রসঙ্গত, মোহনলাল সম্পর্কে অধ‌্যাপক দে যে-সকল অজানা তথ‌্য সংগ্রহ করেছেন, তার ঐতিহাসিক মূল‌্য অনস্বীকার্য। সব মিলিয়ে, পলাশির যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য আলোচনায় এই গ্রন্থ এক মহামূল‌্যবান সংযোজন।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প / SUNIL GANGOPADHYAYER PREMER GALPA

369.00

সুনীল গঙ্গোপাধ‌্যায়

‘নারীর দুঃখ’ হোক কিংবা ‘তেহেরানের স্বপ্ন’, প্রেম সুনীলের প্রতিটি গল্পে আলাদা এক চিত্রকল্প তৈরি করে। কখনো সেখানে আহত বাঘের মতো নায়ক চেটে নেয় নিজের ক্ষতস্থান, কখনও বা নায়িকাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে অনির্বচনীয় এক ভয়। দৃঢ় স্বাস্থ‌্যময়, গৌরবর্ণ উজ্জ্বল মুখ বৈমানিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি গল্পে আরও মহীয়ান হয়ে উঠতে বলে মনীষার এক প্রেমিক, আরেক গল্পে  প্রথমে যেমন জাহাজের মাস্তুলটুকু শুধু দেখতে পাওয়া যায়, তেমনি দূরে অবিনাশ দেখতে পায় রানির সুডৌল হাতটিকে। ‘মঞ্জরী’ গল্পে মঞ্জরীকে দেখে কথকের মনে হয় পৃথিবীতে কোনো ময়লা নেই, দুর্গন্ধ নেই, ঘাম নেই। কোথাও মানুষকে মানুষ মারছে না। মোলায়েম স্নিগ্ধ হাওয়ায় পৃথিবীটা ভরে গেছে। রাস্তা হয়ে যায় নদী, দুজনে দুদিকে, পার হবার উপায় নেই। ট‌্যাক্সির ব্রেক কষার দারুণ শব্দে রুক্ষ বাস্তবে ফিরে আসে কাহিনি। এইভাবেই বাস্তব আর কল্প-বাস্তব, স্বপ্ন আর দূরত্ব, প্রতীক্ষা আর ব‌্যর্থতা তৈরি করে প্রেমের অনিঃশেষ এক আখ‌্যান। স্বভাবতই, ‘রোম‌্যান্টিক’ বা অন‌্য কোনো সীমায়িত অভিধা তিরিশটি গল্পে ব‌্যাপ্ত বিচিত্র এই অনুভবরাশির নির্যাসকে আঘ্রাণ করতে অক্ষম।

সুভাষ কি ওটেনকে মেরেছিলেন? / Subhash Ki Otenke Merechilen?

100.00

বারিদবরণ ঘোষ

সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ‌্যাপক ওটেনকে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, জবাব মেলেনি এ প্রশ্নের। নেতাজির তথাকথিত ‘বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত‌্যু’ যেমন আজও রহস‌্যাবৃত, তেমনই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ‘ওটেন নিগ্রহ’ অধ‌্যায়। এ নিয়ে বিতর্কের তিনটি অভিমুখ আছে : (১) সুভাষ প্রত‌্যক্ষভাবে তাঁর অধ‌্যাপককে নিগ্রহ করেছিলেন কি না,     (২) এ প্রসঙ্গে তাঁর নীরবতা, (৩) এ প্রসঙ্গে ওটেনের সবকিছু পরিষ্কার করে না বলা। এ গ্রন্থে সুভাষ-ওটেন প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে এই তিনটি অভিমুখ ধরেই। সংযোজিত হয়েছে সুভাষচন্দ্রের সহপাঠী বি এ রায়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত প্রতিবেদন। সুভাষ নিরপরাধ, সুভাষ অবশ‌্যই অপরাধী_ওটেন প্রসঙ্গে এই দুই চরমপন্থী বিশ্লেষণ থেকে নৈর্ব‌্যক্তিকভাবে নিজেকে দুরত্বে রেখে সম্পাদক কুশলতার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছেন বহু দুষ্প্রাপ‌্য নথি, তথ‌্য ও প্রতিবেদন_যাদের ঐতিহাসিক মূল‌্য আজও কিছুমাত্র কম নয়। কালক্রমে যিনি হয়ে উঠবেন ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, তাঁরই ছাত্রজীবনের একটি অনালোকিত অধ‌্যায় এবার আলোকবৃত্তে।