| শুধুই জনপ্রিয় কথাসাহিত্যের অভিধায় সুচিত্রা ভট্টাচার্যের লেখালেখিকে চিহ্নিত করলে তা তাঁর ক্ষুরধার কলমের অবমূল্যায়ন হবে। এই সংগ্রহ পড়লে পাঠক শুধু গল্পের চরিত্রদেরই দেখতে পাবেন না, বীক্ষণ করবেন নিজেকেও । |
মহাকবি সোমদেব ভট্ট
কথারূপ সরিৎসমূহের সাগর-ই কথাসরিৎসাগর। মহাকবি সোমদেব ভট্ট বিরচিত এই মহাগ্রন্থের স্বাদু অনুবাদ ও পুনঃকথন এই প্রথম বাংলায়। গল্পের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসছে আর-একটি গল্প। তা থেকে আরও একটি _এরকমভাবে গল্পের প্রবাহ সৃষ্টি করেছে অসংখ্য তরঙ্গের যারা মিলেমিশে তৈরি করেছে কথাসাহিত্যের এক অতলান্ত সমুদ্র যা বহু ক্ষেত্রেই আদি ও বীভৎসরসে সিঞ্চিত। এতৎসত্ত্বেও গৃহী পাঠকের জন্য এখানে উপস্থিত হিতকথা, নীতিবাক্য ও শাস্ত্রীয় উপদেশ।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-উত্তর বাংলা কথাসাহিত্যে অন্যতম প্রধান স্বর, নিঃসন্দেহে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্বাচিত দশটি উপন্যাস এখানে সংকলিত হয়েছে দুটি খণ্ডে।
বুদ্ধদেব গুহ
শুধু উপন্যাস নয়, ছোটোগল্পেও বুদ্ধদেব গুহ যে এক ব্যতিক্রমী কথাশিল্পী, তা আরও একবার প্রমাণিত এই সংগ্রহের অর্ধশত গল্পে। কোথাও চোরাশিকারি, কোথাও নবীন মুহুরি, কোথাও আবার সাকচুং সিং-এর মতো বিচিত্র চরিত্র ভিড় করে এ-সংগ্রহের পাতায়। ফলত সৃজিত হয় এক বৃহৎ ক্যানভাস, জীবনের জ্যামিতি যেখানে বদলে যায় অবিরাম।
নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
ঝন্টিপাহাড়ির ভূতবাংলোতে ভূতের পিলে চমকানো অট্টহাসিই হোক কিংবা নীলপাহাড়ির ঝাউ-বাংলোয় কাটা মুণ্ডুর বীভৎস নাচ, পটলডাঙার চার মূর্তিকে কুপোকাত করতে পারে, এমন সাধ্য কার! টেনিদা ও তার তিন শাগরেদ প্যালা, হাবুল ও ক্যাবলা-কে নিয়ে লেখা নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রথম ও তৃতীয় উপন্যাস_চার মূর্তি ও ঝাউ-বাংলোর রহস্য_এই প্রথম একসঙ্গে।