পুরস্কারে ভূষিত
শিশুসাহিত্যে বাল সাহিত্য অকাদেমি ২০২১
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।
বিশ শতকের প্রথম ভাগে, কুমুদিনী মিত্রর অনুবাদের মাধ্যমেই বাঙালি পাঠক প্রথমবার সরাসরি পরিচিত হন জাহাঙ্গিরের নিজের ভাষ্যে রচিত তাঁর জীবন ও সময়ের সঙ্গে। গ্রন্থটিতে জাহাঙ্গিরের রাজ্যাভিষেক, দস্তুর-উল্-আমল নামে দ্বাদশ ঘোষণাপত্র, জন্মকথা, প্রজানুরাগ, প্রশাসনিক সংস্কার, বিদ্রোহ দমন, ধর্মনীতি, পরিবার ও উত্তরাধিকার- প্রভৃতি বিষয় পৃথক পৃথক পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত হয়েছে।
জাহাঙ্গীরের শাসনদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক তাঁর ন্যায়বিচার। করমুক্তি, দুর্নীতিদমন, হাসপাতাল স্থাপন, পথিকশালা নির্মাণ, পশুহত্যা নিবারণের মতো সিদ্ধান্ত তাঁর শাসনের মানবহিতৈষী অভিমুখটিকে সুস্পষ্ট করে। পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ না-হলেও সংগীত, উদ্ভিদবিদ্যা, চিত্রকলা ও প্রকৃতিপ্রেমে অনুরাগী ন্যায়পরায়ণ এক সম্রাটকে নিবিড়ভাবে জানতে এই আত্মজীবনী পাঠ অপরিহার্য।
জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর শুধু সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবেই নয়, দিন-ই-ইলাহির মতো এক নতুন দর্শন তথা ধর্মভাবনার প্রবক্তা হিসেবেও পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয়।
তাঁর ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রভাবনা-যা ক্ষমতা, সহনশীলতা, প্রগতি ও সামাজিক ন্যায়কে পেরেছিল অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করতে-আজও প্রাসঙ্গিক।
এই জীবনীগ্রন্থ সেই মহামতি সম্রাটের জীবন, সময় ও দর্শনের নিবিড় পাঠ।
ঠাকুরবাড়ির পাশাপাশি বাংলা শিশু-কিশোর সাহিত্যের ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছেন রায় বাড়ির মহিলারাও। পুরুষ সদস্যদের গরিমাময় উপস্থিতি ও প্রভাব এতটাই সুদূরপ্রসারী যে, দু-তিনজন ব্যতিক্রম ছাড়া একই পরিবারের প্রতিভাময়ী নারীদের কথা প্রায়শই চলে যায় পাদপ্রদীপের আড়ালে। আবার, প্রত্যক্ষভাবে রায়বাড়িতে জন্ম না-হলেও বৈবাহিক ও আত্মীয়তা-সূত্রে অনেকেই যুক্ত হয়েছিলেন রায় পরিবারের সঙ্গে।