উত্তরপাড়া জমিদার বাড়ির অন্দর মহল / UTTARPARA JAMIDAR BARIR ANDAR MAHAL
₹440.00বাংলার জমিদার বা রাজপরিবারের সামন্ত্রতান্ত্রিক ভোগবাদী জীবনযাপনের যে তথাকথিত আভিজাত্যের প্রচলিত ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের আপাত পরিচয় ।
বাংলার জমিদার বা রাজপরিবারের সামন্ত্রতান্ত্রিক ভোগবাদী জীবনযাপনের যে তথাকথিত আভিজাত্যের প্রচলিত ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের আপাত পরিচয় ।
অনেক শিল্পী নির্জনতা-বিলাসী কিংবা একান্তভাবে নিজের রং-তেল-জল-ক্যানভাস নিয়েই মগ্ন থাকেন আবার অনেক শিল্পী শিল্পের অন্যান্য শাখা সম্পর্কেও বিশেষ আগ্রহী। যেমন অনেক কবি ছবি দেখেন না, কবিতার জগৎ ছেড়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান না, আবার অনেক কবি প্রেরণা পান ছবি কিংবা গান থেকে। আমরা আমাদের নিজেদের সীমানা ছাড়িয়ে অন্য যত কিছুই গ্রহণ করি না কেন, তাতেও আমাদের মস্তিষ্কে স্মৃতির অনেক কোষ খালি থাকে। সুতরাং গ্রহণ করার কোনো শেষ নেই।
সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ
মানুষ তাঁর ভাবভাষাকে লিপিবদ্ধ রূপ দিয়ে স্থায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু সে-ভাষার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত, আবেগময় কথ্য ভাষার দূরত্ব কখনোই ঘোচার নয়। বক্তব্য বা বক্তৃতার বিশেষ মূল্য এ-দৃষ্টিকোণ থেকেই। আবার কখনো সে-বক্তব্যকে পূর্বেই লিখে পরে সভা-সমিতিতে রাখার রীতিও বহুলপ্রচলিত। স্বতোৎসারিত কিংবা প্রস্তুত ভাষণ_উভয় প্রকার বক্তব্যেরই একটা স্থায়ী মূল্য থেকে যদি তাতে ধরা পড়ে মানুষের চিরন্তন ভাবনা-প্রবাহ। উনিশ ও বিশ শতকের বেশ কয়েকজন মনীষীর ভাষণ একত্রিত করে প্রস্তুত এই সংকলনে পাঠক অনুভব করবেন। তদানীন্তন যুগস্পন্দন। পাশাপাশি এইসব ভাষণে মিলবে সাহিত্য, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, সংস্কৃতি, সমাজসংস্কার, ধর্ম প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষাবহ চিন্তা ও চেতনার অনুরণন। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, বিবেকানন্দের অনায়াসলভ্য ভাষণ যেমন এতে গৃহীত, তেমনই স্থান পেয়েছে বহু আয়াসে উদ্ধার করা অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বের দুষ্প্রাপ্য ভাষণও।
অনুবাদক: ড. তারকনাথ মল্লিক
সম্পাদনা: প্রফেসর অপূর্ব কুমার মুখোপাধ্যায়
ড. সুমাহন বন্দ্যোপাধ্যায়
নৃবিজ্ঞানের বিকাশ, তার নানাদিক ও বিষয় ও পরিধি আলোচিত হয়েছে বর্তমান গ্রন্থে। পরিবার, বিবাহ, আত্মীয়তা, ধর্ম, রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক জীবনযাত্রার মতো সামাজিক-সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানের পরিচিত বিষয়সমূহ যেমন এখানে স্থান পেয়েছে, তেমনই আলোকিত হয়েছে ভারতের আদিবাসী পরিপ্রেক্ষিত ও উন্নয়নের সমসাময়িক প্রসঙ্গও। তথ্যসংগ্রহ ও ক্ষেত্র সমীক্ষার বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে মেধাবী অনুসন্ধানের খোঁজ এ বইকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।
চাণক্য তাঁর দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে যে সত্য উপলব্ধি করেছিলেন , তাকেই সমাজকল্যাণের প্রয়োজনে আপন প্রতিভাবলে শ্লোকাকারে লিপিবদ্ধ করেন ।
দেশকালের সীমানা পেরোনো সেই সমস্ত শাশ্বত শ্লোক আজও মানবজীবনে জাগরণের মহামন্ত্র হয়ে উঠতে পারে ।
অমলেন্দু দে
পলাশির যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি তথ্যের অনুসন্ধানে দীর্ঘকাল ব্যাপৃত ছিলেন অধ্যাপক অমলেন্দু দে। এই যু্দ্ধ- সংক্রান্ত ভারতীয় ও বিদেশি লেখকদের মূল্যবান গ্রন্থসমূহ এবং সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নথিপত্রেও সেগুলির সন্ধান না পাওয়ায় তিনি আঠারো শতকের পারিবারিক কাগজপত্র অনুসন্ধান করতে থাকেন। অধ্যাপক দে বিশেষ নজর দেন সেইসব জমিদার পরিবারের নথিপত্রে, যাঁরা ১৭৫৭ কিংবা ১৭৫৮ সালে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ময়মনসিংহের জমিদার পরিবারের সঙ্গে বাংলার নবাবদের সুসম্পর্ক ছিল। অধ্যাপক দে ময়মনসিংহের ইতিহাস গ্রন্থে এমন কিছু তথ্য পান, যার সূত্র ধরে তিনি খোঁজ পেয়ে যান ইতিহাসে অনু্ল্লেখিত সিরাজউদদৌলার পুত্রের। সিরাজের সন্তান এই জমিদার পরিবারেই দত্তক পুত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিলেন। সিরাজের অন্যতম সেনানায়ক মোহনলাল ছিলেন সিরাজের স্ত্রী আলেয়ার দাদা। ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে আলোয়ার নাম ছিল হীরা। সিরাজ ও হীরার এই পুত্রকে নিয়ে মোহনলাল যু্দ্ধক্ষেত্র থেকে ২৩ জুন (১৭৫৭ সাল) পালিয়ে চলে যান ময়মনসিংহ। তারপর সেখানকার জমিদার পরিবারে তাঁর আপন ভাগিনেয়কে দত্তক নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এই দত্তক পুত্রের নাম হল যুগলকিশোর রায়চৌধুরী। যেভাবে একের পর এক নবলব্ধ তথ্যের সাহায্যে সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের অজানা ইতিহাস এ গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে, তা এককথায় অনবদ্য। প্রসঙ্গত, মোহনলাল সম্পর্কে অধ্যাপক দে যে-সকল অজানা তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার ঐতিহাসিক মূল্য অনস্বীকার্য। সব মিলিয়ে, পলাশির যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য আলোচনায় এই গ্রন্থ এক মহামূল্যবান সংযোজন।