• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Non-Fiction

সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের সন্ধানে / SHIRAJER PUTRA O BANGSHADHARDER SANDHANE

162.50

অমলেন্দু দে

পলাশির যুদ্ধে হারিয়ে যাওয়া কয়েকটি তথ‌্যের অনুসন্ধানে দীর্ঘকাল ব‌্যাপৃত ছিলেন অধ‌্যাপক অমলেন্দু দে। এই যু্দ্ধ- সংক্রান্ত ভারতীয় ও বিদেশি লেখকদের মূল‌্যবান গ্রন্থসমূহ এবং সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নথিপত্রেও সেগুলির সন্ধান না পাওয়ায় তিনি আঠারো শতকের পারিবারিক কাগজপত্র অনুসন্ধান করতে থাকেন। অধ‌্যাপক দে বিশেষ নজর দেন সেইসব জমিদার পরিবারের নথিপত্রে, যাঁরা ১৭৫৭ কিংবা ১৭৫৮ সালে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ময়মনসিংহের জমিদার পরিবারের সঙ্গে বাংলার নবাবদের সুসম্পর্ক ছিল। অধ‌্যাপক দে ময়মনসিংহের ইতিহাস গ্রন্থে এমন কিছু তথ‌্য পান, যার সূত্র ধরে তিনি খোঁজ পেয়ে যান ইতিহাসে অনু্‌ল্লেখিত সিরাজউদদৌলার পুত্রের। সিরাজের সন্তান এই জমিদার পরিবারেই দত্তক পুত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছিলেন। সিরাজের অন‌্যতম সেনানায়ক মোহনলাল ছিলেন সিরাজের স্ত্রী আলেয়ার দাদা। ধর্মান্তরিত হওয়ার আগে আলোয়ার নাম ছিল হীরা। সিরাজ ও হীরার এই পুত্রকে নিয়ে মোহনলাল যু্দ্ধক্ষেত্র থেকে ২৩ জুন (১৭৫৭ সাল) পালিয়ে  চলে যান ময়মনসিংহ। তারপর সেখানকার জমিদার পরিবারে তাঁর আপন ভাগিনেয়কে দত্তক নেওয়ার ব‌্যবস্থা করেন। এই দত্তক পুত্রের নাম হল যুগলকিশোর রায়চৌধুরী। যেভাবে একের পর এক নবলব্ধ তথ‌্যের সাহায‌্যে সিরাজের পুত্র ও বংশধরদের অজানা ইতিহাস এ গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে, তা এককথায় অনবদ‌্য। প্রসঙ্গত, মোহনলাল সম্পর্কে অধ‌্যাপক দে যে-সকল অজানা তথ‌্য সংগ্রহ করেছেন, তার ঐতিহাসিক মূল‌্য অনস্বীকার্য। সব মিলিয়ে, পলাশির যুদ্ধের ইতিহাস ও তাৎপর্য আলোচনায় এই গ্রন্থ এক মহামূল‌্যবান সংযোজন।

রহস্যাবৃত ভাওয়াল সন্ন্যাসী / RAHSYABRITA BHAWAL SANYASI

150.00

গত শতকের বিশ থেকে চল্লিশের দশক পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলাদেশ এক রাজপরিবারের মামলা নিয়ে আলোড়িত হয় | এর ঢেউ ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে বিলেতের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত প্রসারিত হয় | সেই রহস্যের বিচিত্র এবং সম্পুর্ন ইতিহাস , যাবতীয় নথিপত্র , দুষ্প্রাপ্য ছবি , নানান কবিতার উদ্ধার ইত্যাদি নিয়ে এই প্রথম বাংলায় লেখা হল

উত্তরপাড়া জমিদার বাড়ির অন্দর মহল / UTTARPARA JAMIDAR BARIR ANDAR MAHAL

440.00

বাংলার জমিদার বা রাজপরিবারের সামন্ত্রতান্ত্রিক ভোগবাদী জীবনযাপনের যে তথাকথিত আভিজাত্যের প্রচলিত ইতিহাসের সঙ্গে আমাদের আপাত পরিচয় ।

আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH

266.00

কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও।

সাহেব ভূত থেকে শুরু করে কুকুর ভূত, রাইটার্সের ভূত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, জিপিও, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ভূত- নানান কিসিমের ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর বইটি ছোটো-বড়ো সব পাঠককে মুগ্ধ করবেই।

BIGYANACHARYA JAGADISH CHANDER ABISHKAR / বিজ্ঞানাচার্য জগদীশচন্দ্রের আবিষ্কার

160.00

জগদানন্দ রায়

যে আবিষ্কারগুলি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুকে পৃথিবীবিখ্যাত করেছিল, সহজবোধ্য ভাষায় তার বিবরণ এই বইয়ে। বিস্মৃতির অন্ধকার থেকে তুলে আনা জগদানন্দ রায়ের এই দুর্লভ গ্রন্থটি হয়তো-বা আমাদের মনে করিয়ে দিতে পারে যে, মাতৃভাষাতেও বিজ্ঞান ও বিজ্ঞান সম্বন্ধে চর্চা সম্ভব।

আমি গোপাল পাঠাকে দেখেছি || AMI GOPAL PATHAKE DEKHECHI || GAUTAM BAGCHI

140.00
‘৪৬-এর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং, তার প্রতিরোেধ ও দমন যে কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না, তাকে বুঝতে হবে বিশ শতকীয় বাংলার অগ্নিযুগের প্রেক্ষাপটে, সেই সত্য প্রথম মনে করিয়ে দিয়েছেন বিশিষ্ট গবেষক-সাংবাদিক গৌতম বাগচি। তিনিই নিয়েছিলেন গোপাল পাঠার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার।

পর্বে-পর্বে প্রকাশিত হয়ে আমার আমি’র অন্ধকারে শীর্ষক সেই আত্মকথন একদা এই রাজ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিল।

এ বইয়ে রইল গোপাল পাঠার নিজের বয়ানে রডা অস্ত্র লুণ্ঠন এবং ‘৪৬-এর দাঙ্গার সেই অকথিত ইতিহাস!