যদি টুক করে চোখ রাখতে ইচ্ছে হয় ছাপার অক্ষরে, কাগজ-কালির গন্ধে ভালোলাগা-ভালোবাসা মাখামাখি হয়, তবে আরও মুচমুচে লাগবে একই মলাটের মধ্যে তিনটে স্বাদু উপন্যাস!
গহন সুন্দরবনে কোনও চিহ্ন না রাখা একটা লুকোনো খুন! শহর কলকাতায় সকলের চোখের সামনে একটা হত্যাকাণ্ড! এই দুই উপন্যাসে খুনির কাছে পৌঁছোনোই ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেটা একইসঙ্গে রোমাঞ্চ ঠাসা অপরিচিত অভিযান-পথ। আর শেষপাতে রয়েছে নিশুত রাতে ভূত খোঁজার রোম খাড়া করা অভিযান!
শিহরনকে সাক্ষী করে এই তিন অভিযানে সামিল হতে চাইলে এই বই-ই হবে আপনার গাইড।
গোটা দেশ জুড়ে কৃত্তিম যন্ত্রমানব তৈরির যে অশুভ শিক্ষা ব্যবস্তা চলছে , চঞ্চল কুমার ঘোষের এই উপন্যাস তার বিরুদ্ধে এক মূর্ত প্রতিবাদ I
কোথাও অন্তস:ত্ত্বা নারীরা খুন হচ্ছেন, কোথাও আবার আচমকা শুরু হয়ে যাচ্ছে মোটিভবিহীন মৃত্যুমিছিল! প্যানিক অ্যাটাক আর আত্মহত্যায় বলি হওয়া মানুষগুলোকেও কি আসলে হত্যা করা হয়েছে? শোণিতপিপাসু ড্রাকুলার রক্ততৃষ্ণার নেপথ্যে কোন রহস্য লুকিয়ে?

ক্রিমিনাল সাইকোলজি আর আনপ্রেডিক্টেবল প্লটের দুর্লভ মেলবন্ধন অমৃতা কোনারের অপ্রতিরোধ্য থ্রিলারে। নির্মেদ, শানিত গদ্যে শুধু অপরাধীর মনই নয়, অমৃতা চিনিয়ে দেন পরিশীলিত মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভণ্ড এই সময়ের গভীর অসুখগুলিকেও।
হোম মূলত চার প্রকার: সামবেদী, যজুর্বেদী, ঋগ্বেদী ও তান্ত্রিক। বঙ্গদেশে বৈদিক হোমের প্রচলন থাকলেও তন্ত্রোক্ত হোমের প্রাধান্যই বর্তমানে সর্বাধিক লক্ষ করা যায়। বর্তমান গ্রন্থে গ্রন্থকার শুধু যে ত্রিবেদীয় হোমবিধিকেই অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করেছেন তাই-ই নয়, বঙ্গদেশে বহুলপ্রচলিত তন্ত্রোক্ত হোমের বিধিনিয়মও বর্ণনা করেছেন প্রাঞ্জলভাবে। এই গ্রন্থপাঠে পুরোহিত ব্রাহ্মণদের পাশাপাশি ধর্মজিজ্ঞাসু যে-কোনো সাধারণ পাঠকও ঋদ্ধ হবেন নিশ্চিতভাবেই
কেন এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু, স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অন্যতম প্রধান সহযোদ্ধার বিরুদ্ধে?
এই জটিল অনুরাগ-বিরাগের আকর্ষণীয় বিশ্লেষণ এই গ্রন্থ, যাকে ইতিহাসবিদ নিশীথরঞ্জন রায় বলেছেন, ‘শুধু কৌতূহলোদ্দীপক নয়, তথ্যনির্ভর… সমকালীন দলিল।’