একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন।
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়।
পৃথিবীর শেষ স্টেশন || PRITHIBIR SESH STATION – FARUK AKHTAR
পৃথিবীর শেষ স্টেশন আসলে কী?
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
150 YEARS OF বন্দে মাতরম্ – সার্ধশতবর্ষের গৌরবগাথা || 150 YEARS OF VANDE MATARAM || Rudrashekhar Saha
দুর্লভ নথি ও বিস্মৃতপ্রায় আলোকচিত্রের অমূল্য এই সংগ্রহ প্রকৃত প্রস্তাবে স্মৃতির সরণি বেয়ে ভারতবর্ষের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’-এর সার্ধশতবর্ষ পরিক্রমা।
এতে বিধৃত রয়েছে ‘বন্দে মাতরম্’ রচনার প্রেক্ষাপট-সহ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই সংগীতের স্পর্শধন্য ইতিহাসের অক্ষয় পরিচয়বাহী প্রতিটি মুহূর্ত। রবীন্দ্রনাথের সতীর্থ হরিশচন্দ্র হালদার-সহ বহু কৃতবিদ্য, বরেণ্য শিল্পীর মহত্তর লক্ষ্যে উত্তীর্ণ শিল্পকর্ম, প্রাজ্ঞ মনীষীদের বঙ্কিম-প্রশস্তি, নানা ভাষায় ‘বন্দে মাতরম্’-এর তরজমা, দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্র, বঙ্কিমচন্দ্র এবং তাঁর অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম্’ সম্পর্কিত স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম এবং প্রচারপত্র, ভারতীয় পতাকার বিবর্তন, বিদেশে গীত ‘বন্দে মাতরম্’, দেশাত্মবোধক কবিতা ও গান, বঙ্গ বিভাগের বিক্ষুব্ধ পরিবেশের চিহ্নবাহী স্মারক, জালিয়ানওয়ালাবাগ প্রসঙ্গ, অমৃতবাজার পত্রিকা, অনুশীলন সমিতি, যুগান্তর পত্রিকা-র অনুষঙ্গ, ভারতের জাতীয় কংগ্রেস এবং ‘বন্দে মাতরম্’ প্রসঙ্গ, শ্রীঅরবিন্দ ও ‘বন্দে মাতরম্’, ‘বন্দে মাতরম্’-নির্ভর চলচ্চিত্রের পুস্তিকা ও বিজ্ঞাপন, মুদ্রায় উৎকীর্ণ ‘বন্দে মাতরম্’, বিজ্ঞাপনে ‘বন্দে মাতরম্’, ‘বন্দে মাতরম্’-এর জনপ্রিয় রেকর্ড প্রসঙ্গ, আনন্দমঠ উপন্যাসের কাহিনির পটভূমিতে স্থাপিত ‘বন্দে মাতরম্’- মুদ্রিত পৃষ্ঠা, বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রচ্ছদ, শিশুশিল্পীদের আঁকা ‘বন্দে মাতরম্’ ভাবমূল-নির্ভর চিত্র এবং মনীষীদের দৃষ্টিতে ‘বন্দে মাতরম্’।
শুধু তা-ই নয়, এ বইয়ের পাতা উলটে আগ্রহী পাঠক তথা শ্রোতা শুনে নিতে পারবেন রবীন্দ্র-কণ্ঠে স্বদেশি কবিতা ও গান।
দুই মলাটের মধ্যে এই অনন্য অভিযাত্রার দলিল নির্মাণ এ যাবৎ অপেক্ষিত ছিল।
রাজ নর্তকী || RAJ NARTAKI – SOURAV CHAKRABORTY
খুন, ধর্ষণ আর ঠগের নিদারুণ উদাহরণ ছিলেন কলিকাতার কিছু জমিদারবাবু।
কলকাতার এক পুরাতন জমিদার বাড়ির গোপনতম ইতিহাস লিপিবদ্ধ রইলো ‘রাজনর্তকী’ গ্রন্থে। সেই যুগেই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল এই অন্ধকার ইতিহাস। ঘেন্না ধরে যাবে সেই যুগের বাবু বিবিদের কাণ্ডকারখানা জানলে। লজ্জাও লজ্জা পাবে। সেই ইতিহাসই তুলে ধরা হলো গ্রন্থে।
**প্রাপ্তবয়স্ক না হলে এই বই হাতেও তুলবেন না।**
আদি কলকাতার ভূতুড়ে বাড়ি || ADI KOLKATAR BHOOTURE BARI || BARIDBORAN GHOSH
কলকাতা মানে স্মৃতির পরতে জমে থাকা স্মৃতি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম- জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস। এই শহরের অলিতে গলিতে যেমন ইতিহাস হেঁটে বেড়ায়, তেমনই নিঃশব্দে ঘুরে বেড়ায় তার অশরীরী বাসিন্দারাও।
সাহেব ভূত থেকে শুরু করে কুকুর ভূত, রাইটার্সের ভূত থেকে শুরু করে হাইকোর্ট, জিপিও, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির ভূত- নানান কিসিমের ভৌতিক অভিজ্ঞতায় ভরপুর বইটি ছোটো-বড়ো সব পাঠককে মুগ্ধ করবেই।
বাবরের আত্মকথা || BABURER ATMAKOTHA
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ স্ট্যানলি লেন-পুল যাঁকে ‘প্রাচ্যের জুলিয়াস সিজার’ বলে অভিহিত করেছেন, মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সেই জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তাঁর ব্যতিক্রমী আত্মজীবনী বাবরনামা গ্রন্থের জন্য।
বাবরনামা-র উৎকর্ষ বাবরের অকপটতায়। নিজের ব্যর্থতা, ভুল সিদ্ধান্ত, চারিত্রিক দুর্বলতা- কিছুই তিনি গোপন করেননি। সেইসঙ্গে রয়েছে মানবচরিত্র বিশ্লেষণ, শাসনব্যবস্থা ও সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ভনিতাহীন মন্তব্য। ভৌগোলিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রকৃতি ও প্রাণীজগতের সূক্ষ্ম বর্ণনা প্রদানেও তিনি অনবদ্য।
এই সেই বিরল গ্রন্থ যা একাধারে সমসময়ের বিশ্বস্ত দলিল এবং যুগপৎ এক সম্রাট ও এক মানুষের কালোত্তীর্ণ আত্মকথা।
হুমায়ূন || HUMAYUN
কুড়িটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত, প্রেমময় দাশগুপ্ত বিরচিত এই জীবনীগ্রন্থটি স্বাদু বাংলায় হুমায়ূনের জীবন ও সময়ের এক বিশ্বস্ত ধারাভাষ্য।
এই গ্রন্থ পাঠ করলে পাঠক শুধু ষোড়শ শতাব্দীর ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের বিড়ম্বিত সূচনালগ্নেই পরিভ্রমণ করবেন না, এক ভাগ্যপ্রবঞ্চিত সম্রাটের জীবনের নানান উত্থান-পতনেরও সাক্ষী হবেন।
রবিনহুড – সেকাল ও একাল || RABINHOOD – SEKAAL O EKAAL
প্রখ্যাত চিকিৎসক তথা কলকাতার প্রাক্তন শেরিফ ডা. দুলালকুমার বসু রচিত এই বইটিতে রবিনহুড কেবল শেরউড বনের রোমান্টিক নায়ক নন, বরং মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। ইতিহাস, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শেরিফপ্রথার বিবর্তনের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন রবিনহুডের বিদ্রোহী সত্তা।
ব্যক্তিগত স্মৃতি, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যনিষ্ঠ অনুসন্ধান মিলিয়ে বইটি পেয়েছে এক স্বতন্ত্র বৌদ্ধিক গভীরতা। প্রাঞ্জল, স্বাদু গদ্যে লেখা বইটি শিশু, কিশোর ও ইতিহাসপ্রেমী পাঠক- সবার কাছেই সমান আকর্ষক!
শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্তি-কথা || SHERLOCK HOLMSER BICHITRA KIRTI-KATHA
কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।