কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।
একদিকে গোপন এক পরীক্ষাগারে জন্ম নিচ্ছে ভয়ঙ্কর এক মিউট্যান্ট ভাইরাস, অন্যদিকে ভারতের বিরুদ্ধে ঘনিয়ে উঠছে ভয়ঙ্কর এক আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ! মিয়ানমার থেকে ইতালি, দিল্লি থেকে বেজিং— চক্রান্তের চক্রব্যূহ ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে বিশ্বজুড়ে। জেগে উঠেছে ড্রাগন। একের পর এক গুপ্তহত্যায় প্রমাদ গুনছেন পিএমও থেকে শুরু করে র-এর বরিষ্ঠকর্তারা। আসন্ন সর্বনাশের ঘূর্ণিপাক থেকে ভারতকে বাঁচাবে কে? অপারেশন ড্রাগনহান্ট! আসছে— অভিমন্যু সিং রানা। কোডনেম— এজেন্ট ভৈরব!
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
জীবনের স্মৃতিদীপে একদিকে যেমন চিরসংগ্রামী আপোশবিমুখ মানুষটির অকপট জীবনচরিত, তেমনই তা বিংশ শতাব্দীর দুই অর্ধে ভারতে জাতীয়তাবাদী ইতিহাসচর্চার এক নেপথ্যভাষণ ।
পঞ্চান্নটি তীক্ষ্ণ অথচ স্বাদু নিবন্ধের সংকলন প্রিয় গদ্য পাঠকের কাছে এক আনন্দ সফর, যেখানে তিনি নিজের অজান্তেই পার হয়ে যেতে থাকেন ভাষা, শিল্প, সংস্কৃতি ও দর্শনের এক – একটি অমোঘ দিকচিহ্নখচিত জাদুস্টেশন ।