পথে প্রবাসে ও নির্বাচিত প্রবন্ধ / PATHE PRABASE O NIRBACHITA PRABANDHA
Subtotal : ₹150.00
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
এই বইয়ের উদ্দেশ্য, পাঠকের সামনে সেই ঘটনার আগে-পরে সমস্ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ব্যাখ্যা হাজির করা। কাশ্মীর উপত্যকার সৌন্দর্যের নাম উচ্চারণ করলে প্রথম সারিতেই উঠে আসে পহেলগাঁও। তুষারঢাকা পাহাড়, নদীর কলতান, পাইন ও দেবদারুর সবুজ- সব মিলিয়ে পুরো এলাকা বহু দশক ধরে শুধু ভ্রমণপিপাসু মানুষ নয়, ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু প্রকৃতির সেই সৌন্দর্যের আড়ালে যে ভয়াবহ জঙ্গি নাশকতা ঘটে গিয়েছে, তার পুঙ্খানুপুগ্ধ বিশ্লেষণ রয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়। গোয়েন্দাদের তদন্ত রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সাংবাদিকতার গবেষণা, সব মিলিয়ে দু’মলাটে পাওয়া যাবে পাকিস্তানের ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংক্রান্ত সেই সব প্রশ্নের উত্তর। নৃশংস ওই ঘটনার বৃত্তান্ত জানতে চান তামাম ভারতবাসী। হয়তো বা পাঠক হিসেবে আপনিও।
পহেলগাঁও হামলার বিশ্লেষণ তাই শুধু একটি ট্র্যাজেডির স্মৃতিকথা নয়, পাকিস্তান নামের একটি দেশের স্বরূপ সকলের সামনে তুলে ধরা।
ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?