ভূত আছে কি নেই -এই দুই বিশ্বাসের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে ভূত। এখনও সারা পৃথিবী জুড়ে লেখা হয় ভূত নিয়ে কত গল্প-উপন্যাস। ভূতের গল্প পড়তে ভালোবাসে পৃথিবীর সব দেশের মানুষ। তাই ভূত থাকুক আর নাই থাকুক, আমাদের ভূতের গল্প আছে। থাকবে।
নিপুর ঘরের খাটের তলায় আশ্চর্য একটা রহস্যময় ক্রিকেট বল, মধুপুরের ‘দীন কুটির’ নামের সেই বিশাল বাড়ি, নস্যির মতো রঙের বটুকদাদার কুকুর জিপসি, ঘোড়ায় চেপে রুগি দেখতে যাওয়া ভরত ডাক্তার, এমন সব রহস্যময় চরিত্রে ভরা তাঁর এই বইয়ের গল্পগুলি।
এই নতুন দুনিয়ার কিছু অর্বাচীনের ধারণা ইন্টারনেটে সব মেলে । অবশ্যই মেলে কিন্তু হৃ্দয়ের খবর মেলে না। হৃ্দয়ের গভীর থেকে সেই সব হাসি কান্না হীরা পান্নার খবর লেখক তুলে আনলেন ।
একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন। প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-
S
রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়। কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন। আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।
পেশায় আইনজীবী, নেশায় গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্র অপরাধীকে ধরতে ডুব দেন মনস্তত্ত্বের গহিনে, সাহায্য নেন আধুনিকতম ফরেনসিক বিজ্ঞানের।
কিস্তিমাত-এ পাঠক সাক্ষী হবেন কুন্তলার কাছে আসা এমন চারটি জটিল কেস-এর, যেখানে অপরাধের সূত্র লুকিয়ে আছে স্মৃতি, বিস্মৃতি অথবা অধুনালুপ্ত কোনও নথিতে। কখনও সাইবার ফরেনসিকস, কখনও প্লান্ট ফরেনসিকস, আবার কখনও মনোবিজ্ঞানকে মগজাস্ত্র বানিয়ে এমন অভিনব রহস্যভেদ এই সময়ের শিহরন-সাহিত্যে বিরল।
মানবমন আর অপরাধতত্ত্বের জটিল গোলকধাঁধায় নারী গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্রের স্বচ্ছন্দ মেধাবী বিচরণ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে।