শৌখিন ঘন্টার হুইস্ল / SOUKHIN GHANTAR WHISTLE
₹100.00সতীনাথ মাইতি
মুহূর্তের বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত পৃথিবী। সেই জলছবি আঁকেন যে কবি, মৃত্যুমুখী তাঁর জীবনের দুর্নিবার গতিকে থামায় কবিতা, হয়তো বা নারীও কোনো। গ্রাম থেকে শহর ভাসে লোনা অভিজ্ঞানে।
সতীনাথ মাইতি
মুহূর্তের বর্ণচ্ছটায় উদ্ভাসিত পৃথিবী। সেই জলছবি আঁকেন যে কবি, মৃত্যুমুখী তাঁর জীবনের দুর্নিবার গতিকে থামায় কবিতা, হয়তো বা নারীও কোনো। গ্রাম থেকে শহর ভাসে লোনা অভিজ্ঞানে।
সৈকত রক্ষিতের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
চিরায়ত কথাসাহিত্য হিসেবে স্বীকৃত যা, তার চৌহদ্দির বাইরেও প্রতিনিয়ত জায়মান এক সাহিত্য। হয়তো নবীন বহতা কথাসাহিত্যের এই ধারাই একদিন নব প্রাণশক্তিতে উজ্জীবিত করবে বাংলা ছোটোগল্পকে। মুহূর্তকথার পর তাই উত্তরকথা। উত্তর এখানে যেমন পরবর্তী, তেমনই অমোঘ প্রকৃতি-মানুষের বহুকৌণিক সম্পর্কের প্রতিফলনে ধরা পড়া আখ্যানের আভাষ-নির্মাণে। ছোটোগল্পই নিঃসংশয়ে সেই ফর্ম যা কিনা ভাঙচুর এইসময়ের টানাপোড়েন আর তার গলনমুহূর্তকে ছুঁয়ে নিতে পারে এক অনন্ত দ্রাঘিমায়। উত্তরকথা-র প্রথম পর্যায়ে আমরা বেছে নিয়েছি সমসময়ের কয়েকজন বিশিষ্ট কথাকারকে। তাঁদের নির্মেদ শক্তিশালী গদ্যেই খুঁজে নেওয়া যাক বাংলা ছোটোগল্পের পরবর্তী অভিমুখ।
দেবরঞ্জন চক্রবর্ত্তী
যুগপৎ প্রাচ্য ও প্রতীচ্য ধারায় শিক্ষিত ভূনাথ মুখোপাধ্যায়ের শিল্পকর্ম একসময় দেশেবিদেশে কলারসিকদের সমাদর লাভ করেছিল। প্রতিকৃতি অঙ্কনে, নিসর্গদৃশ্য রচনায় কিংবা পেনসিল স্কেচে তাঁর সমকক্ষ শিল্পী দুর্লভ। ভূনাথের ব্যতিক্রমী জীবন এবং তাঁর বিপুল শিল্পকর্মের প্রতিনিধিত্বকারী নমুনার আলোকচিত্র-সহ এই গ্রন্থ শিল্পী সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা কিয়দংশে হলেও দূর করবে।
ডিং ডং মাঝে মাঝে আজব ভাষায় কথা বলে। তার ভাষায় ‘মাকাটিলি’ মানে ‘লিপইয়ার’। স্কুলে আবৃত্তির পর সে বলল, ‘ইকিতানি’। এর মানে নাকি ‘নমস্কার’। টুপুরের জানলার ওপাশে বাতাবি লেবুর গাছে একটা পাখি এসে বসে। ওকে দেখলেই তার আর পড়ায় মন বসে না। যোগের বেলায় বিয়োগ করে বসে। বাবা একদিন মা-র কথায় দুটো লাঠিতে নিজের ছেঁড়া জামা গলিয়ে বানিয়ে দিলেন পাখিতাডুয়া। তারপর আর পাখিটা আসে না। টুপুরের মনটাই আর ভালো নেই। ঝিমলি আর কাকুর দুই ছেলে-মেয়ে টিটুল আর টিকলি। তাদের পুতুল খেলার রাজ্য ছাদে তার নাম ‘খেলাঘরপুর’। বড়োদের কী নিয়ে যেন কথা বন্ধ, তাই ওদের একসঙ্গে পুতুল খেলাও বারণ। এখন ওরা পুতুলগুলো কি নিজেরা ভাগ করে নেবে? এরকম উনিশটি গল্প নিয়ে এই বই। যারা সবে বই পড়তে শিখেছে বা যারা গড়গড়িয়ে পড়তে পারে, তাদের জন্যে গল্পগুলো লেখা। যারা বই পড়তেই পারে না এখনও, বড়োরা যাদের বই পড়ে শোনান, এই গল্পগুলো তাদের জন্যও।
সম্ভবত পৃথিবীর মানুষকে দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এক যারা প্যারিস দেখেছে; দুই যারা প্যরিস দেখেনি। সম্ভবত পৃথিবীর সব কবিকেও দু-ভাগে ভাগ করা যায়। এক যাদের মাতৃভূমি শুধু তাদের নিজেরই দেশ: দুই যাদের মাতৃভূমি তাদের নিজের দেশ ছাড়াও তার একটি শহর_ প্যারিস। ইতিহাসে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকার মতন শহর প্যারিস নয়, উলটে ইতিহাসই এখানে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে। এখানে কেউ নারীর হাত ধরে প্রবিষ্ট হয়ে অবশেষে কবিতা, শিল্প কিংবা দর্শনের হাত মুঠো করে ধরে নিষ্ক্রান্ত হয়। আবার কেউ কবিতা, শিল্প বা দর্শনের হাত পাকড়ে ঢোকে এবং বার হয় নারীর আঁচল আঁকড়ে। প্যারিস নারীর মতন টানে, প্যারিসের নারীরা নিয়তির মতন টানে। আর সেই টানে। আর সেই টানে অভিমন্যুর মতো চক্রব্যূহে প্রবিষ্ট লেখক আর নিষ্ক্রান্ত হতে পারেন না কুহকিনী এ শহরের মায়াজাল থেকে। প্যারিস তাই তাঁর কাছে সতেরোশো উননব্বই-এর লঁসিয়ঁ রেজি্ম, য়ুগো, কিংবা মালার্মের লিতেরাচুর, দেরিদার অবিনির্মাণ, পাস্কালের হৃদয়ের যুক্তি, গোদার-কে বোঝার বৃথা চেষ্টা, ক্রফোর ফ্রিজ শট, পোলানস্কির, জীবনসিনেমা, ব্রিজিং বার্ডোর লাস্য, কামুর ফুটবল, পারফিউমের সুগন্ধ, কনিয়াকের ঘ্রাণ আর রাতের আলো-আধারিতে উদ্দাম স্ট্রিপটিজ্। কাল থেকে শুরু হয়ে আজ ছুঁয়ে প্যারিস প্রবহমান আগামী কালে। চিরযৌবনা এ নগরীর শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও মননের মায়াবী রূপকথা প্যারিসপ্রেমিক লেখকের কলমে।
রাজেশ বসু
উত্তরাধুনিক এক অন্ধকার পৃথিবীর প্রতিনিধি এ-কাহিনির নায়ক। কোমায় আচ্ছন্ন তার মা। নিঃসাড় মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃতবৎ তাঁর বেঁচে থাকা। অবশেষে মৃত্যু। আর তারপরই নায়কের বাড়ি ফেরা। টেলিফোন। ও-প্রান্তে বান্ধবী উজ্জ্বয়িনী যে শুনতে পায় শয়তানের কন্ঠস্বর। বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়া। এবার গন্তব্য সুখলডিহি। এক আদিবাসী গ্রাম। সেখানে অপেক্ষমাণ আর এক পৃথিবী_ তার আদিম ঐশ্বর্য আর আধুনিক লালসা নিয়ে। জনদরদি চিকিৎসক, অসহায় আদিবাসী তরুণী, অত্যাচারী পুলিশ অফিসার, লম্পট ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী নারী, রাষ্ট্রদ্রোহী তরুণ_বিচিত্র নানান চরিত্র এক মহাজগতের প্রেক্ষাপটে উপস্থিত সেখানে। কী হয় তারপর?
মহাশ্বেতা দেবীর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
মুহূর্ত যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে, মুহূর্তকথারা পাড়ি দেয় এক অজানা যাত্রাপথে। দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে তারা হয়তো শ্রোতাকে, পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক মহান অঙ্গনে, যেখানে ঋদ্ধ হতে হয় ভিন্ন এক পাঠ-অভিজ্ঞতায়, অভিনব কোনো জীবনবোধে। হয়ে ওঠা অথবা না-হয়ে ওঠা এই মুহূর্তকথারাই চিরায়ত কথাসাহিত্যের প্রাণ, তারাই সাঁতারু প্রজন্মস্মৃতির এই প্রবহমান স্রোতে। ‘মুহূর্তকথা’_এই শিরোনামে পারুল নিবেদন করছে বাংলা ছোটোগল্পের চিরায়ত সৃজনকর্মগুলিকে। মুহূর্তকথা-র এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের নিবেদন। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, বুদ্ধদেব গুহ ও হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ।
পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারি গ্রামে গুপ্ত-পরবর্তী যুগের বৌদ্ধমহাবিহারের আবিষ্কার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মোগলমারির প্রত্নকথা, উৎখননের ইতিবৃত্ত, ইতিহাস, পর্যটন ও বৌদ্ধপ্রভাব প্রভৃতি বিষয় অবলম্বন করে মোট ১৯টি প্রবন্ধ সংকলিত হয়েছে এ গ্রন্থে।
Kissory Chand Mittra
Written to be read at the 27th Hare Anniversary Meeting at the Town Hall on 1 June 1870, Memoir of Dwarkanath Tagore by Kissory Chand Mittra shows how an Indian gradually rose to power in a colonial regime with his keen business acumen, political incisiveness and capacity to explore personal relationships. After a very succinct account of Dwarkanath’s birth and childhood, Mittra concentrates on Dwarkanath’s economic and socio-political ventures that would make him one of the most important and indispensable figures of the first half of the 19th century. Interestingly, Mittra’s focus is not on Dwarkanath’s business entrepreneurships. Instead, he shows how Dwarkanath manoeuvred his wealth in understanding and ushering the discourse of colonial rule in India. Historically this makes the book one of the most irresistible and best-written celebrity memoirs of the 19th century India.