Shop

ডিঙিনৌকো – দশম বর্ষ (২০২৫) || DINGINOUKO – 10TH YEAR (2025)

412.50

ছোটোদের বার্ষিকী
প্রকাশিত হল ডিঙিনৌকো ২০২৫।

মহাকাশের বন্দিদশা ঘুচিয়ে যখন বসুন্ধরায় ফিরে এলেন অসমসাহসিনী এক ‘ভারতকন্যা’, প্রায় তখনই ভারতমায়ের আর-এক নির্ভীক সন্তান পাড়ি জমালেন অন্তরীক্ষে।
শতরঞ্জের সেরা ‘খিলাড়ি’ যে ইন্ডিয়াই, বারবার তা প্রমাণিত হয়ে যাচ্ছে আমাদের তরুণ, বিশ্বজয়ী দাবাড়ুদের তুখোড় কিস্তিমাতে।
এমনই সব গর্বের মুহূর্ত পেরিয়ে, তোমাদের কাছে এসে গেল ডিঙিনৌকো। ছড়া-কবিতা, গল্প-উপন্যাস, কমিক্স, কুইজ, নিবন্ধ-প্রবন্ধের রকমারি পসরা সাজিয়ে, এবারেও সে ভেসে চলেছে স্বপ্নময়, মায়াবী এক জাদুপৃথিবীর উদ্দেশে

ডিঙিনৌকো – তৃতীয় বর্ষ / DINGINOUKO – 3RD YEAR

221.25
ছোটদের জন্য অনেক আনন্দ -মজা-ফুর্তি হুল্লোড় ধরা রইল এই আনন্দবার্ষিকীতে । তোমরা , ছোটোরা, তা অনায়াসেই কুড়িয়ে নিতে পারো । ডিঙ্গিনৌকা -র পাতায় পাতায় রইল মন-মাতানো উপন্যাস , রং বেরঙের গল্প , নাটক, খেলা, আলাপচারিতা, দুই দেশের পাখির কথা , কমিকস , আরও  কত কী ।

ডিঙ্গিনৌকো – প্রথম বর্ষ / DINGI NOUKA – 1ST YEAR

358.00

সম্পাদনা: সুনির্মল চক্রবর্তী

আজ যখন বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রকোপে ছিন্নভিন্ন ঋতুচক্র, যখন মানুষের অপরিমিত লোভ নিঃশেষ করছে ভূগর্ভের জলস্তর, যখন খরা, বন্যা আর যুদ্ধে বিপন্ন মানবজাতি, তখন একমাত্র ছোটোরাই পারে স্বপ্ন দেখতে। তারাই পারে নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখাতে। নতুন এই ডি­­ঙিনৌকো তাদের বাহন। এতেই সওয়ার হয়ে তারা একদিন ঠিক খুঁজে নেবে সম্ভাবনার নতুন সমুদ্র আর তারায় ভরা নতুন আকাশ।

ঢেউ গুনছি সাগরের / DHEU GUNCHI SAGARER

337.50

রম্যরচনা নয়, নয় সাময়িক পত্রিকায়
প্রকাশিত হওয়া বাঁধা গতের ফিচার।

আশাপূর্ণা দেবীর ঢেউ গুনছি সাগরের
আসলে বহু ব্যঞ্জনাময়
এই জীবনেরই ছোটো ছোটো জলছবি।

তারাবন্দর / Tarabandar

125.00

বিনায়ক বন্দ‌্যোপাধ‌্যায়

চিনের আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে ভারতের প্রতিনিধি কবি এই উপন‌্যাসের নায়ক নয়, সূত্রধরমাত্র। তবু সেই সূত্রেই সে হয়ে ওঠে এক আশ্চর্য আখ‌্যানের অংশ। আবিষ্কার করে সাসপেন্সের সুতো নয়, জীবন এবং উপন‌্যাস দুটোকেই এগিয়ে নিয়ে চলে বিনিসুতোর ভালোবাসা। এই উপন‌্যাসে চিন কোনো টুরিস্ট স্পট নয়। কম্পাস যেরকম একটা বিন্দুর ওপর পা রেখে এঁকে ফেলে বড়ো একটা বৃত্ত, চিন এখানে সেরকমই এক বিন্দু। সেই বিন্দুতে সারা পৃথিবীর কাহিনিসিন্ধু এসে মিশেছে। ঢেউয়ের পরে ঢেউ ভেঙে ওরাই গড়ে তুলেছে তারাবন্দর।