• 0 Items - 0.00
    • No products in the cart.

Shop

ভূতের চিকিৎসা / BHUTER CHIKITSHA

123.00

হিরণ্ময় ভট্টাচার্য

এক বর্ষার রাতে চৌধুরি বাড়ি চুরি করতে গিয়ে গোবরের গর্তে পা হড়কে পড়ে গেল কানাপদ। ব‌্যর্থমনোরথ কানাই বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচাতে শেতলা মন্দিরের বারান্দায় উঠে আবিষ্কার করল ছিঁচকে চোর পাঁচু দেবতার বরে অদৃশ‌্য হওয়ার ক্ষমতা লাভ করেছে। নিদারুণ অভিমানে চুরিতে ইস্তফা দিল কানাই। সাম্বাদ্বীপে গিয়েছিল একটা লোক। সেখানে সোনার ঢেঁকি ও নাদা দেখেছিল সে। চিচিঙ্গের মতো লংকা ও সুপুরির মতো সাইজের নারকেল। আরও অনেক অজানা তথ‌্য জানিয়েছিল লোকটা পটাদাকে। গোপেন দারোগা ঘুমকাতুরে। তাঁর দাবি তাঁর সুশাসনের ফলেই ব্রিজপুকুর এলাকায় চুরি ছ‌্যাঁচড়ামি একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হঠাৎ করেই আবার শুরু হল চৌর্যকর্ম। গোপেন দারোগার ঘুমের দফারফা। তাঁকে চ‌্যালেঞ্জ জানিয়েছে তাঁরই বাল‌্যবন্ধু পুলিশে চাকরি না-পাওয়া উপেন। পটাদা নিজেকে গ্লোবট্রটার বলে দাবি করেন গল্পখোর রুবি, রণেন আর কিঙ্কিনীদের কাছে। মাসাইমারা জঙ্গল, তিব্বত, সাহারা মরুভূমি সবই নাকি তাঁর নখের আয়নায়। টাইম মেশিনে চেপে আসা ইডেনের অধিবাসীদেরও চাক্ষুষ করেছেন তিনি। তাঁরই কল‌্যাণে নাকি প্লুটোনিয়াম বোমার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পৃথিবী। মালয়েশিয়ার রাবার ফ‌্যাক্টরির কুলিদের ভূতের উপদ্রব থেকে একবার রক্ষা করেছিলেন পটাদাই। শেষ ট্রেন থেকে নেমে অন্ধকার রাতে বাড়ি ফেরার সময় ভূতের কবলে পড়ল পিলেকান্ত। নিজেকে ‘ড্রাগন’ পরিচয় দিয়েও রক্ষা পেল না। হাতে ছিল সাইকেলের পাম্পার। বুদ্ধি খাটিয়ে সেটাকেই কাজে লাগাল সে। কীভাবে? পাঁচুর লাঙলের ফালে বেধে একদিন উঠে এল সন্দেহজনক একটা পিতলের কলসি। তারপর? এরকমই পঁচিশটি দমফাটা হাসির গল্পে বিচিত্র সব চরিত্রের দেখা মিলবে এই বইয়ে।

মনীষী স্মরণে / MONISHI SMARANE

212.50

শ্রীসুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায়

বাংলার সতেরো জন মনীষীকে নিয়ে লেখা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ‌্যায়ের মনীষী স্মরণে গ্রন্থটি বিবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বিশ্লেষিত হতে দেখি তাঁর বিভিন্ন ভূমিকায়। ব‌্যাকরণিয়া তথা বাকপতি শ্রীরবীন্দ্রনাথই যখন বিশ্বদ‌রবারে ভারতের দুত হয়ে প্রাচ‌্যের বাণীকে পৌঁছে দেন প্রতীচ‌্যে, তখন সুনীতিকুমার প্রদত্ত তাঁর বিস্তারিত পরিচয় পেয়ে আমাদের বিস্ময়ের অবধি থাকে না। এই সকল প্রবন্ধের রচনা প্রসঙ্গ বিবিধ। যাঁরা এখানে আলোচিত, তাঁদের প্রায় প্রত‌্যেকের সঙ্গেই ছিল ভাষাচার্যের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু যখনই এই সকল মনীষী বিশ্লেষিত হয়েছেন সুনীতিকুমারের কলমে, তখন তাঁর আলোচনা ব‌্যক্তিগত ও নৈর্ব‌্যক্তিক পরিসর পেরিয়ে পাড়ি জমিয়েছে ভিন্ন এক নন্দনের অভিমুখে।

মনীষীদের বক্তৃতা / MONISHIDER BAKTRITA

350.00

সম্পাদনা বারিদবরণ ঘোষ

মানুষ তাঁর ভাবভাষাকে লিপিবদ্ধ রূপ দিয়ে স্থায়িত্ব দিয়েছে। কিন্তু সে-ভাষার সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত, আবেগময় কথ‌্য ভাষার দূরত্ব কখনোই ঘোচার নয়। বক্তব‌্য বা বক্তৃতার বিশেষ মূল‌্য এ-দৃষ্টিকোণ থেকেই। আবার কখনো সে-বক্তব‌্যকে পূর্বেই লিখে পরে সভা-সমিতিতে রাখার রীতিও বহুলপ্রচলিত। স্বতোৎসারিত কিংবা প্রস্তুত ভাষণ_উভয় প্রকার বক্তব‌্যেরই একটা স্থায়ী মূল‌্য থেকে যদি তাতে ধরা পড়ে মানুষের চিরন্তন ভাবনা-প্রবাহ। উনিশ ও বিশ শতকের বেশ কয়েকজন মনীষীর ভাষণ একত্রিত করে প্রস্তুত এই সংকলনে পাঠক অনুভব করবেন। তদানীন্তন যুগস্পন্দন। পাশাপাশি এইসব ভাষণে মিলবে সাহিত‌্য, বিজ্ঞান, শিল্পকলা, সংস্কৃতি, সমাজসংস্কার, ধর্ম প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষাবহ চিন্তা ও চেতনার অনুরণন। রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, বিবেকানন্দের অনায়াসলভ‌্য ভাষণ যেমন এতে গৃহীত, তেমনই স্থান পেয়েছে বহু আয়াসে উদ্ধার করা অনেক খ‌্যাতনামা ব‌্যক্তিত্বের দুষ্প্রাপ‌্য ভাষণও।

মনের মানুষ / MONER MANUSH

100.00

এই সময়ের বিশিষ্ট কবি প্রদীপ কুমার রায়ের কবিতায় ধরা পড়ে এক অব্যক্ত বেদনা। বিচিত্র বিষয়ক কবিতার মধ্যেও ফিরে ফিরে আসে এক খোঁজ। কবি খুঁজে ফেরেন তাঁর মনের মানুষ। এক মায়াবী আলোয় মাখা অপূর্ব সারল্যের বিস্তার এই বই জুড়ে। যেন এ কোনো কবিতা নয়, এ হল নদী, যা বাঁকে বাঁকে বদলে নেয় নিজেকে এবং সেইসঙ্গে নিজের অভিমুখ।

মন্দ মেয়ের উপাখ্যান / MONDYA MEYER UPAKHYAN

300.00

সম্পাদনা শৈলেন্দ্র হালদার

সমাজ যাকে করে রেখেছ ব্রাত‌্য-নির্বাসিত, সাহিত‌্য তাকে করেছ বিষয়। কিন্তু মর্যাদা দিয়েছে কি? নইলে ‘বিচারক’ রচনার শতবর্ষ পরেও কেন বিচার পাননি ধরিত্রীর এই পুত্রীরা ? রবীন্দ্রনাথ থেকে প্রভাতকুমার, শরৎচন্দ্র, বিভূতি, তারাশংকর, মাণিক হয়ে শরদিন্দু, সমরেশ, সুনীল, বুদ্ধদেব ও অবশেষে তসলিমা-তৃণাঞ্জনে উপনীত এই গল্পসংগ্রহ কখনোই দেহোপজীবিনীদের নিয়ে লেখা বাংলা ছোটোগল্পের আর একটি বাজারগরম সংকলন নয়। আসলে তা যুগান্তের মুখোমুখি দাঁড়ানো মানুষকে করা মানুষের প্রশ্ন : কে মন্দ? ওরা না আমরা?