অবিভক্ত বাংলাদেশের নারীগণের কথা অল্প কয়েকজন ব্যতীত আমাদের কাছে অজানা। নানান ক্ষেত্রে কৃতী বাংলার সেই সমস্ত আপাত অজানা নারীদের কথা দু-মলাটে। পঞ্চাশ জন বাংলা নারীর নানান অজানা কাহিনি নিয়ে এই গ্রন্থ।
প্রখ্যাত চিকিৎসক তথা কলকাতার প্রাক্তন শেরিফ ডা. দুলালকুমার বসু রচিত এই বইটিতে রবিনহুড কেবল শেরউড বনের রোমান্টিক নায়ক নন, বরং মধ্যযুগীয় ইংল্যান্ডের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন। ইতিহাস, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও শেরিফপ্রথার বিবর্তনের আলোকে লেখক বিশ্লেষণ করেছেন রবিনহুডের বিদ্রোহী সত্তা।
ব্যক্তিগত স্মৃতি, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও তথ্যনিষ্ঠ অনুসন্ধান মিলিয়ে বইটি পেয়েছে এক স্বতন্ত্র বৌদ্ধিক গভীরতা। প্রাঞ্জল, স্বাদু গদ্যে লেখা বইটি শিশু, কিশোর ও ইতিহাসপ্রেমী পাঠক- সবার কাছেই সমান আকর্ষক!
জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর শুধু সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ শাসক হিসেবেই নয়, দিন-ই-ইলাহির মতো এক নতুন দর্শন তথা ধর্মভাবনার প্রবক্তা হিসেবেও পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয়।
তাঁর ব্যতিক্রমী রাষ্ট্রভাবনা-যা ক্ষমতা, সহনশীলতা, প্রগতি ও সামাজিক ন্যায়কে পেরেছিল অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত করতে-আজও প্রাসঙ্গিক।
এই জীবনীগ্রন্থ সেই মহামতি সম্রাটের জীবন, সময় ও দর্শনের নিবিড় পাঠ।
প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ স্ট্যানলি লেন-পুল যাঁকে ‘প্রাচ্যের জুলিয়াস সিজার’ বলে অভিহিত করেছেন, মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সেই জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন তাঁর ব্যতিক্রমী আত্মজীবনী বাবরনামা গ্রন্থের জন্য।
বাবরনামা-র উৎকর্ষ বাবরের অকপটতায়। নিজের ব্যর্থতা, ভুল সিদ্ধান্ত, চারিত্রিক দুর্বলতা- কিছুই তিনি গোপন করেননি। সেইসঙ্গে রয়েছে মানবচরিত্র বিশ্লেষণ, শাসনব্যবস্থা ও সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর ভনিতাহীন মন্তব্য। ভৌগোলিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রকৃতি ও প্রাণীজগতের সূক্ষ্ম বর্ণনা প্রদানেও তিনি অনবদ্য।
এই সেই বিরল গ্রন্থ যা একাধারে সমসময়ের বিশ্বস্ত দলিল এবং যুগপৎ এক সম্রাট ও এক মানুষের কালোত্তীর্ণ আত্মকথা।
উপমহাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘৃণা, বিদ্বেষ ও বিভাজনের রাজনীতির প্রেক্ষিতে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানা জরুরি। ঋষি দাস প্রণীত বাদশা খান আমাদের সেই উত্তরগুলিই শুধু দেয় না, সেই সঙ্গে পরিচিত করে এক অনন্য মহাজীবনের সঙ্গে, যা আমাদের দেয় অহিংসা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও নৈতিক রাজনীতির এক ব্যতিক্রমী পাঠ।