সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
অতিপ্রাকৃত দশটি গল্পের এই সম্মোহক সংকলনে কোনও চরিত্রই নিরাপদ নয়। দুঃস্বপ্নের অন্ধকার মাখা অলিন্দে অতৃপ্ত আত্মার ছায়া ঘোরাফেরা করে। অস্বস্তি, আশঙ্কা, চোখে না-দেখা বিপদের আভাস চরিত্রদের সঙ্গে সঙ্গে পাঠককেও যেন ঘিরে ধরে। অশরীরী উপস্থিতিতে চেনা পৃথিবী অচেনা হয়ে যায়।
লৌকিক ডুব দেয় অলৌকিকের কুহকিনী বাস্তবে!
লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।