কাচে ঢাকা হিরে || KACHE DHAKA HIRE || RUPAK SAHA
একটি কিশোরী মেয়েকে অপহরণ ও খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয় যাবজ্জীবন সাজা খাটছে বক্সিং-এ জুনিয়র ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন স্ট্যালোন।
কে ফাঁসাল তাকে?
প্রখ্যাত সাংবাদিক তথা সত্যান্বেষী কালকেতুর সঙ্গে দমদম সেন্ট্রাল জেলে কাকতালীয়ভাবে দেখা হয়ে যাওয়ার পর কি বদলে যেতে পারে তার অভিশপ্ত জীবন?
আবার কি গ্লাভস পরে রিং-এ নামতে পারবে সে?
কালকেতু কি পারবেন স্ট্যালোনের অতীত খুঁড়ে সত্য উদ্ঘাটন করে আনতে?
জানতে গেলে পড়তে হবে রূপক সাহার অদম্য এই স্পোর্টস থ্রিলার।
একইসঙ্গে সংশোধনাগারের জটিল বাস্তবতা ও আমাদের বদলে যাওয়া খেলার জগৎ নিয়ে এমন সিনেম্যাটিক উপন্যাস বাংলা সাহিত্যে এই প্রথম!
পৃথিবীর শেষ স্টেশন || PRITHIBIR SESH STATION – FARUK AKHTAR
পৃথিবীর শেষ স্টেশন আসলে কী?
সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?
আমি নারী আমি মহীয়সী || AMI NARI AMI MAHIYASI
দুই বাংলার ৫০ জন নারীর কাহিনি
অবিভক্ত বাংলাদেশের নারীগণের কথা অল্প কয়েকজন ব্যতীত আমাদের কাছে অজানা। নানান ক্ষেত্রে কৃতী বাংলার সেই সমস্ত আপাত অজানা নারীদের কথা দু-মলাটে। পঞ্চাশ জন বাংলা নারীর নানান অজানা কাহিনি নিয়ে এই গ্রন্থ।
PARALOK RAHASYA / পরলোক রহস্য
পণ্ডিতপ্রবর কালীবর বেদান্তবাগীশ মহাশয় রচিত
পরলোক রহস্য / THE MYSTERY AFTER DEATH
DOLANER SWAPNAPURAN / দোলনের স্বপ্নপূরণ
নাগরিক জটিলতার আবর্তে নায়কের জীবন এলোমেলো হয়ে গেলেও, নায়িকা শেষ পর্যন্ত, তাকে জয় করে নেয়। দোলন-দোদুলের প্রেম অক্ষয় হয়ে থাকে আখ্যানমুগ্ধ পাঠকের হৃদয়ে।
গদ্যের সারল্যে, গল্পের অমোঘ টানে এই উপন্যাস শেষ পর্যন্ত প্রেমেরই জয়গান গায়।
পথে প্রবাসে ও নির্বাচিত প্রবন্ধ / PATHE PRABASE O NIRBACHITA PRABANDHA
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।
বহুবৃীহি / BAHUBRIHI
নির্বাচিত রচনা-সম্ভার
ড. নির্মল দাশ
‘বহুব্রীহি’ শব্দের অর্থ যার বা যাতে বহু ব্রীহি (= ধান > ফসল) আছে। এই রচনা-সম্ভারে লেখকের কিছু চিন্তার ফসল সঞ্চিত আছে। তাই গ্রন্থনাম ‘বহুব্রীহি’।
CHIRO KUASHAR DESHE / চির কুয়াশার দেশে
সৌম্য ভট্টাচার্য
দাদুর বাড়ির বাগানে পুকুর থেকে উঠে আসা একটা বুড়ো বটগাছ। জলের নীচে তার হাঁ-করা ফোকর গলে দুই বোন ডোরা আর ডোনা_তাদের দুই বন্ধু মিতুল ও নীলুর সঙ্গে_আচমকাই পৌঁছে যায় চির কুয়াশার এক দেশে। সর্বনেশে সে-দেশে অত্যাচারী মকররাজ খোক্কোসদের বিষাক্ত রাজ্যপাট কায়েম করে রেখেছে সেনাপতি কালাপাহাড়ের নির্মম অত্যাচার আর ন্যায়াধীশ শেয়ালপণ্ডিতের ধূর্ত কারসাজিতে। যক্ষপুরীতে গোপন কক্ষে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ তারাই বন্দি করে রাখে বাংলা মাকে।বাচ্চাদের ওপরেই পড়ে আবহমান বঙ্গের স্তন্যদায়িনী সেই মায়ের ভাঙা বুক জোড়া লাগানোর ভার। বাথুয়া_এক সুবিশাল রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার_সহায় হয় তাদের। সঙ্গী হয় লক্ষ্মীপ্যাঁচা সুষমা, সনাতন ভোঁদড়, কুমির-গিন্নি, ছুচোঁ, ইঁদুর, এমনকী বনের আর সব পশুপাখিও। কিন্তু ছোটো ছোটো এই চারটি ছেলে-মেয়ে কি পারবে মকররাজের পরাক্রান্ত সাম্রাজ্যের ভিত টলিয়ে দিতে? রবীন্দ্রনাথের রাখিসংগীতেই কি আছে সেই জাদুশক্তি যা চির কুয়াশাময়, হতাশ সে-দেশে নিয়ে আসবে আশার নতুন আলো? বাংলার চিরকালীন রূপকথা আর শিশুসাহিত্যের নির্যাস নিয়ে লেখা এক আশ্চর্য উপন্যাস, যা একইসঙ্গে ফ্যান্টাসি, স্যাটায়ার, আবার ব্যাপ্ত ক্যানভাসে আঁকা দুর্ধর্ষ, রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চারও।