Suspense

পহেলগাঁও || PAHALGAM || চিত্রদীপ চক্রবর্তী || প্রীতমপ্রতীক বসু || Chitradip Chakrabarty || Pritam Pratik Basu

224.00

ষড়যন্ত্র ও নাশকতার নীল নকশা

পহেলগাঁও হামলা শুধুমাত্র খবরের শিরোনাম নয়, বরং আধুনিক ভারতবর্ষের নিরাপত্তা ও সমাজ-রাজনীতির এক অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট।

এই বইয়ের উদ্দেশ্য, পাঠকের সামনে সেই ঘটনার আগে-পরে সমস্ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ব্যাখ্যা হাজির করা। কাশ্মীর উপত্যকার সৌন্দর্যের নাম উচ্চারণ করলে প্রথম সারিতেই উঠে আসে পহেলগাঁও। তুষারঢাকা পাহাড়, নদীর কলতান, পাইন ও দেবদারুর সবুজ- সব মিলিয়ে পুরো এলাকা বহু দশক ধরে শুধু ভ্রমণপিপাসু মানুষ নয়, ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু প্রকৃতির সেই সৌন্দর্যের আড়ালে যে ভয়াবহ জঙ্গি নাশকতা ঘটে গিয়েছে, তার পুঙ্খানুপুগ্ধ বিশ্লেষণ রয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়। গোয়েন্দাদের তদন্ত রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সাংবাদিকতার গবেষণা, সব মিলিয়ে দু’মলাটে পাওয়া যাবে পাকিস্তানের ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংক্রান্ত সেই সব প্রশ্নের উত্তর। নৃশংস ওই ঘটনার বৃত্তান্ত জানতে চান তামাম ভারতবাসী। হয়তো বা পাঠক হিসেবে আপনিও।

পহেলগাঁও হামলার বিশ্লেষণ তাই শুধু একটি ট্র্যাজেডির স্মৃতিকথা নয়, পাকিস্তান নামের একটি দেশের স্বরূপ সকলের সামনে তুলে ধরা।

পৃথিবীর শেষ স্টেশন || PRITHIBIR SESH STATION – FARUK AKHTAR

200.00

পৃথিবীর শেষ স্টেশন আসলে কী?

সেখানে কি সত্যিই লুকিয়ে রাখা আছে কোনো এক এঞ্জেল বা ফেরেশতাকে? ঘুমের ঘোরে অলিভার সাহেব কেন ‘গ্রেইফ গ্রেইফ’ বলে চিৎকার করতেন? কলকাতা থেকে বুরুল গ্রামে এসে হঠাৎ উধাও হয়ে যান প্রোফেসর ঝা। নিরুদ্দেশ না কি অপহরণ? বুরুল গ্রামে মাস্ক পরে অথবা ছদ্মবেশে আজকাল কারা ঘুরে বেড়ায়? রহস্যময় সাহেববাড়ির কবরের মধ্যে লুকিয়ে আছে কোন রহস্য?
ফারুক আখতারের এই রুদ্ধশ্বাস উপন্যাসের পাতায় পাতায় চমক।
হিউমারের সঙ্গে এখানে মিশেছে থ্রিল, অজানা ইতিহাসের সঙ্গে থ্রিলার!
হেঁয়ালি ভেদ করে এই রহস্যের জট ছাড়াবে কে?

বড়ো পাপ হে || BORO PAAP HEY – RUPAK SAHA

200.00

পাপ কী?

কে তার ভার বহন করে?
মাতা-পিতার পাপের ভার কি সন্তানকেও বইতে হয়?

লৌকিক ও অতিলৌকিকের আঘ্রান মাখা রূপক সাহার এই ব্যতিক্রমী উপন্যাসে মৃত্যু, শোক ও অপরাধবোধ অভিন্ন সূত্রে গাঁথা।

বিষপাথর || BISHPATHAR || RUPAK SAHA

240.00

উত্তর কলকাতার বনেদি দত্ত জুয়েলার্সের নতুন প্রজন্ম কুন্তল। যেমন চোস্ত সে কারাটেতে, তেমনই অব্যর্থ জ্যোতিষী হিসেবে। নিমরাজি হয়ে পারিবারিক ব্যাবসায় নামতে হলেও বিয়েতে তার মত নেই। আইনজীবী বন্ধু টোটার সঙ্গে সে-ও বদ্ধপরিকর ব্রহ্মচর্য পালনে। কিন্তু এলগিন রোডের পুরোনো বাড়ির দেওয়ালে লুকোনো গুপ্তধন পেয়ে যাওয়ার পর থেকেই অনিবার্য সব বিপর্যয় নেমে আসতে থাকে তার জীবনে।

বিষপাথরের অভিশাপ থেকে কীভাবে কুন্তল বাঁচাবে নিজের প্রেম ও পরিবারকে?

রূপক সাহার সাম্প্রতিক এই থ্রিলারে একের পর এক অপ্রত্যাশিত মোচড়ে উন্মোচিত হয়েছে অলঙ্কার তথা রত্ন ব্যাবসার ঈষৎ অপরিচিত জগৎ – তার আলো ও অন্ধকার!

মুদ্রারাক্ষস || MUDRARAKKHASH – KOUSHIK DAS

280.00

একটি বৃদ্ধাশ্রম। তিনটি খুন।
প্রতিটি লাশের কপালে খোদাই করা একটি ইংরেজি অক্ষর-

S

রহস্য উন্মোচনে ব্রতী মনোবিদ কমলেশ রায়।
কৌশিক দাশের এই ডার্ক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারে একইসঙ্গে বহমান তিন অন্ধকারের চোরাস্রোত-একটি নিষ্ঠুর রোগ, প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এক সামাজিক হিংস্রতা, এবং ভাবনারও অতীত ভয়াবহ, দানবীয় এক নির্যাতন।
আলোময় এ দুনিয়াকে পঙ্কিল নরকে পরিণত করতে ছদ্মবেশী যে রাক্ষসেরা বদ্ধপরিকর, এ উপন্যাস নির্ভীকভাবে তাদেরই মুখোশ খুলে দেয়।

শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্তি-কথা || SHERLOCK HOLMSER BICHITRA KIRTI-KATHA

320.00

কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।

সত্যপ্রদীপ / Satyapradip

120.00

প্রাককথন: স্বপন বসু

বাংলার প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সত্যপ্রদীপ। ১৮৬০-এ খ্রিশ্চান ভার্নাকুলার এডুকেশন সোসাইটি প্রকাশ করে এক পয়সা দামের সচিত্র এই মাসিক পত্রিকাটি। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই পত্রিকাটির কোনো কপি ভারতবর্ষ বা বাংলাদেশের কোনো লাইব্রেরিতে নেই।

সুভাষ কি ওটেনকে মেরেছিলেন? / Subhash Ki Otenke Merechilen?

100.00

বারিদবরণ ঘোষ

সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ‌্যাপক ওটেনকে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, জবাব মেলেনি এ প্রশ্নের। নেতাজির তথাকথিত ‘বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত‌্যু’ যেমন আজও রহস‌্যাবৃত, তেমনই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ‘ওটেন নিগ্রহ’ অধ‌্যায়। এ নিয়ে বিতর্কের তিনটি অভিমুখ আছে : (১) সুভাষ প্রত‌্যক্ষভাবে তাঁর অধ‌্যাপককে নিগ্রহ করেছিলেন কি না,     (২) এ প্রসঙ্গে তাঁর নীরবতা, (৩) এ প্রসঙ্গে ওটেনের সবকিছু পরিষ্কার করে না বলা। এ গ্রন্থে সুভাষ-ওটেন প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে এই তিনটি অভিমুখ ধরেই। সংযোজিত হয়েছে সুভাষচন্দ্রের সহপাঠী বি এ রায়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত প্রতিবেদন। সুভাষ নিরপরাধ, সুভাষ অবশ‌্যই অপরাধী_ওটেন প্রসঙ্গে এই দুই চরমপন্থী বিশ্লেষণ থেকে নৈর্ব‌্যক্তিকভাবে নিজেকে দুরত্বে রেখে সম্পাদক কুশলতার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছেন বহু দুষ্প্রাপ‌্য নথি, তথ‌্য ও প্রতিবেদন_যাদের ঐতিহাসিক মূল‌্য আজও কিছুমাত্র কম নয়। কালক্রমে যিনি হয়ে উঠবেন ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, তাঁরই ছাত্রজীবনের একটি অনালোকিত অধ‌্যায় এবার আলোকবৃত্তে।