জীবন্ত ড্রাগন || JIBONTO DRAGON
ক্রিপটোজ্যুলজিস্ট হেরম্যান
আর তার সঙ্গী সুদীপ্ত-র
এই রোমাঞ্চকর অভিযানের গন্তব্য
ইন্দোনেশিয়ার সুন্দা দ্বীপমালার
ওরা দ্বীপ।
সেখানে জঙ্গলের ভিতর প্রাচীন
এক মন্দিরে আজও নাকি দেখতে পাওয়া যায়
পৌরাণিক গল্পকথার সোনার
কমোডো ড্রাগনকে।
বিষ-তির হাতে অসভ্য মানুষ
আর ভয়ংকর প্রেতাত্মাদের সঙ্গে যুঝে
হেরম্যান আর সুদীপ্ত কি খুঁজে পাবে
রূপকথার সেই
ক্রিপটিডকে?
বিবাহ গল্পকথা – শয়তানদের গুপ্ত গাথা || BIBAHA GALPAKATHA – SHAYTANDER GUPTA GATHA
সুভাষচন্দ্র বসু….
বিবাহিত না কি চিরকুমার?
এই একটি প্রশ্নের সত্যনিষ্ঠ উত্তরই বদলে দিতে পারে স্বাধীনতা-পূর্ব তথা স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতবর্ষের গৃহীত ইতিহাস।
দেশমাতৃকার চরণে উৎসর্গীকৃত নেতাজির অপাপবিদ্ধ চরিত্রকে কালিমালিপ্ত করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল এই অশুভ চক্রের সদস্যদের।
কে ছিল না এই চক্রে? দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ আমলা, বিদেশি রাষ্ট্রের কর্ণধার, গুপ্তচর সংস্থা, এমনকী নেতাজির রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রাও!
নীল চোখ রহস্য / NEEL CHOKH RAHASYA
| কেউ কেউ রহস্য-দুনিয়াকে নিজের সৃষ্টিশীল মনন দিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন । তৈরি করেন সম্পূর্ণ আলাদা একটি জগৎ । আর সেই জগতেরই কাহিনি ব্যাখ্যা করেন নিজের সৃষ্টিতে । স্মৃতিকণা রায় তেমন কাহিনিই সৃষ্টি করে চলেছেন বছরের পর বছর ধরে । তাঁর এই বইটিও এমনই ব্যাখ্যাতীত নানা ধরনের ঘটনায় মোড়া । এতে রয়েছে প্রাকৃত-অতিপ্রাকৃত অস্বাভাবিক ঘটনাবহুল। |
চোরাপথে চিড়িয়াখানা || CHORAPATHE CHIRYAKHANA
আলিপুর চিড়িয়াখানাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক অর্ক আর পশুপ্রেমী সাঁঝেলির বন্ধুত্ব যতই গাঢ় হয়, ততই উন্মোচিত হতে থাকে একের পর এক নগ্ন অস্বস্তিকর সত্য। খাঁচার বাইরের রাজনীতির পাশাপাশি এই উপন্যাস তুলে ধরে খাঁচার ভেতরের নির্মম বাস্তবতাকেও।
চোরাশিকারি ইলিয়াসের অন্ধকার জগৎ সেই নির্মমতায় যোগ করে নিষ্ঠুরতার আর এক মাত্রা। বিপ্রতীপে- প্রেম, প্রতিবাদ ও সম্মিলিত প্রতিরোধ।
রূপক সাহার চোরাপথে চিড়িয়াখানা নিছক কোনো উপন্যাস নয়, তা আসলে পশুজগতের সঙ্গে মানবজগতের জটিল সম্পর্কের এক সংবেদী আলেখ্য।
নতুন গ্রহে যতীনবাবু / NATUN GRAHE JATINBABU
₹100.00সুনির্মল চক্রবর্তী
সুনির্মল চক্রবর্তী বাংলা শিশুসাহিত্যে একটি সুপরিচিত নাম। ছোটোদের জন্য তাঁর লেখা গল্প, রূপকথা, উপকথা, ছড়া-কবিতা, নাটক ইতিমধ্যেই শিশু-কিশোরদের মন জয় করে নিয়েছে। ছোটো ছোটো বাক্যে লেখা তাঁর গল্পে পাই মনোহারী ভাষা, সহজ সরলতা, রহস্যবোধ, কৌতুকমেশা এক মায়াবী গদ্য, যা ছুঁয়ে যায় শুধু ছোটোদের নয়, সব বয়সি পাঠকের মন। নতুন গ্রহে যতীনবাবু লেখকের বারোটি নতুন গল্পের সংকলন। এখানে আমরা যেমন মুগ্ধ হয়ে পড়ব মা-হাতি, বাবা-হাতি ও তাদের ছানা-হাতির গল্প, তেমনই পড়ে চমকে যাব বলরামবাবুর পোষা, পাখিটির বৃত্তান্ত, হ্যাংলা নামে এক ঘাসফড়িংয়ের কাহিনি, এমনকী পিকু নামে এক ভালুকছানার কাণ্ডও। অঙ্কে ভীষণ ভয় পেয়ে থাকা তারাপদবাবুর বিপদ কিংবা নতুন গ্রহকে মানুষের বাসযোগ্য করে তোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত যতীনবাবুর আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলে এ বইয়ের পাতা না-উলটে গতি নেই।
গোয়েন্দা নিয়োগীর ছয় কীর্তি / GOYENDA NIYOGIR CHHOY KIRTI
অরুণোদয় ভট্টাচার্য
একই গোয়েন্দাকে কেন্দ্র করে ছ-টি রহস্যগল্প এই বইতে সংকলিত। প্রতিটি গল্পই মৌলিক এবং অবাস্তবতামুক্ত। রোমাঞ্চকর ঘটনা যেমন আছে, তেমনি যুক্তি-তর্ক-সন্দেহ-অনুসন্ধানের মাধ্যমে রহস্যের সন্তোষজনক সমাধানের উদ্দেশ্যও সার্থক হয়েছে।
সত্যপ্রদীপ / Satyapradip
প্রাককথন: স্বপন বসু
বাংলার প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সত্যপ্রদীপ। ১৮৬০-এ খ্রিশ্চান ভার্নাকুলার এডুকেশন সোসাইটি প্রকাশ করে এক পয়সা দামের সচিত্র এই মাসিক পত্রিকাটি। ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন এই পত্রিকাটির কোনো কপি ভারতবর্ষ বা বাংলাদেশের কোনো লাইব্রেরিতে নেই।
সুভাষ কি ওটেনকে মেরেছিলেন? / Subhash Ki Otenke Merechilen?
বারিদবরণ ঘোষ
সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক ওটেনকে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, জবাব মেলেনি এ প্রশ্নের। নেতাজির তথাকথিত ‘বিমান দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ যেমন আজও রহস্যাবৃত, তেমনই কুয়াশার চাদরে ঢাকা ‘ওটেন নিগ্রহ’ অধ্যায়। এ নিয়ে বিতর্কের তিনটি অভিমুখ আছে : (১) সুভাষ প্রত্যক্ষভাবে তাঁর অধ্যাপককে নিগ্রহ করেছিলেন কি না, (২) এ প্রসঙ্গে তাঁর নীরবতা, (৩) এ প্রসঙ্গে ওটেনের সবকিছু পরিষ্কার করে না বলা। এ গ্রন্থে সুভাষ-ওটেন প্রসঙ্গ আলোচিত হয়েছে এই তিনটি অভিমুখ ধরেই। সংযোজিত হয়েছে সুভাষচন্দ্রের সহপাঠী বি এ রায়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত প্রতিবেদন। সুভাষ নিরপরাধ, সুভাষ অবশ্যই অপরাধী_ওটেন প্রসঙ্গে এই দুই চরমপন্থী বিশ্লেষণ থেকে নৈর্ব্যক্তিকভাবে নিজেকে দুরত্বে রেখে সম্পাদক কুশলতার সঙ্গে সন্নিবেশিত করেছেন বহু দুষ্প্রাপ্য নথি, তথ্য ও প্রতিবেদন_যাদের ঐতিহাসিক মূল্য আজও কিছুমাত্র কম নয়। কালক্রমে যিনি হয়ে উঠবেন ‘এশিয়ার মুক্তিসূর্য’, তাঁরই ছাত্রজীবনের একটি অনালোকিত অধ্যায় এবার আলোকবৃত্তে।